দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৬ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

দু‘আ-১২২

اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ شُكْرًا، وَلَكَ الْمَنُّ فَضْلًا. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ التَّوْفِيْقَ لِمَحَآبِّكَ مِنَ الْأَعْمَالِ، وَصِدْقَ التَّوَكُّلِ عَلَيْكَ، وَحُسْنَ الظَّنِّ بِكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! কৃতজ্ঞতা প্রশংসা আপনারই প্রাপ্য। আর আপনারই দান খাঁটি দয়ার দান। ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে তাওফীক চাই ঐসব আমলের, যা আপনার প্রিয় এবং তাওফীক চাই আপনার উপর সত্য ভরসা করার ও আপনার প্রতি সুধারণা পোষণ করার।

২.

বদনজর থেকে বাঁচার দু‘আ-৪

۞ اَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَّهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ
উচ্চারণঃ

আ‘ঊযু বিকালিমা তিল্লা হিত তা ম্মাতি মিন কুল্লি শাইত্বা নিউ ওয়া হা ম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনীন লাম্মাতিন।

অর্থঃ

সকল শয়তান, কীটপতঙ্গ ও বদ নযর থেকে আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালিমাসমূহের মাধ্যমে আশ্রয় চাচ্ছি।

৩.

দু‘আ-৯৯

لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ لَا شَرِيْكَ لَكَ سُبْحَانَكَ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْتَغْفِرُكَ لِذَنْۢبِيْ وَأَسْأَلُكَ رَحْمَتَكَ .
অর্থঃ

আপনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, আপনি পবিত্র মহান। ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে ক্ষমা চাই আমার সকল গুনাহ থেকে, আর আপনার কাছে চাই আপনার করুণা।

৪.

দু‘আ-১০০

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذَنْبِيْ، وَوَسِّـعْ لِيْ فِيْ دَارِيْ وَبَارِكْ لِيْ فِيْ رِزْقِيْ .
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার গুনাহ মাফ করুন, আমার ঘরে প্রশস্ততা দিন, আর আমার রিযিকে বরকত দিন।

৫.

দু‘আ-১১২

اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ تَسْمَعُ كَـلَامِيْ، وَتَرٰى مَكَانِيْ، وَتَعْلَمُ سِرِّيْ وَعَلَانِيَتِىْ، لَا يَخْفٰى عَلَيْكَ شَيْءٌ مِّنْ أَمْرِيْ، وَأَنَا الْبَآئِسُ الْفَقِيْرُ الْمُسْتَغِيْثُ الْمُسْتَجِيْرُ الْوَجِلُ الْمُشْفِقُ الْمُقِرُّ الْمُعْتَرِفُ بِذَنْبِىْ، أَسْأَلُكَ مَسْأَلَةَ الْمِسْكِيْنِ، وَأَبْتَهِلُ إِلَيْكَ ابْتِهَالَ الْمُذْنِبِ الذَّلِيْلِ، وَأَدْعُوْكَ دُعَآءَ الْخَآئِفِ الضَّرِيْرِ، وَدُعَآءَ مَنْ خَضَعَتْ لَكَ رَقَبَتُهٗ، وَفَاضَتْ لَكَ عَبْرَتُهٗ، وَذَلَّ لَكَ جِسْمُهٗ، وَرَغِمَ لَكَ أَنْفُهٗ. اَللّٰهُمَ لَا تَجْعَلْنِيْ بِدُعَآئِكَ شَقِيًّا، وَكُنْۢ بِيْ رَؤُوْفًا رَّحِيْمًا، يَا خَيْرَ الْمَسْؤُوْلِيْنَ! وَيَا خَيْرَ الْمُعْطِيْنَ! اَللّٰهُمَّ إِلَيْكَ أَشْكُوْ ضُعْفَ قُوَّتِيْ وَقِلَّةَ حِيْلَتِيْ وَهَوَانِيْ عَلَى النَّاسِ، يَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ، إِلٰى مَنْ تَكِلُنِيْ؟ إِلٰى عَدُوٍّ يَـتَجَهَّمُنِيْ؟ أَمْ إِلٰى قَرِيْبٍ مَّلَّكْتَهٗ أَمْرِيْ؟ إِنْ لَّمْ تَكُنْ سَاخِطًا عَلَيَّ فَلَاۤ أُبَالِيْ غَيْرَ أَنَّ عَافِيَتَكَ أَوْسَعُ لِىْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনি আমার কথা শুনছেন, আমার জায়গা (অবস্থান) দেখছেন, আমার গোপন ও প্রকাশ্য আপনার জানা, কোনো কিছুই আপনার অগোচর নয়। আমি তো দুর্দশাগ্রস্ত, মুখাপেক্ষী, ফরিয়াদী, আশ্রয়প্রার্থী, ভীত ও সন্ত্রস্ত, কৃতপাপ স্বীকারকারী। আপনার কাছে প্রার্থনা করছি নিঃস্ব ভিখারীর প্রার্থনা; আপনার সমীপে ক্রন্দন করছি তুচ্ছ পাপীর ক্রন্দন, আর আপনাকে ডাকছি ভীত ও বিপদগ্রস্তের ডাক এবং যেভাবে ঐ লোক ডাকে, যার গর্দান আপনার সমীপে অবনত, যার অশ্রু আপনার সম্মুখে প্রবাহিত, যার দেহ আপনার সম্মুখে লাঞ্ছিত আর যার নাক আপনার সামনে ধূলি-ধূসরিত। ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে প্রার্থনা আমাকে দুর্ভাগা সাব্যস্ত কোরেন না, আমার প্রতি হোন পরম দয়ালু ও মেহেরবান। হে শ্রেষ্ঠ প্রার্থনাস্থল! সকল দাতার শ্রেষ্ঠ দাতা! ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অভিযোগ করছি নিজের দুর্বলতার, উপায়হীনতার ও লোকের চোখে মর্যাদাহীনতার। হে সকল দয়াময়ের বড় দয়াময়! কার হাতে আমাকে সমর্পণ করছেন? কোনো দুশমনের হাতে, যে আমার উপর নির্যাতন করবে? কিংবা কোনো দোস্তের ইখতিয়ারে আমার সব কিছু অর্পণ করছেন? আপনি যদি আমার প্রতি নারাজ না হয়ে থাকেন, তবে এসবের কোনো কিছুরই পরোয়া আমার নেই। তবে আপনার নিরাপত্তাই আমার জন্য অধিক প্রশস্ততাপূর্ণ।

৬.

দু‘আ-১৫৪

اَللّٰهُمَّ غَشِّنِيْ بِرَحْمَتِكَ وَجَنِّبْنِيْ عَذَابَكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে আপনার রহমত দ্বারা আবৃত করুন আর আপনার আযাব থেকে আমাকে রক্ষা করুন।

৭.

দু‘আ-১৫৬

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنَا مُفْلِحِيْنَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাদের সফলকাম করুন (দুনিয়া-আখিরাত সব জায়গায়)।

৮.

দু‘আ-১৫৮

اَللّٰهُمَّ اٰتِنِيْۤ أَفْضَلَ مَا تُؤْتِيْ عِبَادَكَ الصَّالِحِيْنَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপন নেক বান্দাদের আপনি যা দিয়ে থাকেন, তার সর্বোত্তম বস্তু আমাকে দান করুন।

৯.

দু‘আ-১৬০

اَللّٰهُمَّ عَذِّبِ الْكَفَرَةَ، وَأَلْقِ فِيْ قُلُوْبِهِمُ الرُّعْبَ، وَخَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمْ، وَأَنْزِلْ عَلَيْهِمْ رِجْزَكَ وَعَذَابَكَ. اَللّٰهُمَّ عَذِّبِ الْكَفَرَةَ أَهْلَ الْكِتٰبِ وَالْمُشْرِكِيْنَ الَّذِيْنَ يَجْحَدُوْنَ اٰيٰتِكَ وَيُكَذِّبُوْنَ رُسُلَكَ، وَيَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِكَ، وَيَتَعَدَّوْنَ حُدُوْدَكَ، وَيَدْعُوْنَ مَعَكَ إِلٰهًا اٰخَرَ، لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ، تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ عَمَّا يَقُوْلُ الظَّالِمُوْنَ عُلُوًّا كَبِيْرًا .
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! কাফিরদের আযাব দিন, তাদের অন্তরে ভীতি সঞ্চার করুন, তাদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করুন এবং তাদের উপর আপনার আযাব-গজব নাযিল করুন। ইয়া আল্লাহ! কাফিরদের আযাব দিন তারা আহলে কিতাব হোক বা মুশরিক। (এরা তো তারা) যারা আপনার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে, আপনার রাসূলগণকে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করে, আপনার পথ থেকে (অন্যদের) নিবৃত্ত করে, আপনার নির্ধারিত সীমারেখা লঙ্ঘন করে আর আপনার সাথে অন্য মাবুদকে ডাকে; অথচ আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি বরকতময় এবং জালিমরা যা কিছু বলে তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে!

১০.

বদনজরের লক্ষণ, করণীয় ও রুকইয়া

সূরা তিনবার বা সাতবার অথবা সম্ভব হলে এর থেকে অধিকও পড়া। (উল্লেখ্য, করণীয় একদম নিচে উল্লেখ করা হলো) بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّالْعٰلَمِیْنَ ۙ﴿۱﴾ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۙ﴿۲﴾ مٰلِکِ یَوْمِ الدِّیْنِ ؕ﴿۳﴾اِیَّاکَ نَعْبُدُ وَ اِیَّاکَ نَسْتَعِیْنُ ؕ﴿۴﴾اِهْدِنَاالصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ ۙ﴿۵﴾صِرَاطَ الَّذِیْنَ اَنْعَمْتَ عَلَیْهِمْ ۬ۙ۬غَیْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَیْهِمْوَلَا الضَّآ لِّیْنَ۠﴿۷﴾ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ قُلْ هُوَ اللهُ اَحَدٌ ۚ﴿۱﴾ اَللهُ الصَّمَدُ ۚ﴿۲﴾ لَمْ یَلِدْ ۬ۙ وَ لَمْ یُوْلَدْ ۙ﴿۳﴾ وَ لَمْ یَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ۠﴿۴﴾ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ۙ﴿۱﴾ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ۙ﴿۲﴾ وَ مِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ۙ﴿۳﴾ وَ مِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الْعُقَدِ ۙ﴿۴﴾ وَ مِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ۠﴿۵﴾ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۙ﴿۱﴾ مَلِکِ النَّاسِ ۙ﴿۲﴾ اِلٰهِ النَّاسِ ۙ﴿۳﴾ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ۬ۙ الْخَنَّاسِ ۪ۙ﴿۴﴾ الَّذِیْ یُوَسْوِسُ فِیْ صُدُوْرِ النَّاسِ ۙ﴿۵﴾ مِنَ الْجِنَّۃِ وَ النَّاسِ ۠﴿۶﴾ দূ‘আ তিনবার বা সাতবার অথবা সম্ভব হলে এর থেকে অধিকও পড়া। بِسْمِ اللّٰهِ أَرْقِيْكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُّؤْذِيْكَ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ اَللّٰهُ يَشْفِيْكَ، بِسْمِ اللّٰهِ أَرْقِيْكَ অর্থ: আমি আল্লাহর নামে আপনাকে রুকইয়াহ করছি, সেই সব জিনিস থেকে, যা আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে। সব প্রাণের অনিষ্ট কিংবা হিংসুকের বদ নজর থেকে আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দিক; আমি আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি। بِسْمِ اللّٰه ِالَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهٖ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ অর্থ: আল্লাহ্‌র নামে; যাঁর নামের সাথে আসমান ও যমীনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী। بِاسْمِ اللّٰهِ يُبْرِيْكَ، وَمِنْ كُلِّ دَاءٍ يَّشْفِيْكَ، وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ، وَشَرِّ كُلِّ ذِيْ عَيْنٍ অর্থ: আল্লাহর নামে (রুকইয়াহ করছি), তিনি আপনাকে মুক্ত করবেন এবং তিনিই প্রত্যেক রোগ থেকে আপনাকে আরোগ্য দিবেন। আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে এবং সকল বদনজরদাতার অনিষ্ট থেকে আল্লাহ আপনাকে রক্ষা করুক। بِسْمِ اللّٰهِ ، أَعُوْذُ بِعِزَّةِ اللّٰهِ وَقُدْرَتِهٖ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ অর্থ: আল্লাহর নামে আমি আল্লাহর সম্মান এবং তাঁর ক্ষমতার আশ্রয় নিচ্ছি, যা আমি অনুভব করি এবং যা আশঙ্কা করি, তার অকল্যাণ থেকে। اَللّٰهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَاسَ اِشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِيْ لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَّا يُغَادِرُ سَقَمًا অর্থ: হে আল্লাহ! মানুষের পালনকর্তা, যন্ত্রণা নিবারণ করুন, সুস্থতা দান করুন, আপনিই সুস্থতা প্রদানকারী, আপনার দেয়া সুস্থতাই প্রকৃত সুস্থতা, এমন সুস্থতা দান করুন যাতে কোন রোগই বাকি না থাকে। أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّةِ ، مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَّهَامَّةٍ ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَّامَّةٍ অর্থ: আমরা আল্লাহর পরিপূর্ণ কল্যাণময় বাক্যাবলীর দ্বারা প্রতিটি শয়তান, প্রাণনাশকারী বিষাক্ত জীব এবং অনিষ্টকারী বদনজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شرِّ مَا خَلَقَ অর্থ: আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের ওসিলায় আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই। أَسْأَلُ اللّٰهَ الْعَظِيْمَ، رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، أَنْ يَّشْفِيَكَ অর্থ: আমি মহান আল্লাহ্‌র কাছে চাচ্ছি, যিনি মহান আরশের রব, তিনি যেন আপনাকে রোগমুক্তি প্রদান করেন।

১১.

বদনজর থেকে বাঁচার দোয়া-৩

اَللّٰهُمَّ ذَا السُّلْطَانِ الْعَظِيْمِ، ذَا الْمَنِّ الْقَدِيْمِ، وَذَا الْوَجْهِ الْكَرِيْمِ ، وَلِيِّ الْكَلِمَاتِ التَّامَّاتِ وَالدَّعَوَاتِ الْمُسْتَجَابَاتِ ، عَافِنَا مِنْ أَنْفُسِ الْجِنِّ ، وَأَعْيُنِ الْإِنْسِ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মা যা-সুলতানিল আযীম, যাল মান্নিল কাদীম, ওয়া যা-লিওয়াজহিল কারীম, ওয়ালিয়্যিল কালিমা-তিত তা-ম্মা-তি ওয়াদ্দা‘ওয়া-তিল মুসতাজা-বা-ত, ‘আ-ফিনা- মিন আনফুসিল জিন্নি, ওয়া আ‘ইয়ুনিল ইন্স।

অর্থঃ

হযরত আলি রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার নবীজি (সা) এর পেরেশান অবস্থায় জিবরাইল আ. আসলেন। তিনি জিগ্যেস করেন হে মুহাম্মাদ! আপনি চিন্তিত কেন? আপনার চিন্তার ফুটেজ চেহারায় ভেসে উঠেছে? তিনি বলেন হাসান ও হুসাইনের বদ নজর লেগেছে। সে (জিবরাইল) বলে আপনি বদ নজর সম্পর্কে সত্য বলেছেন। কারণ নজর লাগা সত্য। জিবরাইল বলে আমি কি আপনাকে এমন কিছু কালিমা শিক্ষা দিব না? যার মাধ্যমে তাদের আরোগ্য লাভ করা সম্ভব? তিনি (সা) বললেন সেগুলো কি? সে (জিবরাইল) বলে তা হলো, اللَّهُمَّ ذَا السُّلْطَانِ الْعَظِيمِ , ذَا الْمَنِّ الْقَدِيمِ , ذَا الْوَجْهِ الْكَرِيمِ , وَلِيَ الْكَلِمَاتِ التَّامَّاتِ وَالدَّعَوَاتِ الْمُسْتَجَابَاتِ , عَافِ الْحَسَنَ وَالْحُسَيْنَ مِنْ نَفْسِ الْجِنِّ وَأَعْيُنِ الْإِنْسِ ফলে উভয়ে সুস্থ হয়ে নবীজির সামনে খেলা করেন। নবীজি সা এর মাধ্যমে উম্মতকে শিফা লাভের আদেশ দেন।

১২.

আজান ও ইকামত কাকে বলে?

الإقامة/ الأذان
উচ্চারণঃ

১. আজান কাকে বলে? আজান (الأذان) শব্দের অর্থ হলো ঘোষণা, আহ্বান বা অবহিত করা। ইসলামী পরিভাষায়, ফরজ নামাজের সময় শুরু হয়েছে—এ কথা মানুষকে জানিয়ে জামাতে নামাজের জন্য আহ্বান জানাতে নির্ধারিত শব্দমালার মাধ্যমে যে ঘোষণা দেওয়া হয়, তাকে আজান বলে। عَنْ مَالِكِ بْنِ الحُوَيْرِثِ، أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي نَفَرٍ مِنْ قَوْمِي، فَأَقَمْنَا عِنْدَهُ عِشْرِينَ لَيْلَةً، وَكَانَ رَحِيمًا رَفِيقًا، فَلَمَّا رَأَى شَوْقَنَا إِلَى أَهَالِينَا، قَالَ: «ارْجِعُوا فَكُونُوا فِيهِمْ، وَعَلِّمُوهُمْ، وَصَلُّوا، فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلاَةُ فَلْيُؤَذِّنْ لَكُمْ أَحَدُكُمْ، وَلْيَؤُمَّكُمْ أَكْبَرُكُمْ» মালিক ইবনে হুওয়াইরিস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার গোত্রের কয়েকজন লোকের সঙ্গে নবী (ﷺ) এর কাছে এলাম এবং আমরা তার নিকট বিশ রাত অবস্থান করলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অত্যন্ত দয়ালু ও বন্ধু বৎসল ছিলেন। তিনি যখন আমাদের মধ্যে নিজ পরিজনের কাছে ফিরে যাওয়ার আগ্রহ লক্ষ্য করলেন, তখন তিনি আমাদের বললেনঃ তোমরা পরিজনের কাছে ফিরে যাও এবং তাদের মধ্যে বসবাস কর, আর তাদের দ্বীন শিক্ষা দিবে এবং নামায আদায় করবে। যখন নামাযের সময় উপস্থিত হয়, তখন তোমাদের একজন আযান দিবে এবং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বয়সে বড় তিনি ইমামতি করবেন।- সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ৬০০ আন্তর্জাতিক নং: ৬২৮ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ الْمُسْلِمُونَ حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ يَجْتَمِعُونَ فَيَتَحَيَّنُونَ الصَّلَوَاتِ وَلَيْسَ يُنَادِي بِهَا أَحَدٌ فَتَكَلَّمُوا يَوْمًا فِي ذَلِكَ فَقَالَ بَعْضُهُمُ اتَّخِذُوا نَاقُوسًا مِثْلَ نَاقُوسِ النَّصَارَى وَقَالَ بَعْضُهُمْ قَرْنًا مِثْلَ قَرْنِ الْيَهُودِ فَقَالَ عُمَرُ أَوَلاَ تَبْعَثُونَ رَجُلاً يُنَادِي بِالصَّلاَةِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا بِلاَلُ قُمْ فَنَادِ بِالصَّلاَةِ " . আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুসলমানরা মদীনায় আসার পর একত্রিত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে নামায পড়ে নিত। এ জন্য কেউ আযান দিত না। একদিন তারা ব্যাপারটি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করল। তাদের একজন বলল, নাসারাদের নাকূসের অনুরূপ একটা নাকূস (শঙ্খ) ব্যবহার কর। তাদের অপরজন বলল, ইহুদীদের শিঙ্গার অনুরূপ একটি শিঙ্গা ব্যবহার কর। উমর (রাযিঃ) বললেন, তোমরা নামাযের জন্য আহবান করতে একটি লোক পাঠাওনা কেন? রাসূল (ﷺ) বললেনঃ হে বিলাল! উঠো এবং নামাযের জন্য ডাক দাও (আযান দাও)।-সহীহ মুসলিম: হাদীস নং: ৭২৩ আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৭ ২. ইকামত কাকে বলে? ইকামত (الإقامة) শব্দের অর্থ দাঁড় করানো, প্রতিষ্ঠা করা বা শুরু করা। ইসলামী পরিভাষায়, জামাতে ফরজ নামাজ শুরু হওয়ার ঠিক পূর্বে নির্ধারিত বাক্যসমষ্টির মাধ্যমে মুসল্লিদের নামাজে দাঁড়ানোর জন্য যে ঘোষণা দেওয়া হয়, তাকে ইকামত বলে। عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: «أُمِرَ بِلاَلٌ أَنْ يَشْفَعَ الأَذَانَ، وَأَنْ يُوتِرَ الإِقَامَةَ إِلَّا الإِقَامَةَ» আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিলাল (রাযিঃ) কে আযানের শব্দ দু’বার এবং قد قامت الصلاة ব্যতীত ইকামতের শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।-সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ৫৭৮, আন্তর্জাতিক নং: ৬০৫

১৩.

নফল নামাজ কী?

النفل
উচ্চারণঃ

নফল (النفل) শব্দের অর্থ অতিরিক্ত, বাড়তি বা অনুদান। ইসলামী পরিভাষায়, ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নাতে মুআক্কাদাহ ছাড়া আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে যে অতিরিক্ত নামাজ আদায় করা হয়, তাকে নফল নামাজ বলে। নফল নামাজ আদায় করলে সওয়াব পাওয়া যায়; তবে কোনো কারণে আদায় করতে না পারলে গুনাহ হয় না। وَمِنَ الَّیۡلِ فَتَہَجَّدۡ بِہٖ نَافِلَۃً لَّکَ ٭ۖ عَسٰۤی اَنۡ یَّبۡعَثَکَ رَبُّکَ مَقَامًا مَّحۡمُوۡدًا রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ পড়বে, যা তোমার জন্য এক অতিরিক্ত ইবাদত। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে ‘মাকামে মাহমুদ’-এ পৌঁছাবেন। তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন: ‘অতিরিক্ত ইবাদত’ দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে, সে সম্পর্কে দু’টি মত আছে। (ক) কতক মুফাসসির বলেন, এ নামায অর্থাৎ, তাহাজ্জুদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য একটি অতিরিক্ত ফরয ছিল। সাধারণ মুসলিমদের প্রতি এটা ফরয করা হয়নি। (খ) কারও মতে অতিরিক্ত হওয়ার অর্থ নফল হওয়া। অর্থাৎ, তাহাজ্জুদ একটি নফল ইবাদত, যেমন আম মুসলিমদের জন্য, তেমনি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্যও। ‘মাকামে মাহমুদ’-এর শাব্দিক অর্থ ‘প্রশংসনীয় স্থান’। হাদীস দ্বারা জানা যায়, ‘মাকামে মাহমুদ’ হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি বিশেষ পদমর্যাদা। এ মর্যাদার কারণে তাকে শাফায়াত করার অধিকার দেওয়া হবে।

১৪.

ব্যথার রুকইয়া

প্রথমে বিসমিল্লাহ ৩বার পড়বে, এরপর সাতবার বলবে, ۞ أَعُوْذُ بِاللّٰهِ وَقُدْرَتِه مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ
উচ্চারণঃ

আউযুবিল্লাহি ওয়া ক্বুদরতিহী মিন শাররি মা-আজিদু ওয়া উহা-যিরু।

অর্থঃ

আমি আল্লাহ ও তাঁর কুদরতের কাছে আশ্রয় নিচ্ছি আমি যা অনুভব করছি এবং ভয় করছি তার অকল্যাণ থেকে।

১৫.

সন্তান লাভের জন্য রুকইয়া

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّالْعٰلَمِیْنَ ۙ﴿۱﴾ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۙ﴿۲﴾ مٰلِکِ یَوْمِ الدِّیْنِ ؕ﴿۳﴾اِیَّاکَ نَعْبُدُ وَ اِیَّاکَ نَسْتَعِیْنُ ؕ﴿۴﴾اِهْدِنَاالصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ ۙ﴿۵﴾صِرَاطَ الَّذِیْنَ اَنْعَمْتَ عَلَیْهِمْ ۬ۙ۬غَیْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَیْهِمْوَلَا الضَّآ لِّیْنَ۠﴿۷﴾ আল হামদুলিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন। আররাহমা-নির রাহীম। মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন। ইয়্যা-কা না‘বুদুওয়া ইয়্যা-কা নাছতা‘ঈন। ইহদিনাসসিরা-তাল মুছতাকীম। সিরা-তাল্লাযীনা আন‘আমতা ‘আলাইহিম । গাইরিল মাগদূ বি ‘আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম اَللهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَۚ اَلْحَیُّ الْقَیُّوْمُ ۬ۚ لَا تَاْخُذُهٗ سِنَۃٌ وَّلَا نَوْمٌ ؕ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الْاَرْضِ ؕ مَنْ ذَا الَّذِیْ یَشْفَعُ عِنْدَهٗۤ اِلَّا بِاِذْنِهٖ ؕ یَعْلَمُ مَا بَیْنَ اَیْدِیْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۚ وَلَا یُحِیْطُوْنَ بِشَیْءٍ مِّنْ عِلْمِهٖۤ اِلَّا بِمَاشَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِیُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ ۚ وَلَا یَـُٔوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِیُّ الْعَظِیْمُ ﴿۲۵۵﴾ আল্লা-হু লাইলা-হা ইল্লা-হুওয়া আল হাইয়ুল কাইয়ূমু লা-তা’খুযুহূ ছিনাতুওঁ ওয়ালা-নাওমুন লাহূ মা-ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূইল্লা-বিইযনিহী ইয়া‘লামুমা-বাইনা আইদীহিম ওয়ামা-খালফাহুম ওয়ালা-ইউহীতূনা বিশাইইম মিন ‘ইলমিহীইল্লা-বিমা-শাআ ওয়াছি‘আ কুরছিইয়ুহুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদা ওয়ালা-ইয়াঊদুহু হিফজু হুমা-ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়ূল ‘আজীম। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম لِلّٰهِ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الْاَرْضِ ؕ وَ اِنْ تُبْدُوْا مَا فِیْۤ اَنْفُسِكُمْ اَوْ تُخْفُوْهُ یُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللهُ ؕ فَیَغْفِرُ لِمَنْ یَّشَآءُ وَیُعَذِّبُ مَنْ یَّشَآءُ ؕ وَاللهُ عَلٰی كُلِّ شَیْءٍ قَدِیْرٌ ﴿۲۸۴﴾ اٰمَنَ الرَّسُوْلُ بِمَاۤ اُنْزِلَ اِلَیْهِ مِنْ رَّبِّهٖ وَالْمُؤْمِنُوْنَ ؕ كُلٌّ اٰمَنَ بِاللهِ وَمَلٰٓئِکَتِهٖ وَكُتُبِهٖ وَرُسُلِهٖ ۟ لَا نُفَرِّقُ بَیْنَ اَحَدٍ مِّنْ رُّسُلِهٖ ۟ وَقَالُوْا سَمِعْنَا وَ اَطَعْنَا ٭۫ غُفْرَانَکَ رَبَّنَا وَ اِلَیْکَ الْمَصِیْرُ ﴿۲۸۵﴾ لَا یُکَلِّفُ اللهُ نَفْسًا اِلَّا وُسْعَهَا ؕ لَهَا مَا کَسَبَتْ وَعَلَیْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ؕ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَاۤ اِنْ نَّسِیْنَاۤ اَوْ اَخْطَاْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَیْنَاۤ اِصْرًا کَمَا حَمَلْتَهٗ عَلَی الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَۃَ لَنَا بِهٖ ۚ وَاعْفُ عَنَّا ٝ وَاغْفِرْ لَنَا ٝ وَارْحَمْنَا ٝ اَنْتَ مَوْلٰىنَا فَانْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْکٰفِرِیْنَ ﴿۲۸۶﴾۠ লিল্লা-হি মা ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদিওয়া ইন তুবদূমা-ফীআনফুছিকুম আও তুখফূহু ইউহা-ছিবকুম বিহিল্লা-হু ফাইয়াগফিরু লি মাইঁ ইয়াশাউ ওয়া ইউ‘আযযিবু মাইঁ ইয়াশাউ ওয়াল্লা-হু আলা-কুল্লি শাইয়িন কাদীর। আ-মানাররাছূলু বিমাউনঝিলা ইলাইহি মির রাব্বিহী ওয়াল মু’মিনূনা কুল্লুন আ-মানা বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুছুলিহী লা-নুফাররিকুবাইনা আহাদিম মির রুছুলিহী ওয়া কা-লূ ছামি‘না ওয়াআতা‘না গুফরা-নাকা রাব্বানা-ওয়া ইলাইকাল মাসীর। লা-ইউকালিলফুল্লা-হু নাফছান ইল্লা-উছ‘আহা-লাহা-মা কাছাবাত ওয়া ‘আলাইহা-মাকতাছাবাত রাব্বানা-লা-তুআ-খিযনা ইন নাছীনা-আও আখতা’না-রাব্বানা ওয়ালা-তাহমিল ‘আলাইনা-ইসরান কামা-হামালতাহূ আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা-রাব্বানা-ওয়ালা তুহাম্মিলনা-মা-লা-তা-কাতা লানা-বিহী ওয়া‘ফু‘আন্না-ওয়াগফিরলানা-ওয়ারহামনা-আনতা মাওলা-না-ফানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম وَ اَوْحَیْنَاۤ اِلٰی مُوْسٰۤی اَنْ اَلْقِ عَصَاکَ ۚ فَاِذَا هِیَ تَلْقَفُ مَا یَاْفِكُوْنَ ﴿۱۱۷﴾ۚ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا کَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ﴿۱۱۸﴾ۚ فَغُلِبُوْا هُنَالِکَ وَانْقَلَبُوْا صٰغِرِیْنَ ﴿۱۱۹﴾ۚ وَ اُلْقِیَ السَّحَرَۃُ سٰجِدِیْنَ ﴿۱۲۰﴾ۚۖ قَالُوْۤا اٰمَنَّا بِرَبِّ الْعٰلَمِیْنَ ﴿۱۲۱﴾ۙ رَبِّ مُوْسٰی وَهٰرُوْنَ ﴿۱۲۲﴾ ওআউহাইনা ইলা মূসা আন আল্কি ‘আসা-কা, ফাইযা হিয়া তালকাফু মা ইয়াফিকূন। ফাওয়াকাআল হাক্কু ওয়া বাতালা মা কানো ইয়ামালূন। ফাগুলিবূ হুনালিকা ওয়ানকালাবূ সাগিরীন। ওয়া উলকিয়াস সাহারাতু সা-জিদীন। কালূ আ-মান্না বিরাব্বিল ‘আলামীন। রাব্বি মূসা ওয়া হারূন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম وَقَالَ فِرْعَوْنُ ائْتُوْنِیْ بِكُلِّ سٰحِرٍ عَلِیْمٍ ﴿۷۹﴾ فَلَمَّا جَآءَ السَّحَرَۃُ قَالَ لَهُمْ مُّوْسٰۤی اَلْقُوْا مَاۤ اَنْتُمْ مُّلْقُوْنَ ﴿۸۰﴾ فَلَمَّاۤ اَلْقَوْا قَالَ مُوْسٰی مَا جِئْتُمْ بِهِ ۙ السِّحْرُ ؕ اِنَّ اللهَ سَیُبْطِلُهٗ ؕ اِنَّ اللهَ لَا یُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِیْنَ ﴿۸۱﴾ وَیُحِقُّ اللهُ الْحَقَّ بِکَلِمٰتِهٖ وَلَوْ کَرِهَ الْمُجْرِمُوْنَ ﴿۠۸۲﴾ ওয়া ক্বালা ফিরআউনু ই’তুনী বিকুল্লি সাহিরিন আলীম। ফালাম্মা জা’আস-সাহারাতু ক্বালা লাহুম মূসা আলকূ মা আন্তুম মুলকূন। ফালাম্মা আলকাও, ক্বালা মূসা মা জি’তুম বিহিস্‌সিহরু, ইন্‌নাল্লাহা সায়ুবতিলুহু, ইন্‌নাল্লাহা লা ইউসলিহু ‘আমালাল মুফসিদীন। ওয়া ইউহিক্কুল্লাহুল হাক্কা বিকালিমাতিহী, ওয়ালাও কারিহাল মুজরিমূন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম وَ اَلْقِ مَا فِیْ یَمِیْنِکَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوْا ؕ اِنَّمَا صَنَعُوْا کَیْدُ سٰحِرٍ ؕ وَ لَا یُفْلِحُ السَّاحِرُ حَیْثُ اَتٰی ﴿۶۹﴾ ওয়া আল্কি মা ফি ইয়ামীনিকা, তালকাফ মা সানা‘উ, ইন্‌না মা সানা‘উ কাইদু সাহিরিন, ওয়া ইউফলিহুস সাহিরু হাইসু আতা। সূরা সফফাত সম্পূর্ণটা পড়বে বা শুনবে সূরা মারইয়াম সম্পূর্ণটা পড়বে বা শুনবে بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۙ﴿۱﴾ مَلِکِ النَّاسِ ۙ﴿۲﴾ اِلٰهِ النَّاسِ ۙ﴿۳﴾ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ۬ۙ الْخَنَّاسِ ۪ۙ﴿۴﴾ الَّذِیْ یُوَسْوِسُ فِیْ صُدُوْرِ النَّاسِ ۙ﴿۵﴾ مِنَ الْجِنَّۃِ وَ النَّاسِ ۠﴿۶﴾ কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক মিন শাররি মা-খালাক। ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ। ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ۙ﴿۱﴾ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ۙ﴿۲﴾ وَ مِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ۙ﴿۳﴾ وَ مِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الْعُقَدِ ۙ﴿۴﴾ وَ مِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ۠﴿۵﴾ কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ, মালিকিন্না-ছ, ইলা-হিন্না-ছ। মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ। আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ। সহবাসের সময় এই দু‘আ পড়বে بِسْمِ اللهِ ، اللهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ ، وَجَنِّبْ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا ‘হে আল্লাহ! তোমার নামে আরম্ভ করছি। তুমি আমাদের নিকট হতে শয়তানকে দূরে রাখো। আমাদের যে সন্তান দান করবে (এ মিলনের ফলে) তা থেকেও শয়তানকে দূরে রাখো।’

১৬.

শ্বাসকষ্ট-অ্যালার্জির রুকইয়া

সূরা ফাতিহা بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّالْعٰلَمِیْنَ ۙ﴿۱﴾ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۙ﴿۲﴾ مٰلِکِ یَوْمِ الدِّیْنِ ؕ﴿۳﴾اِیَّاکَ نَعْبُدُ وَ اِیَّاکَ نَسْتَعِیْنُ ؕ﴿۴﴾اِهْدِنَاالصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ ۙ﴿۵﴾صِرَاطَ الَّذِیْنَ اَنْعَمْتَ عَلَیْهِمْ ۬ۙ۬غَیْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَیْهِمْوَلَا الضَّآ لِّیْنَ۠﴿۷﴾

১৭.

জ্বীনের আসর ও বান কাকে বলে?

مس الجن /صرع الجن
উচ্চারণঃ

১. জ্বিনের আসর বলতে সাধারণত এমন অবস্থাকে বোঝানো হয়, যেখানে কোনো জ্বিন আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় মানুষের ওপর প্রভাব বিস্তার করে বা তাকে কষ্ট দেয়। ইসলামী পরিভাষায় একে صرع الجن (জ্বিনের কারণে আক্রান্ত হওয়া) বা مس الجن (জ্বিনের স্পর্শ) বলা হয়। কুরআন ও সুন্নাহ থেকে প্রমাণিত যে, জ্বিন মানুষের ওপর কিছু ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, اَلَّذِیۡنَ یَاۡکُلُوۡنَ الرِّبٰوا لَا یَقُوۡمُوۡنَ اِلَّا کَمَا یَقُوۡمُ الَّذِیۡ یَتَخَبَّطُہُ الشَّیۡطٰنُ مِنَ الۡمَسِّ যারা সুদ খায়, (কিয়ামতের দিন) তারা সেই ব্যক্তির মত উঠবে, শয়তান যাকে স্পর্শ দ্বারা পাগল বানিয়ে দিয়েছে। বাকারা, ২৭৫। ২. বান কী? 'বান' শব্দটি কুরআন-হাদীস বা প্রাচীন ফিকহের পরিভাষা নয়; এটি বাংলা সমাজে প্রচলিত একটি লোকজ শব্দ। সাধারণত কারও ক্ষতি, বিচ্ছেদ, অসুস্থতা বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে জাদু (السحر) করা হলে মানুষ তাকে "বান মারা" বলে থাকে। অর্থাৎ শরয়ী দৃষ্টিতে 'বান' বলতে স্বতন্ত্র কোনো বিষয় নয়; বরং এটি জাদুরই একটি প্রচলিত নাম বা ধরন। فَیَتَعَلَّمُوۡنَ مِنۡہُمَا مَا یُفَرِّقُوۡنَ بِہٖ بَیۡنَ الۡمَرۡءِ وَزَوۡجِہٖ তারা তাদের থেকে এমন জিনিস শিক্ষা করত, যা দ্বারা তারা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাত সুরা বাকারা, আয়াত ১০২। তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন: হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালামের আমলে কিছু শয়তান, যাদের মধ্যে জিন ও মানুষ উভয়ই থাকতে পারে, কতক ইয়াহুদীকে ফুসলানি দিল যে, হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালামের রাজত্বের (খৃস্টপূর্ব ৯৯০-৯৩০) সকল রহস্য যাদুর মধ্যে নিহিত। তোমরা যদি যাদু শিক্ষা কর, তবে তোমাদেরও বিস্ময়কর ক্ষমতা অর্জিত হবে। সুতরাং তারা যাদুর তালীম নিতে ও তা কাজে লাগাতে শুরু করে দিল। অথচ যাদু শেখা যে কেবল অবৈধ ছিল তাই নয়, বরং তার কোনও কোনও পদ্ধতি ছিল কুফরী পর্যায়ের। ইয়াহুদীরা দ্বিতীয় মহাপাপ করেছিল এই যে, তারা খোদ হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালামকেই একজন যাদুকর সাব্যস্ত করেছিল এবং তাঁর সম্পর্কে প্রচার করেছিল, তিনি শেষ জীবনে মূর্তিপূজা শুরু করে দিয়েছিলেন। তাঁর সম্পর্কে এসব অপবাদমূলক কাহিনী তারা তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহেও জুড়ে দিয়েছিল, যা বাইবেলে আজও পর্যন্ত দেখতে পাওয়া যায়। বাইবেলে এখনও পর্যন্ত তাঁর মুরতাদ হওয়ার বিবরণ বিদ্যমান (দ্র. ১-বাদশানামা ১১:১-২১)। নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক। কুরআন মাজীদের এ আয়াতে হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালামের প্রতি আরোপিত এ ন্যাক্কারজনক অপবাদকে খণ্ডন করা হয়েছে। এর দ্বারা আরও পরিষ্কার হয়ে যায়, কুরআন মাজীদ সম্পর্কে যারা অপবাদ দিত যে, ‘এটা ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানদের কিতাব থেকে আহরিত’, তাদের সে অপবাদ কতটা মিথ্যা! এ স্থলে কুরআন মাজীদ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ইয়াহুদী ও নাসারাদের কিতাবসমূহকে রদ করছে। সত্য কথা হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এমন কোনও মাধ্যম ছিল না, যা দ্বারা তিনি নিজে ইয়াহুদীদের কিতাবে কী লেখা আছে তা জেনে নেবেন। এটা জানার জন্য তাঁর কাছে কেবল ওহীরই সূত্র ছিল। সুতরাং এ আয়াত তাঁর ওহীপ্রাপ্ত নবী হওয়ার সুস্পষ্ট দলীল। এর দ্বারা তিনি ইয়াহুদীদের কিতাবে হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালামের প্রতি কি ধরনের অপবাদ আরোপ করা হয়েছে সে কথা জানিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং অতি দৃঢ়তার সাথে তা খণ্ডনও করেছেন।

১৮.

কুরআনে বর্ণিত ‘রাব্বানা’/‘রাব্বি’ দুআ কাকে বলে?

رَبِّ / رَبَّنَا ( رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ) البقرة/127 ( وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ ) البقرة/128 ( رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ) البقرة/201 ( رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْراً وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ) البقرة/250 ( رَبَّنَا لا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّنَا وَلا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْراً كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِنَا رَبَّنَا وَلا تُحَمِّلْنَا مَا لا طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنْتَ مَوْلانَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ ) البقرة/ 286 ( رَبَّنَا لا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ) آل عمران/8 ( رَبِّ هَبْ لِي مِنْ لَدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاءِ ) آل عمران/38 ( رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ ) آل عمران/147 ( قَالا رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ ) الأعراف/23 ( رَبَّنَا لا تَجْعَلْنَا مَعَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ) الأعراف/47 ( رَبَّنَا لا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ) يونس/85 ( وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ) يونس/86 ( رَبَّنَا آتِنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَداً) الكهف/10 ( رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلاةِ وَمِنْ ذُرِّيَّتِي رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ) إبراهيم/40 ( قَالَ رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي * وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي* وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ لِسَانِي ) طـه/25-27 ( رَبِّ زِدْنِي عِلْماً ) طـه/114 ( لا إِلَهَ إِلا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ ) الأنبياء/87 ( وَقُلْ رَبِّ أَنْزِلْنِي مُنْزَلاً مُبَارَكاً وَأَنْتَ خَيْرُ الْمُنْزِلِينَ ) المؤمنون/29 ( وَقُلْ رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ ) المؤمنون/97 ( وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَنْ يَحْضُرُونِ ) المؤمنون/98 ( رَبِّ هَبْ لِي حُكْماً وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ ) الشعراء/83 ( رَبِّ نَجِّنِي مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ ) القصص/21 ( رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَاماً ) الفرقان/74 ( رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلَى وَالِدَيَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَالِحاً تَرْضَاهُ وَأَدْخِلْنِي بِرَحْمَتِكَ فِي عِبَادِكَ الصَّالِحِينَ ) النمل/19 ( رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ إِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَاماً ) الفرقان/65
উচ্চারণঃ

কুরআনে বর্ণিত ‘রাব্বানা’ ও ‘রাব্বি’ দুআ বলতে কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা কর্তৃক বিভিন্ন নবী-রাসূল, নেককার মুমিন ও ফেরেশতাদের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে শিক্ষা দেওয়া বা তাদের মুখে বর্ণিত দুআসমূহকে বোঝায়। এসব দুআর অধিকাংশই ‘রাব্বানা’ (হে আমাদের রব!) বা ‘রাব্বি’ (হে আমার রব!) শব্দ দিয়ে শুরু হয়েছে। তাই এগুলো ‘রাব্বানা/রাব্বি দুআ’ নামে পরিচিত।

১৯.

আল্লাহুম্মা সম্বলিত দু‘আ

১. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ وَعَذَابِ النَّارِ، وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ الْقَبْر، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ. ২. اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ بِذَنْبِي، اغْفِرْ لِي؛ فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ. ৩. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ. ৪. اللَّهُمَّ اغْسِلْ قَلْبِي بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقّيتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ. ৫. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْهَرَمِ وَالْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ. ৬. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذ بِك مِنَ الْعَجْز وَالْكَسَل، وَالْجُبْن وَالْهَرَم وَالْبُخْل، وَأَعُوذ بِك مِنْ عَذَاب الْقَبْر، وَمِنْ شَرّ فِتْنَة الْمَحْيَا وَالْمَمَات. ৭. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ جَهْدِ الْبَلاءِ، وَدَرَكِ الشَّقَاءِ، وَسُوءِ الْقَضَاءِ، وَشَمَاتَةِ الأَعْدَاءِ. ৮. اللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي، وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي إِلَيْهَا مَعَادِي، وَاجْعَلِ الْحَيَاةَ زِيَادَةً لِي فِي كُلِّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِي مِنْ كُلِّ شَرٍّ. ৯. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى، وَالتُّقَى، وَالْعَفَافَ، وَالْغِنَى. ১০. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَالْهَرَمِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ. ১১. اللَّهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا. ১২. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ، وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ، وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ، وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَا. ১৩. اللَّهُمَّ اهْدِنِي وَسَدِّدْنِي. ১৪. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفَجْأَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيعِ سَخَطِكَ. ১৫. اللَّهُمَّ أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ. وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ. ১৬. اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَدَنِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي سَمْعِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَصَرِي، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ. ১৭. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ. ১৮. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَمِلْتُ وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أعْمَلْ. ১৯. لَا إِلهَ إِلَاّ اللَّهُ، الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلهَ إِلَاّ اللَّهُ، رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لَا إِلهَ إِلَاّ اللَّهُ، رَبُّ السَّموَاتِ، وَرَبُّ الأَرْضِ، وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ. ২০. اللَّهُمَّ رَحْمَتَكَ أَرْجُو فَلَا تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ، وَأَصْلِحْ لِي شَأْنِي كُلَّهُ لَا إِلَهَ إِلَاّ أَنْتَ. ২১. اللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، ابْنُ عَبْدِكَ، ابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِى بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ في كِتَابِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِى عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ: أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجِلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي. ২২. اللَّهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوبِ صَرِّفْ قُلُوبَنَا عَلَى طَاعَتِكَ. ২৩. يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ، ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ. ২৪. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ. ২৫. اللَّهُمَّ أَحْسِنْ عَاقِبَتَنَا فِى الأُمُورِ كُلِّهَا، وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا، وَعَذَابِ الآخِرَةِ. ২৬. رَبِّ أَعِنِّي وَلا تُعِنْ عَلَيَّ، وَانْصُرْنِي وَلا تَنْصُرْ عَلَيَّ، وَامْكُرْ لِي، وَلا تَمْكُرْ عَلَيَّ، وَاهْدِنِي، وَيَسِّرِ الْهُدَى إلِيَّ، وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيَّ. ২৭. رَبِّ اجْعَلْنِي لَكَ شَكَّارًا، لَكَ ذَكَّارًا، لَكَ رَهَّابًا، لَكَ مِطْوَاعًا، إِلَيْكَ مُخْبِتًا، أَوَّاهًا مُنِيبًا. ২৮. رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِي، وَاغْسِلْ حَوْبَتِي، وَأَجِبْ دَعْوَتِي، وَثَبِّتْ حُجَّتِي، وَاهْدِ قَلْبِي، وَسَدِّدْ لِسَانِي، وَاسْلُلْ سَخِيمَةَ قَلْبِي. ২৯. اللَّهُمَّ إنِّي أعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِي، وَمِنْ شَرِّ بَصَرِي، وَمِنْ شَرِّ لِسَانِي، وَمِنْ شَرِّ قَلْبِي، وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّي. ৩০. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ، وَالْجُنُونِ، وَالْجُذَامِ، وَمِنْ سَيِّئِ الأَسْقَامِ. ৩১. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الْأَخْلَاقِ وَالْأَعْمَالِ وَالْأَهْوَاءِ. ৩২. اللَّهُمَّ إِنَّكَ عُفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي. ৩৩. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي وَمَالِي، اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي وَآمِنْ رَوْعَاتِي، اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي. ৩৪. اللَّهُمَّ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ، فَاطِرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيْكَهُ، أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَشِرْكِهِ. ৩৫. اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ كُلُّهُ، اللَّهُمَّ لَا قَابِضَ لِمَا بَسَطْتَ، وَلَا بَاسِطَ لِمَا قَبَضْتَ، وَلَا هَادِيَ لِمَا أَضْلَلْتَ، وَلَا مُضِلَّ لِمَنْ هَدَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُقَرِّبَ لِمَا بَاعَدْتَ، وَلَا مُبَاعِدَ لِمَا قَرَّبْتَ، اللَّهُمَّ ابْسُطْ عَلَيْنَا مِنْ بَرَكَاتِكَ وَرَحْمَتِكَ وَفَضْلِكَ وَرِزْقِكَ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ النَّعِيمَ الْمُقِيمَ الَّذِي لَا يَحُولُ وَلَا يَزُولُ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ النَّعِيمَ يَوْمَ الْعَيْلَةِ، وَالْأَمْنَ يَوْمَ الْخَوْفِ، اللَّهُمَّ إِنِّي عَائِذٌ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا أَعْطَيْتَنَا وَشَرِّ مَا مَنَعْتَ، اللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْإِيمَانَ، وَزَيِّنْهُ فِي قُلُوبِنَا، وَكَرِّهْ إِلَيْنَا الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ، وَاجْعَلْنَا مِنَ الرَّاشِدِينَ، اللَّهُمَّ تَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ، وَأَحْيِنَا مُسْلِمِينَ، وَأَلْحِقْنَا بِالصَّالِحِينَ غَيْرَ خَزَايَا وَلَا مَفْتُونِينَ، اللَّهُمَّ قَاتِلِ الْكَفَرَةَ الَّذِينَ يُكَذِّبُونَ رُسُلَكَ، وَيَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِكَ، وَاجْعَلْ عَلَيْهِمْ رِجْزَكَ وَعَذَابَكَ، اللَّهُمَّ قَاتِلِ الْكَفَرَةَ، الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ، إِلَهَ الْحَقِّ. ৩৬. اللَّهُمَّ اجْعَلْ لِي فِي قَلْبِي نُورًا، وَفِي لِسَانِي نُورًا، وَفِي سَمْعِي نُورًا، وَفِي بَصَرِي نُورًا، وَمِنْ فَوْقِي نُورًا، وَمِنْ تَحْتِي نُورًا، وَعَنْ يَمِينِي نُورًا، وَعَنْ شِمَالِي نُورًا، وَمِنْ بَيْنِ يَدَيَّ نُورًا، وَمِنْ خَلْفِي نُورًا، وَاجْعَلْ فِي نَفْسِي نُورًا، وَأَعْظِمْ لِي نُورًا. ৩৭. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ، وَتَرْكَ الْمُنْكَرَات، وَحُبَّ الْمَسَاكِينِ، وَأَنْ تَغْفِرَ لِي وَتَرْحَمَنِي، وَإِذَا أَرَدْتَ فِتْنَةً في قَوْمٍ فَتَوَفَّنِي غَيْرَ مَفْتُونٍ، وَأسْأَلُكَ حُبَّكَ، وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ، وَحُبَّ عَمَلٍ يُقَرِّبُني إِلَى حُبِّكَ. ৩৮. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ: عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ، عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ. ৩৯. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ. ৪০. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ، وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ، وَمَا قَرَّبَ مِنْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ كُلَّ قَضَاءٍ قَضَيْتَهُ لِي خَيْرًا. ৪১. اللَّهُمَّ احْفَظْنِي بِالْإِسْلَامِ قَائِمًا، وَاحْفَظْنِي بِالْإِسْلَامِ قَاعِدًا، وَاحْفَظْنِي بِالْإِسْلَامِ رَاقِدًا، وَلَا تُشْمِتْ بِي عَدُوًّا وَلَا حَاسِدًا. ৪২. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ كُلِّ خَيْرٍ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ كُلِّ شَرٍّ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ. ৪৩. اللَّهُمَّ اقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُولُ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيكَ، وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ، وَمِنَ الْيَقِينِ مَا تُهَوِّنُ عَلَيْنَا مَصَائِبَ الدُّنْيَا. ৪৪. اللَّهُمَّ مَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا، وَأَبْصَارِنَا، وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا، وَاجْعَلْهُ الوَارِثَ مِنَّا، وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَى مَنْ ظَلَمَنَا، وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا، وَلَا تَجْعَلْ مُصِيْبَتَنَا فِي دِيْنِنَا، وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا، وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا، وَلَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَا. ৪৫. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ، وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْقَبْرِ. ৪৬. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ: دِقَّهُ وَجِلَّهُ، وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَعَلَانِيَتَهُ وَسِرَّهُ. ৪৭. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي خَطِيئَتِي، وَجَهْلِي، وَإِسْرَافِي فِي أَمْرِي، وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي، اللَّهُمَّ اِغْفِرْ لِي جِدِّي، وَهَزْلِي، وَخَطَئِي، وَعَمْدِي، وَكُلُّ ذَلِكَ عِنْدِي. ৪৮. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَارْحَمْنِي، وَاهْدِنِي، وَعَافِنِي، وَارْزُقْنِي. ৪৯. اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا، وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَاّ أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ، وَارْحَمْنِي، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ. ৫০. اللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَعَليْك تَوَكَّلْتُ، وَإِلَيْكَ أنَبْتُ، وَبِكَ خَاصَمْتُ. ৫১. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِعِزَّتِكَ؛ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَنْ تُضِلَّنِي، أَنْتَ الْحَيُّ الَّذِي لَا تَمُوتُ، وَالْجِنُّ وَالْإِنْسُ يَمُوتُونَ. ৫২. اللَّهُمَّ إنِّي أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ، وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ، والسَّلامَةَ مِنْ كُلِّ إثْمٍ، والغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ، والفَوْزَ بالجَنَّةِ، والنَّجَاةَ مِنَ النَّارِ. ৫৩. اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ. ৫৪. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي، وَوَسِّعْ لِي فِي دَارِي، وَبَارِكْ لِي فِي رِزْقِي. ৫৫. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ، فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أنْتَ. ৫৬. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ التَّرَدِّي، وَالْهَدْمِ، وَالْغَرَقِ، وَالْحَرقِ، وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ يَتَخَبَّطَنِيَ الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ، وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ فِي سَبِيلِكَ مُدْبِرًا، وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أَمُوتَ لَدِيغًا. ৫৭. اللَّهُمَّ رَبَّ جَبْرَائِيلَ وَمِيكَائِيلَ وَإِسْرَافِيلَ، فَاطِرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ، أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِيمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ. اهْدِنِي لِمَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ، إِنَّكَ تَهْدِي مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ. ৫৮. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُوعِ، فَإِنَّهُ بِئْسَ الضَّجِيعُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخِيَانَةِ، فَإِنَّهَا بِئْسَتِ الْبِطَانَةُ. ৫৯. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ العَجْزِ، والْكَسَلِ، والجُبْنِ، والْبُخْلِ، والْهَرَمِ، والقَسْوَةِ، والغَفْلَةِ، والعَيْلَةِ، والذِّلَّةِ، والْمَسْكَنَةِ، وأعُوذُ بِكَ مِنَ الفَقْرِ، وَالكُفْرِ، والفُسُوقِ، والشِّقَاقَ، والنِّفَاقِ، والسُّمْعَةِ، والرِّياءِ، وأعُوذُ بِكَ مِنَ الصَّمَمِ، والبَكَمِ، والْجُنُونِ، وَالْجُذَامِ، وَالْبَرَصِ، وَسَيِّئِ الأَسْقَامِ. ৬০. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْهَرَمِ، وَالْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ فِتْنَةِ النَّارِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْفَقْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، اللَّهُمَّ اغْسِلْ عَنِّي خَطَايَايَ بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ. ৬১. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْفَقْرِ، وَالْقِلَّةِ، وَالذِّلَّةِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ أَنْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ. ৬২. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ جَارِ السُّوءِ فِي دَارِ المُقَامَةِ؛ فَإِنَّ جَارَ البَادِيَةِ يَتَحَوَّلُ. ৬৩. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ، وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ، وَمِنْ دُعَاءٍ لَا يُسْمَعُ، وَمِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ هُؤُلَاءِ الأَرْبَعِ. ৬৪. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ يَوْمِ السُّوءِ، وَمِنْ لَيْلَةِ السُّوءِ، وَمِنْ سَاعَةِ السُّوءِ، وَمِنْ صَاحِبِ السُّوءِ، وَمِنْ جَارِ السُّوءِ فِي دَارِ الْمُقَامَةِ. ৬৫. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَسْتَجِيرُ بِكَ مِنَ النَّارِ. ৬৬. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الثَّبَاتَ فِي الْأَمْرِ، وَالْعَزِيمَةَ عَلَى الرُّشْدِ، وَأَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ، وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ، وَأَسْأَلُكَ شُكْرَ نِعْمَتِكَ، وَحُسْنَ عِبَادَتِكَ، وَأَسْأَلُكَ قَلْبًا سَلِيمًا، وَلِسَانًا صَادِقًا، وَأَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا تَعْلَمُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا تَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا تَعْلَمُ، إِنَّكَ أَنْتَ عَلَّامُ الْغُيُوبِ. ৬৭. اللَّهُمَّ فَقِّهْنِي فِي الدِّينِ. ৬৮. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ. ৬৯. اللَّهُمَّ انْفَعْنِي بِمَا عَلَّمْتَنِي، وَعَلِّمْنِي مَا يَنْفَعُنِي، وَزِدْنِي عِلْمًا. ৭০. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا. ৭১. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ يَا اللَّهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ أَنْ تَغْفِرَ لِي ذُنُوبِي إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ. ৭২. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، وَحْدَكَ لَا شَرِيكَ لَكَ الْمَنَّانُ يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ، يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ، إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ. ৭৩. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، اَلْأَحَدُ، اَلصَّمَدُ، اَلَّذِي لَمْ يَلِدْ، وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ. ৭৪. رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ، إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ. ৭৫. اللَّهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ، وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ، أَحْيِنِي مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِي، وَتَوَفَّنِي إِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِي. ৭৬. اللَّهُمَّ أَسْأَلُكَ خَشْيَتَكَ فِي الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ، وَأَسْأَلُكَ كَلِمَةَ الْحَقِّ فِي الرِّضَا وَالْغَضَبِ، وَأَسْأَلُكَ الْقَصْدَ فِي الْفَقْرِ وَالْغِنَى، وَأَسْأَلُكَ نَعِيمًا لَا يَنْفَدُ، وَأَسْأَلُكَ قُرَّةَ عَيْنٍ لَا تَنْقَطِعُ، وَأَسْأَلُكَ الرِّضَاءَ بَعْدَ الْقَضَاءِ، وَأَسْأَلُكَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ، وَأَسْأَلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ إِلَى وَجْهِكَ، وَالشَّوْقَ إِلَى لِقَائِكَ فِي غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ، وَلَا فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ. ৭৭. اللَّهُمَّ زَيِّنَّا بِزِينَةِ الْإِيمَانِ، وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُهْتَدِينَ. ৭৮. اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي حُبَّكَ، وَحُبَّ مَنْ يَنْفَعُنِي حُبُّهُ عِنْدَكَ. ৭৯. اللَّهُمَّ مَا رَزَقْتَنِي مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ قُوَّةً لِي فِيمَا تُحِبُّ. ৮০. اللَّهُمَّ وَمَا زَوَيْتَ عَنِّي مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ فَرَاغًا لِي فِيمَا تُحِبُّ. ৮১. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَالْبُخْلِ، وَسُوءِ الْعُمُرِ، وَفِتْنَةِ الصَّدْرِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ. ৮২. اللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرَائِيلَ وَمِيكَائِيلَ، وَرَبَّ إِسْرَافِيلَ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ حَرِّ النَّارِ، وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ. ৮৩. اللَّهُمَّ أَلْهِمْنِي رُشْدِي، وَأَعِذْنِي مِنْ شَرِّ نَفْسِي. ৮৪. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ. ৮৫. اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ، وَرَبَّ الْأَرْضِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ، فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى، وَمُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ وَالْفُرْقَانِ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَيْءٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ، اللَّهمَّ أَنْتَ الْأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْآخِرُ فَلَيْسَ بَعْدَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَيْءٌ، اقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ، وَأَغْنِنَا مِنْ الْفَقْرِ. ৮৬. اللَّهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِنَا، وَأَصْلِحْ ذَاتّ بَيْنِنَا، وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ، وَنَجِّنَا مِنْ الظُّلُمَاتِ إلَى النُّورِ، وَجَنِّبْنَا الْفَوَاحِشَ وَالْفِتَنَ، مَا ظَهَرَ مِنْهَا، وَمَا بَطَنَ، وَبَارِكْ لَنَا فِي أَسْمَاعِنَا، وَأَبْصَارِنَا، وَقُلُوبِنَا، وَأَزْوَاجِنَا، وَذُرِّيَّاتِنَا، وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ، وَاجْعَلْنَا شَاكِرِينَ لِنِعَمِكَ، مُثْنِينَ بِهَا عَلَيْكَ، قَابِلِينَ لَهَا، وَأَتْمِمْهَا عَلَيْنَا. ৮৭. اللَّهُمَّ إنّي أسْألُكَ خَيرَ المَسْأَلَةِ، وخَيْرَ الدُّعَاءِ، وخَيْرَ النَّجَاحِ، وخَيْرَ العَمَلِ، وخَيْرَ الثَّوابِ، وخَيْرَ الْحَيَاةِ، وخَيْرَ الْمَمَاتِ، وثَبِّتْنِي، وثَقِّلْ مَوَازِينِي، وحَقِّقْ إِيمَانِي، وَارْفَعْ دَرَجَاتِي، وَتَقَبَّلْ صَلَاتِي، وَاغْفِرْ خَطِيْئَتِي، وَأَسْأَلُكَ الدَّرجَاتِ العُلَا مِنَ الْجَنَّةِ. ৮৮. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فَوَاتِحَ الْخَيْرِ، وخَوَاتِمَهُ، وَجَوَامِعَهُ، وَأَوَّلَهُ، وَظَاهِرَهُ، وَبَاطِنَهُ، وَالدَّرَجَاتِ الْعُلَا مِنَ الْجَنَّةِ. ৮৯. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا آتِي، وَخَيْرَ مَا أفَعْلُ، وَخَيْرَ مَا أعْمَلُ، وَخَيْرَ مَا بَطَنَ، وَخَيْرَ مَا ظَهَرَ، وَالدَّرَجَاتِ الْعُلَا مِنَ الْجَنَّةِ. ৯০. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ أَنْ تَرْفَعَ ذِكْرِي، وَتَضَعَ وِزْرِي، وَتُصْلِحَ أَمْرِي، وَتُطَهِّرَ قَلْبِي، وَتُحَصِّنَ فَرْجِي، وَتُنَوِّرَ قَلْبِي، وَتَغْفِرَ لِي ذَنْبِي، وَأَسْأَلُكَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَا مِنَ الْجَنَّةِ. ৯১. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ أَنْ تُبارِكَ فِي نَفْسِي، وَفِي سَمْعِي، وَفِي بَصَرِي، وَفِي رُوحِي، وَفِي خَلْقِي، وَفِي أهْلِي، وَفِي مَحْيَايَ، وَفِي مَمَاتِي، وَفِي عَمَلِي، فَتَقَبَّلْ حَسَنَاتِي، وَأَسْأَلُكَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَا مِنَ الْجَنَّةِ. ৯২. اللَّهُمَّ جَنِّبْنِي مُنْكَرَاتِ الأَخْلاقِ، وَالأَعْمَالِ، وَالأَهْوَاءِ، وَالأدْوَاءِ. ৯৩. اللَّهُمَّ قَنِّعْنِي بِمَا رَزَقْتَنِي، وَبَارِكْ لِي فِيهِ، وَاخْلُفْ عَلَيَّ كُلَّ غَائِبَةٍ لِي بِخَيْرٍ. ৯৪. اللَّهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا. ৯৫. اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ. ৯৬. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ إِيمَانًا لَا يَرْتَدُّ، وَنَعِيمًا لَا يَنْفَدُ، وَمُرَافَقَةَ نَبِيِّكَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَعْلَى جَنَّةِ الْخُلْدِ. ৯৭. اللَّهُمَّ قِنِي شَرَّ نَفْسِي، وَاعْزِمْ لِي عَلَى أَرْشَدِ أَمْرِي، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا أَسْرَرْتُ، وَمَا أَعْلَنْتُ، وَمَا أَخْطَأْتُ، وَمَا عَمَدْتُ، وَمَا عَلِمْتُ، وَمَا جَهِلْتُ. ৯৮. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ، وَغَلَبَةِ الْعَدُوِّ، وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ. ৯৯. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَاهْدِنِي، وَارْزُقْنِي، وَعَافِنِي، أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ ضِيقِ الْمَقَامِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ. ১০০. اللَّهُمَّ مَتِّعْنِي بِسَمْعِي، وَبَصَرِي، وَاجْعَلْهُمَا الْوَارِثَ مِنِّي، وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ يَظْلِمُنِي، وَخُذْ مِنْهُ بِثَأْرِي. ১০১. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِيْشَةً نَقِيَّةً، وَمِيْتَةً سَوِيَّةً، وَمَرَدًّا غَيْرَ مُخْزٍ، ولَا فَاضِحٍ. ১০২. اللَّهُمَّ أَحْسَنْتَ خَلْقِي، فَأَحْسِنْ خُلُقِي. ১০৩. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالمُؤْمِنَاتِ. ১০৪. اللَّهُمَّ ثَبِّتْنِي وَاجْعَلْنِي هَادِيًا مَهْدِيًّا. ১০৫. اللَّهُمَّ آتِنِي الْحِكْمَةَ الَّتِي مَنْ أُوتِيَهَا فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا.
উচ্চারণঃ

১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন ফিতনাতিন নারি ওয়া আযাবিন নারি, ওয়া ফিতনাতিল কবরি, ওয়া আযাবিল কবরি, ওয়া শাররি ফিতনাতিল গিনা, ওয়া শাররি ফিতনাতিল ফাকরি। ২. আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি, লা ইলাহা ইল্লা আনতা খালাকতানি ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতাতু, আউযু বিকা মিন শাররি মা সানাতু, আবুউ লাকা বিনি‘মাতিকা আলাইয়া ওয়া আবুউ বিযাম্বি, ইগফির লি; ফা-ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনুবা ইল্লা আনতা। ৩. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাসিহিদ দাজ্জাল। ৪. আল্লাহুম্মাগসিল কলবি বিমা-ইস সালজি ওয়াল বারাদি, ওয়া নাক্কি কলবি মিনাল খাতায়া কামা নাক্কাইতাস সাওবাল আবইয়াদা মিনাদ দানাসি, ওয়া বা‘ইদ বাইনি ওয়া বাইনা খাতায়ায়া কামা বা‘আদতা বাইনাল মাশরিকি ওয়াল মাগরিবি। ৫. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি ওয়াল মা’সামি ওয়াল মাগরামি। ৬. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল আজজি ওয়াল কাসালি, ওয়াল জুবনি ওয়াল হারামি ওয়াল বুখলি, ওয়া আউযু বিকা মিন আযাবিল কবরি, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি। ৭. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন জাহদিল বালা-ই, ওয়া দারাকিশ শাকাই, ওয়া সু-ইল কাদা-ই, ওয়া শামাতাতিল আ‘দা-ই। ৮. আল্লাহুম্মা আসলিহ লি দ্বিনিয়াল্লাযি হুয়া ইসমাতু আমরি, ওয়া আসলিহ লি দুনইয়ায়াল্লাতি ফিহা মা‘আশি, ওয়া আসলিহ লি আখিরাতিয়াল্লাতি ইলাইহা মা‘আদি, ওয়াজ‘আলিল হায়াতা জিয়াদাতাল লি ফি কুল্লি খাইরিন, ওয়াজ‘আলিল মাওতা রাহাতাল লি মিন কুল্লি শাররিন। ৯. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল হুদা, ওয়াত তুকা, ওয়াল আফাফা, ওয়াল গিনা। ১০. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল আজজি ওয়াল কাসালি, ওয়াল জুবনি ওয়াল বুখলি, ওয়াল হারামি ওয়া আযাবিল কবরি। ১১. আল্লাহুম্মা আতি নাফসি তাকওয়াহা, ওয়া যাক্কিহা আনতা খাইরু মান যাক্কাহা, আনতা ওয়ালিয়্যুহা ওয়া মাওলাহা। ১২. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন ইলমিন লা ইয়ানফা‘, ওয়া মিন কলবিন লা ইয়াখশা‘, ওয়া মিন নাফসিন লা তাশবা‘, ওয়া মিন দা‘ওয়াতিন লা ইউস্তাজাবু লাহা। ১৩. আল্লাহুম্মাহদিনি ওয়া সাদ্দিদনি। ১৪. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন যাওয়ালি নি‘মাতিক, ওয়া তাহাওউলি আফিয়াতিক, ওয়া ফাজআতি নিকমাতিক, ওয়া জামি‘ই সাখাতিক। ১৫. আল্লাহুম্মা আউযু বিরিদাকা মিন সাখাতিক, ওয়া বিমু‘আফাতিক মিন উকুবাতিক। ওয়া আউযু বিকা মিনকা, লা উহসি সানা-আন আলাইকা আনতা কামা আসনাইতা আলা নাফসিক। ১৬. আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি সাম‘ই, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাসারি, লা ইলাহা ইল্লা আনতা। ১৭. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন আযাবিল কবরি, লা ইলাহা ইল্লা আনতা। ১৮. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন শাররি মা আমিলতু ওয়া মিন শাররি মা লাম আ‘মাল। ১৯. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আযিমুল হালিম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আযিম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি, ওয়া রাব্বুল আরদি, ওয়া রাব্বুল আরশিল কারিম। ২০. আল্লাহুম্মা রাহমাতাকা আরজু ফালা তাকিলনি ইলা নাফসি তারফাতা আইনিন, ওয়া আসলিহ লি শা’নি কুল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা আনতা। ২১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আবদুকা, ইবনু আবদিকা, ইবনু আমাতিক, নাসিয়াতি বিইয়াদিকা, মাদিন ফিয়্যা হুকমুকা, আদলুন ফিয়্যা কাযাউকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকা, আও আল্লামতাহু আহাদান মিন খালকিকা, আও আনযালতাহু ফি কিতাবিকা, আওইস্তা’সারতা বিহি ফি ইলমিল গাইবি ইন্দাকা, আন তাজ‘আলাল কুরআনা রাবি‘আ কলবি, ওয়া নূরা সদরি, ওয়া জিলাআ হুযনি, ওয়া যাহাবা হাম্মি। ২২. আল্লাহুম্মা মুসাররিফাল কুলুবি সররিফ কুলুবানা আলা তাআতিক। ২৩. ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুবি, সাব্বিত কলবি আলা দিনিক। ২৪. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়াতা ফিদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি। ২৫. আল্লাহুম্মা আহসিন আকিবাতানা ফিল উমুরি কুল্লিহা, ওয়া আজিরনা মিন খিযইদ দুনইয়া, ওয়া আযাবিল আখিরাতি। ২৬. রাব্বি আ‘ইন্নি ওয়া লা তু‘ইন আলাইয়্যা, ওয়ানসুরনি ওয়া লা তানসুর আলাইয়্যা, ওয়ামকুর লি, ওয়া লা তামকুর আলাইয়্যা, ওয়াহদিনি, ওয়া ইয়াসসিরিল হুদা ইলাইয়্যা, ওয়ানসুরনি আলা মান বাগা আলাইয়্যা। ২৭. রাব্বিজ‘আলনি লাকা শাক্কারান, লাকা যাক্কারান, লাকা রাহহাবান, লাকা মিতওয়া‘আন, ইলাইকা মুখবিতান, আওয়াহান মুনিবান। ২৮. রাব্বি তাকাব্বাল তাওবাতি, ওয়াগসিল হাওবাতি, ওয়া আজিব দাওয়াতি, ওয়া সাব্বিত হুজ্জাতি, ওয়াহদি কলবি, ওয়া সাদ্দিদ লিসানি, ওয়াসলুল সাখিমাতা কলবি। ২৯. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন শাররি সাম‘ই, ওয়া মিন শাররি বাসারি, ওয়া মিন শাররি লিসানি, ওয়া মিন শাররি কলবি, ওয়া মিন শাররি মানিয়্যি। ৩০. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল বারাসি, ওয়াল জুনুনি, ওয়াল জুযামি, ওয়া মিন সাইয়্যিইল আসকামি। ৩১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন মুনকারাতিল আখলাকি ওয়াল আ‘মালি ওয়াল আহওয়া-ই। ৩২. আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা‘ফু আন্নি। ৩৩. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়াতা ফিদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি, আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ফি দ্বিনি ওয়া দুনইয়ায়া ওয়া আহলি ওয়া মালি, আল্লাহুম্মাস্তুর আওরাতি ওয়া আমিন রাও‘আতি, আল্লাহুম্মাহফাজনি মিন বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন খালফি, ওয়া আন ইয়ামিনি ওয়া আন শিমালি, ওয়া মিন ফাওকি, ওয়া আউযু বি‘আজামাতিক আন উগতা-লা মিন তাহতি। ৩৪. আল্লাহুম্মা আলিমাল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি, ফাতিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি, রাব্বা কুল্লি শাইইন ওয়া মালিকাহু, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আউযু বিকা মিন শাররি নাফসি, ওয়া মিন শাররিশ শাইতানি ওয়া শিরকিহি। ৩৫. আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু কুল্লুহু, আল্লাহুম্মা লা কাবিদা লিমা বাসাততা, ওয়া লা বাসিতা লিমা কাবাদতা, ওয়া লা হাদিয়া লিমা আদলালতা, ওয়া লা মুদিল্লা লিমান হাদাইতা, ওয়া লা মু‘তিয়া লিমা মানা‘তা, ওয়া লা মানি‘আ লিমা আ‘তাইতা, ওয়া লা মুকাররিবা লিমা বা‘আদতা, ওয়া লা মুবা‘ইদা লিমা কাররাবতা, আল্লাহুম্মাবসুত আলাইনা মিন বারাকাতিক ওয়া রাহমাতিক ওয়া ফাদলিক ওয়া রিযকিক, আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকান নাঈমাল মুকিমাল্লাযি লা ইয়াহুলু ওয়া লা ইয়াযুল, আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকান নাঈমা ইয়াওমাল আইলাতি, ওয়াল আমনা ইয়াওমাল খাওফি, আল্লাহুম্মা ইন্নি আইযুন বিকা মিন শাররি মা আ‘তাইতানা ওয়া শাররি মা মানা‘তা, আল্লাহুম্মা হাব্বিব ইলাইনা আল-ইমানা, ওয়া যায়্যিনহু ফি কুলুবিনা, ওয়া কাররিহ ইলাইনা আল-কুফরা ওয়াল ফুসুকা ওয়াল ইসইয়ানা, ওয়াজ‘আলনা মিনার রাশিদিন, আল্লাহুম্মা তাওয়াফফানা মুসলিমিন, ওয়া আহইনা মুসলিমিন, ওয়া আলহিকনা বিস সালিহিনা গাইরা খাযায়া ওয়া লা মাফতুনিন, আল্লাহুম্মা কাতিলিল কাফারাতাল্লাযিনা ইউকাযযিবুনা রুসুলাকা, ওয়া ইয়াসুদ্দুনা আন সাবিলিকা, ওয়াজ‘আল আলাইহিম রিজযাকা ওয়া আযাবাকা, আল্লাহুম্মা কাতিলিল কাফারাতাল্লাযিনা উতুল কিতাবা, ইলাহাল হাক্কি। ৩৬. আল্লাহুম্মাজ‘আল লি ফি কলবি নূরান, ওয়া ফি লিসানি নূরান, ওয়া ফি সাম‘ই নূরান, ওয়া ফি বাসারি নূরান, ওয়া মিন ফাওকি নূরান, ওয়া মিন তাহতি নূরান, ওয়া আন ইয়ামিনি নূরান, ওয়া আন শিমালি নূরান, ওয়া মিন বাইনি ইয়াদাইয়্যা নূরান, ওয়া মিন খালফি নূরান, ওয়াজ‘আল ফি নাফসি নূরান, ওয়া আ‘জিম লি নূরান। ৩৭. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ফি‘লাল খাইরাতি, ওয়া তারকাল মুনকারাতি, ওয়া হুব্বাল মাসাকিনি, ওয়া আন তাগফিরা লি ওয়া তারহামানি, ওয়া ইযা আরাদতা ফিতনাতান ফি কাওমিন ফাতাওয়াফফানি গাইরা মাফতুনিন, ওয়া আসআলুকা হুব্বাকা, ওয়া হুব্বা মান ইউহিব্বুকা, ওয়া হুব্বা আমালিন ইউকাররিবুনি ইলা হুব্বিক। ৩৮. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহি: আজিলিহি ওয়া আজিলিহি, মা আলিমতু মিনহু ওয়া মা লাম আ‘লাম, ওয়া আউযু বিকা মিনাশ শাররি কুল্লিহি, আজিলিহি ওয়া আজিলিহি, মা আলিমতু মিনহু ওয়া মা লাম আ‘লাম। ৩৯. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সা-আলাকা আবদুকা ওয়া নবিয়্যুকা, ওয়া আউযু বিকা মিন শাররি মা আযা বিহি আবদুকা ওয়া নবিয়্যুকা। ৪০. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা, ওয়া আসতাজিরু বিকা মিনান নারি। ৪১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাস সাবাতা ফিল আমরি, ওয়াল আযিমাতা আলার রুশদি, ওয়া আসআলুকা মুজিবাতি রাহমাতিক, ওয়া আযাইমা মাগফিরাতিক, ওয়া আসআলুকা শুকরা নি‘মাতিক, ওয়া হুসনা ইবাদাতিক, ওয়া আসআলুকা কলবান সালীমান, ওয়া লিসানান সাদিকান, ওয়া আসআলুকা মিন খাইরি মা তা‘লাম, ওয়া আউযু বিকা মিন শাররি মা তা‘লাম, ওয়া আসতাগফিরুকা লিমা তা‘লাম, ইন্নাকা আনতা আল্লামুল গুয়ুব। ৪২. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন কুল্লি খাইরিন খাযাইনুহু বিইয়াদিক, ওয়া আউযু বিকা মিন কুল্লি শাররিন খাযাইনুহু বিইয়াদিক। ৪৩. আল্লাহুম্মাকসিম লানা মিন খাশইয়াতিক মা ইয়াহুলু বাইনানা ওয়া বাইনা মা‘আসিক, ওয়া মিন তা‘আতিক মা তুবাল্লিগুনা বিহি জান্নাতাক, ওয়া মিনাল ইয়াকিনি মা তুহাওয়িনু আলাইনা মাসা-ইবাদ দুনইয়া। ৪৪. আল্লাহুম্মা মাত্তি‘না বিআসমা‘ইনা, ওয়া আবসারিনা, ওয়া কুওয়াতিনা মা আহইয়াইতানা, ওয়াজ‘আলহুল ওয়ারিসা মিননা, ওয়াজ‘আল সা’রানা আলা মান যালামানা, ওয়ানসুরনা আলা মান আদানা, ওয়া লা তাজ‘আল মুসিবাতানা ফি দিনিনা, ওয়া লা তাজ‘আলিদ দুনইয়া আকবারা হাম্মিনা, ওয়া লা মাবলাগা ইলমিনা, ওয়া লা তুসাল্লিত আলাইনা মান লা ইয়ারহামুনা। ৪৫. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল জুবনি, ওয়া আউযু বিকা মিনাল বুখলি, ওয়া আউযু বিকা আন উরাদ্দা ইলা আরযালিল উমুরি, ওয়া আউযু বিকা মিন ফিতনাতিদ দুনইয়া ওয়া আযাবিল কবরি। ৪৬. আল্লাহুম্মাগফির লি যাম্বি কুল্লাহু: দিক্কাহু ওয়া জিল্লাহু, ওয়া আওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু, ওয়া আলানিয়াতাহু ওয়া সিররাহু। ৪৭. আল্লাহুম্মাগফির লি খাতিয়াতি, ওয়া জাহলি, ওয়া ইসরাফি ফি আমরি, ওয়া মা আনতা আ‘লামু বিহি মিন্নি, আল্লাহুম্মাগফির লি জিদ্দি, ওয়া হাজলি, ওয়া খাতায়া, ওয়া আমদি, ওয়া কুল্লু যালিকা ইন্দি। ৪৮. আল্লাহুম্মাগফির লি, ওয়ারহামনি, ওয়াহদিনি, ওয়া আফিনি, ওয়ারযুকনি। ৪৯. আল্লাহুম্মা ইন্নি যালামতু নাফসি যুলমান কাছিরান, ওয়া লা ইয়াগফিরুয যুনুবা ইল্লা আনতা, ফাগফির লি মাগফিরাতাম মিন ইন্দিক, ওয়ারহামনি, ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রহিম। ৫০. আল্লাহুম্মা লাকা আসলামতু, ওয়া বিকা আমানতু, ওয়া আলাইকা তাওয়াক্কালতু, ওয়া ইলাইকা আনাবতু, ওয়া বিকা খাসামতু। ৫১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বি‘ইজ্জাতিক; লা ইলাহা ইল্লা আনতা আন তুদিল্লানি, আনতাল হাইয়্যুল্লাযি লা তামুতু, ওয়াল জিন্নু ওয়াল ইনসু ইয়ামুতুন। ৫২. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মুজিবাতি রাহমাতিক, ওয়া আযাইমা মাগফিরাতিক, ওয়াস সালামাতা মিন কুল্লি ইসমিন, ওয়াল গানিমাতা মিন কুল্লি বিররিন, ওয়াল ফাওযা বিল জান্নাতি, ওয়ান নাজাতা মিনান নারি। ৫৩. আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিক, ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক। ৫৪. আল্লাহুম্মাগফির লি যামবি, ওয়া ওয়াসসি‘ লি ফি দারি, ওয়া বারিক লি ফি রিযকি। ৫৫. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা ওয়া রাহমাতিক, ফা-ইন্নাহু লা ইয়ামলিকুহা ইল্লা আনতা। ৫৬. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাত তারাদ্দি, ওয়াল হাদমি, ওয়াল গারাকি, ওয়াল হারকি, ওয়া আউযু বিকা আন ইয়াতাখাব্বাতানিয়াশ শাইতানু ইন্দাল মাওতি, ওয়া আউযু বিকা আন আমুতা ফি সাবিলিকা মুদবিরান, ওয়া আউযু বিকা আন আমুতা লাদিগান। ৫৭. আল্লাহুম্মা রাব্বা জিবরাঈলা ওয়া মিকাঈলা ওয়া ইসরাফিলা, ফাতিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি আলিমাল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি, আনতা তাহকুমু বাইনা ইবাদিক ফিমা কানু ফিহি ইয়াখতালিফুন। ইহদিনি লিমাখতুলিফা ফিহি মিনাল হাক্কি বিইযনিক, ইন্নাকা তাহদি মান তাশাউ ইলা সিরাতিম মুস্তাকিম। ৫৮. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল জু‘ই, ফা-ইন্নাহু বি’সাদ দাজি‘, ওয়া আউযু বিকা মিনাল খিয়ানাতি, ফা-ইন্নাহা বি’সাতিল বাতানাতু। ৫৯. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল আজজি, ওয়াল কাসালি, ওয়াল জুবনি, ওয়াল বুখলি, ওয়াল হারামি, ওয়াল কাসওয়াতি, ওয়াল গাফলাতি, ওয়াল আইলাতি, ওয়ায যিল্লাতি, ওয়াল মাসকানাতি, ওয়া আউযু বিকা মিনাল ফাকরি, ওয়াল কুফরি, ওয়াল ফুসুকি, ওয়াশ শিকাকি, ওয়ান নিফাকি, ওয়াস সুম‘আতি, ওয়র রিয়া-ই, ওয়া আউযু বিকা মিনাস সামামি, ওয়াল বাকামি, ওয়াল জুনুনি, ওয়াল জুযামি, ওয়াল বারাসি, ওয়া সাইয়্যিইল আসকামি। ৬০. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি, ওয়াল মা’সামি ওয়াল মাগরামি, ওয়া মিন ফিতনাতিল কবরি, ওয়া আযাবিল কবরি, ওয়া মিন ফিতনাতিন নারি, ওয়া আযাবিন নারি, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল গিনা, ওয়া আউযু বিকা মিন ফিতনাতিল ফাকরি, ওয়া আউযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাসিহিদ দাজ্জালি, আল্লাহুম্মাগসিল আন্নি খাতায়ায়া বিমা-ইস সালজি ওয়াল বারাদি, ওয়া নাক্কি কলবি মিনাল খাতায়া কামা নাক্কাইতাস সাওবাল আবইয়াদা মিনাদ দানাসি, ওয়া বা‘ইদ বাইনি ওয়া বাইনা খাতায়ায়া কামা বা‘আদতা বাইনাল মাশরিকি ওয়াল মাগরিবি। ৬১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল ফাকরি, ওয়াল কিল্লাতি, ওয়ায যিল্লাতি, ওয়া আউযু বিকা মিন আন আযলিমা আও উযলাম। ৬২. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন জারিস সু-ই ফি দারিল মুকামাতি; ফা-ইন্না জারাল বাদিয়াতি ইয়াতাহাওয়ালু। ৬৩. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন কলবিন লা ইয়াখশা‘, ওয়া মিন নাফসিন লা তাশবা‘, ওয়া মিন দু‘আ-ইন লা ইউসমা‘, ওয়া মিন ইলমিন লা ইয়ানফা‘, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন হাউলা-ইল আরবা‘। ৬৪. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন ইয়াওমিস সু-ই, ওয়া মিন লাইলাতিস সু-ই, ওয়া মিন সা‘আতিস সু-ই, ওয়া মিন সাহিবিস সু-ই, ওয়া মিন জারিস সু-ই ফি দারিল মুকামাতি। ৬৫. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আসতাজিরু বিকা মিনান নারি। ৬৬. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাস সাবাতা ফিল আমরি, ওয়াল আযিমাতা আলার রুশদি, ওয়া আসআলুকা মুজিবাতি রাহমাতিক, ওয়া আযাইমা মাগফিরাতিক, ওয়া আসআলুকা শুকরা নি‘মাতিক, ওয়া হুসনা ইবাদাতিক, ওয়া আসআলুকা কলবান সালীমান, ওয়া লিসানান সাদিকান, ওয়া আসআলুকা মিন খাইরি মা তা‘লাম, ওয়া আউযু বিকা মিন শাররি মা তা‘লাম, ওয়া আসতাগফিরুকা লিমা তা‘লাম, ইন্নাকা আনতা আল্লামুল গুয়ুব। ৬৭. আল্লাহুম্মা ফাক্কিহনি ফিদ্দিন। ৬৮. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া আনা আ‘লামু, ওয়া আসতাগফিরুকা লিমা লা আ‘লামু। ৬৯. আল্লাহুম্মানফা‘নি বিমা আল্লামতানি, ওয়া আল্লিমনি মা ইয়ানফা‘নি, ওয়া যিদনি ইলমান। ৭০. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফি‘আন, ওয়া রিযকান তইয়্যিবান, ওয়া আমালান মুতাকাব্বালান। ৭১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইয়া আল্লাহু বি-আন্নাকাল ওয়াহিদুল আহাদুস সামাদুল্লাযি লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ ওয়া লাম ইয়াকুল লাহু কুফুওয়ান আহাদুন আন তাগফিরা লি যুনুবি ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রহিম। ৭২. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বি-আন্না লাকাল হামদ, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, ওয়াহদাকা লা শারিকা লাকাল মান্নানু ইয়া বাদি‘আস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি, ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম, ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আউযু বিকা মিনান নার। ৭৩. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বি-আন্নি আশহাদু আন্নাকা আনতাল্লাহু, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল-আহাদু, আস-সামাদু, আল্লাযি লাম ইয়ালিদ, ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুল লাহু কুফুওয়ান আহাদ। ৭৪. রাব্বিগফির লি ওয়া তুব আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়াবুল গাফুর। ৭৫. আল্লাহুম্মা বি‘ইলমিকাল গাইবা, ওয়া কুদরাতিক আলাল খালকি, আহইনি মা আলিমতাল হায়াতা খাইরান লি, ওয়া তাওয়াফফানি ইযা আলিমতাল ওয়াফাতা খাইরান লি। ৭৬. আল্লাহুম্মা আসআলুকা খাশইয়াতাকা ফিল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি, ওয়া আসআলুকা কালিমাতাল হাক্কি ফির রিদা ওয়াল গাদাবি, ওয়া আসআলুকাল কাসদা ফিল ফাকরি ওয়াল গিনা, ওয়া আসআলুকা নাঈমান লা ইয়ানফাদু, ওয়া আসআলুকা কুররাতা আইনিন লা তানকাতি‘উ, ওয়া আসআলুকার রিদা-আ বা‘দাল কাদা-ই, ওয়া আসআলুকা বারদাল আইশি বা‘দাল মাওতি, ওয়া আসআলুকা লাযযাতান নাযরি ইলা ওয়াজহিক, ওয়াশ শাওকা ইলা লিকা-ইকা ফি গাইরি দাররা-ইন মুদিররাতিন, ওয়া লা ফিতনাতিন মুদিল্লাতিন। ৭৭. আল্লাহুম্মা যায়্যিন্না বিজিনাতিল ইমানি, ওয়াজ‘আলনা হুদাতাম মুহতাদিন। ৭৮. আল্লাহুম্মারযুকনি হুব্বাকা, ওয়া হুব্বা মান ইয়ানফা‘নি হুব্বুহু ইন্দাক। ৭৯. আল্লাহুম্মা মা রাযাকতানি মিম্মা উহিব্বু ফাজ‘আলহু কুওয়াতান লি ফিমা তুহিব্বু। ৮০. আল্লাহুম্মা ওয়া মা যাওয়াইতা আন্নি মিম্মা উহিব্বু ফাজ‘আলহু ফারাগান লি ফিমা তুহিব্বু। ৮১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল জুবনি, ওয়াল বুখলি, ওয়া সু-ইল উমরি, ওয়া ফিতনাতিস সদরি, ওয়া আযাবিল কবরি। ৮২. আল্লাহুম্মা রাব্বা জিবরাঈলা ওয়া মিকাঈলা, ওয়া রাব্বা ইসরাফিলা, আউযু বিকা মিন হাররিন নারি, ওয়া মিন আযাবিল কবরি। ৮৩. আল্লাহুম্মা আলহিমনি রুশদি, ওয়া আ‘ইযনি মিন শাররি নাফসি। ৮৪. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফি‘আন, ওয়া আউযু বিকা মিন ইলমিন লা ইয়ানফা‘। ৮৫. আল্লাহুম্মা রাব্বাস সামাওয়াতিস সাব‘ই, ওয়া রাব্বাল আরদি, ওয়া রাব্বাল আরশিল আযিম, রাব্বানা ওয়া রাব্বা কুল্লি শাইইন, ফালিকাল হাব্বি ওয়ান নাওয়া, ওয়া মুনযিলাত তাওরাতি ওয়াল ইঞ্জিলি ওয়াল ফুরকানি, আউযু বিকা মিন শাররি কুল্লি শাইইন আনতা আখিযুম বিনাসিয়াতিহি, আল্লাহুম্মা আনতাল আওয়ালু ফালাইসা কাবলাকা শাইউন, ওয়া আনতাল আখিরু ফালাইসা বা‘দাকা শাইউন, ওয়া আনতায যাহিরু ফালাইসা ফাওকাকা শাইউন, ওয়া আনতাল বাতিনু ফালাইসা দুনাকা শাইউন, ইকদি আন্নাদ দাইনা, ওয়া আগনিনা মিনাল ফাকরি। ৮৬. আল্লাহুম্মা আল্লিফ বাইনা কুলুবিনা, ওয়া আসলিহ যাতা বাইনিনা, ওয়াহদিনা সুবুলাস সালামি, ওয়া নাজ্জিনা মিনায যুলুমাতি ইলান নূরি, ওয়া জান্নিবনাল ফাওয়াহিশা ওয়াল ফিতানা, মা যাহারা মিনহা, ওয়া মা বাতানা, ওয়া বারিক লানা ফি আসমা‘ইনা, ওয়া আবসারিনা, ওয়া কুলুবিনা, ওয়া আজওয়াজিনা, ওয়া যুররিয়্যাতিনা, ওয়া তুব আলাইনা ইন্নাকা আনতাত তাওয়াবুর রহিম, ওয়াজ‘আলনা শাকিরিনা লিনি‘আমিক, মুসনিনা বিহা আলাইকা, কাবিলিনা লাহা, ওয়া আত্মিমহা আলাইনা। ৮৭. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাল মাসআলাতি, ওয়া খাইরাদ দু‘আ-ই, ওয়া খাইরান নাজাহি, ওয়া খাইরাল আমালি, ওয়া খাইরাস সাওয়াবি, ওয়া খাইরাল হায়াতি, ওয়া খাইরাল মামাতি, ওয়া সাব্বিতনি, ওয়া সাক্কিল মাওয়াজিনি, ওয়া হাক্কিক ইমানি, ওয়ারফা‘ দারাজাতি, ওয়া তাকাব্বাল সালাতি, ওয়াগফির খাতিয়াতি, ওয়া আসআলুকাদ দারাজাতিল উলা মিনাল জান্নাতি। ৮৮. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ফাওয়াতিহাল খাইরি, ওয়া খাওয়াতিমাহু, ওয়া জাওয়ামি‘আহু, ওয়া আওয়ালাহু, ওয়া যাহিরাহু, ওয়া বাতিনাহু, ওয়াদ দারাজাতিল উলা মিনাল জান্নাতি। ৮৯. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরা মা আতি, ওয়া খাইরা মা আফ‘আলু, ওয়া খাইরা মা আ‘মালু, ওয়া খাইরা মা বাতানা, ওয়া খাইরা মা যাহারা, ওয়াদ দারাজাতিল উলা মিনাল জান্নাতি। ৯০. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা আন তারফা‘া যিকরি, ওয়া তাদা‘আ উইযরি, ওয়া তুসলিহা আমরি, ওয়া তুতাহহিরা কলবি, ওয়া তুহাসসিনা ফারজি, ওয়া তুনাওয়িরা কলবি, ওয়া তাগফিরা লি যামবি, ওয়া আসআলুকাদ দারাজাতিল উলা মিনাল জান্নাতি। ৯১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা আন তুবারিকা ফি নাফসি, ওয়া ফি সাম‘ই, ওয়া ফি বাসারি, ওয়া ফি রুহি, ওয়া ফি খালকি, ওয়া ফি আহলি, ওয়া ফি মাহইয়ায়া, ওয়া ফি মামাতি, ওয়া ফি আমালি, ফাতাকাব্বাল হাসানাতি, ওয়া আসআলুকাদ দারাজাতিল উলা মিনাল জান্নাতি। ৯২. আল্লাহুম্মা জান্নিবনি মুনকারাতিল আখলাকি, ওয়াল আ‘মালি, ওয়াল আহওয়া-ই, ওয়াল আদওয়া-ই। ৯৩. আল্লাহুম্মা কান্নি‘নি বিমা রাযাকতানি, ওয়া বারিক লি ফিহি, ওয়াখলুফ আলাইয়্যা কুল্লা গা-ইবাতিন লি বিখাইর। ৯৪. আল্লাহুম্মা হাসিবনি হিসাবান ইয়াসিরান। ৯৫. আল্লাহুম্মা আ‘ইন্নি আলা যিকরিকা, ওয়া শুকরিকা, ওয়া হুসনি ইবাদাতিক। ৯৬. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইমানান লা ইয়ারতাদ্দু, ওয়া নাঈমান লা ইয়ানফাদু, ওয়া মুরাফাকাতা নবিয়্যিকা মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা ফি আ‘লা জান্নাতিল খুলদি। ৯৭. আল্লাহুম্মা কিনি শাররা নাফসি, ওয়া‘যিম লি আলা আরশাদি আমরি, আল্লাহুম্মাগফির লি মা আসরারতু, ওয়া মা আ‘লানতু, ওয়া মা আখতা’তু, ওয়া মা আমাদতু, ওয়া মা আলিমতু, ওয়া মা জাহিলতু। ৯৮. আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন গালাবাতিদ দাইনি, ওয়া গালাবাতিল আদুওয়ি, ওয়া শামাতাতিল আ‘দা-ই। ৯৯. আল্লাহুম্মাগফির লি, ওয়াহদিনি, ওয়ারযুকনি, ওয়া আফিনি, আউযু বিল্লাহি মিন দীকিল মাকামি ইয়াওমাল কিয়ামাতি। ১০০. আল্লাহুম্মা মাত্তি‘নি বিসাম‘ই, ওয়া বাসারি, ওয়াজ‘আলহুমাল ওয়ারিসা মিন্নি, ওয়ানসুরনি আলা মান ইয়াজলিমুনি, ওয়া খুয মিনহু বিছা-রি। ১০১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ঈশাতান নাকিয়্যাতান, ওয়া মিতাতান সাওিয়্যাতান, ওয়া মারাদ্দান গাইরা মুখযিন, ওয়া লা ফাদিহ। ১০২. আল্লাহুম্মা আহসানতা খালকি, ফা-আহসিন খুলুকি। ১০৩. আল্লাহুম্মাগফির লিল মুমিনীনা ওয়াল মুমিনাত। ১০৪. আল্লাহুম্মা সাব্বিতনি ওয়াজ‘আলনি হাদিয়ান মাহদিয়্যান। ১০৫. আল্লাহুম্মা আতিনি আল-হিকমাতাল্লাতি মান উতিয়াহা ফাকাদ উতিয়া খাইরান কাছিরান।

অর্থঃ

১. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আগুনের পরীক্ষা ও আগুনের শাস্তি থেকে, কবরের পরীক্ষা ও কবরের শাস্তি থেকে এবং সম্পদের ফিতনার অনিষ্ট ও দারিদ্র্যের ফিতনার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। ২. হে আল্লাহ! আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি যথাসাধ্য আপনার সঙ্গে করা অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ওপর প্রতিষ্ঠিত আছি। আমি যা করেছি তার অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই। আমার ওপর আপনার অনুগ্রহ স্বীকার করছি এবং আমার গুনাহও স্বীকার করছি। অতএব আমাকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না। ৩. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে মসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। ৪. হে আল্লাহ! বরফ ও শিলার পানি দিয়ে আমার অন্তর ধুয়ে দিন। যেভাবে আপনি সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছেন, সেভাবে আমার অন্তরকে গুনাহ থেকে পবিত্র করুন। আর আমার ও আমার গুনাহের মধ্যে এমন দূরত্ব সৃষ্টি করুন, যেমন আপনি পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন। ৫. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অলসতা, বার্ধক্য, গুনাহ ও ঋণের বোঝা থেকে আশ্রয় চাই। ৬. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, বার্ধক্য ও কৃপণতা থেকে আশ্রয় চাই। আমি আপনার কাছে কবরের শাস্তি এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিতনার অনিষ্ট থেকেও আশ্রয় চাই। ৭. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কঠিন বিপদ, দুর্ভাগ্যের নাগাল পাওয়া, মন্দ সিদ্ধান্ত এবং শত্রুদের আনন্দিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাই। ৮. হে আল্লাহ! আমার সেই দ্বীনকে সংশোধন করে দিন, যা আমার সকল কাজের রক্ষাকবচ। আমার দুনিয়াকেও সংশোধন করে দিন, যাতে আমার জীবিকা রয়েছে। আমার আখিরাতও সংশোধন করে দিন, যেখানে আমার প্রত্যাবর্তন। জীবনকে আমার জন্য প্রত্যেক কল্যাণে বৃদ্ধির মাধ্যম করুন এবং মৃত্যুকে আমার জন্য প্রত্যেক অনিষ্ট থেকে প্রশান্তির মাধ্যম করুন। ৯. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হেদায়েত, তাকওয়া, পবিত্রতা ও অভাবমুক্তি চাই। ১০. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, বার্ধক্য এবং কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। ১১. হে আল্লাহ! আমার অন্তরকে তাকওয়া দান করুন এবং তাকে পবিত্র করুন। আপনিই তাকে সর্বোত্তম পবিত্রকারী। আপনিই তার অভিভাবক ও মালিক। ১২. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এমন জ্ঞান থেকে আশ্রয় চাই, যা উপকার করে না; এমন অন্তর থেকে, যা বিনম্র হয় না; এমন আত্মা থেকে, যা তৃপ্ত হয় না; এবং এমন দোয়া থেকে, যা কবুল হয় না। ১৩. হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়েত দিন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন। ১৪. হে আল্লাহ! আমি আপনার নেয়ামত চলে যাওয়া, আপনার দেওয়া সুস্থতার পরিবর্তন, আকস্মিক শাস্তি এবং আপনার সকল অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই। ১৫. হে আল্লাহ! আপনার অসন্তুষ্টি থেকে আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে আশ্রয় চাই, আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমার মাধ্যমে আশ্রয় চাই। আমি আপনার কাছেই আপনার থেকে আশ্রয় চাই। আমি আপনার যথাযথ প্রশংসা গণনা করতে পারি না। আপনি নিজেই যেভাবে নিজের প্রশংসা করেছেন, আপনি ঠিক সেভাবেই। ১৬. হে আল্লাহ! আমার দেহে সুস্থতা দিন। হে আল্লাহ! আমার শ্রবণশক্তিতে সুস্থতা দিন। হে আল্লাহ! আমার দৃষ্টিশক্তিতে সুস্থতা দিন। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। ১৭. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কুফরি ও দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। ১৮. হে আল্লাহ! আমি যা করেছি তার অনিষ্ট এবং যা করিনি তার অনিষ্ট থেকেও আপনার কাছে আশ্রয় চাই। ১৯. মহান ও সহনশীল আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। মহান আরশের রব আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আসমানসমূহের রব, জমিনের রব এবং সম্মানিত আরশের রব আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। ২০. হে আল্লাহ! আমি আপনার রহমতের প্রত্যাশী। অতএব এক পলকের জন্যও আমাকে আমার নিজের ওপর ছেড়ে দেবেন না। আমার সকল বিষয় সংশোধন করে দিন। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। ২১. হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার পুত্র এবং আপনার বান্দীর পুত্র। আমার কপাল আপনার হাতে। আমার ব্যাপারে আপনার বিধান কার্যকর এবং আমার ব্যাপারে আপনার সিদ্ধান্ত ন্যায়পূর্ণ। আমি আপনার কাছে আপনার প্রত্যেক নামের মাধ্যমে প্রার্থনা করছি—যে নাম আপনি নিজের জন্য রেখেছেন, অথবা আপনার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছেন, অথবা আপনার কিতাবে নাজিল করেছেন, অথবা গায়েবের জ্ঞানে নিজের কাছে সংরক্ষণ করেছেন—আপনি কুরআনকে আমার অন্তরের বসন্ত, আমার বক্ষের আলো, আমার দুঃখের দূরীকরণ এবং আমার চিন্তা-দুশ্চিন্তা দূর করার মাধ্যম করে দিন। ২২. হে আল্লাহ! হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমাদের অন্তরগুলোকে আপনার আনুগত্যের দিকে ফিরিয়ে দিন। ২৩. হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর দৃঢ় রাখুন। ২৪. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা ও সুস্থতা চাই। ২৫. হে আল্লাহ! সকল বিষয়ে আমাদের পরিণতি উত্তম করুন এবং দুনিয়ার লাঞ্ছনা ও আখিরাতের শাস্তি থেকে আমাদের রক্ষা করুন। ২৬. হে আমার রব! আমাকে সাহায্য করুন, আমার বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করবেন না। আমাকে বিজয় দান করুন, আমার বিরুদ্ধে কাউকে বিজয়ী করবেন না। আমার জন্য পরিকল্পনা করুন, আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করবেন না। আমাকে হেদায়েত দিন এবং হেদায়েতকে আমার জন্য সহজ করে দিন। যে আমার ওপর জুলুম করেছে, তার বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করুন। ২৭. হে আমার রব! আমাকে আপনার অধিক কৃতজ্ঞ বানান, আপনার অধিক স্মরণকারী বানান, আপনার অধিক ভয়কারী বানান, আপনার অধিক অনুগত বানান, আপনার প্রতি বিনম্র বানান এবং আপনার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী বানান। ২৮. হে আমার রব! আমার তওবা কবুল করুন, আমার গুনাহ ধুয়ে দিন, আমার দোয়া কবুল করুন, আমার দলিলকে দৃঢ় করুন, আমার অন্তরকে হেদায়েত দিন, আমার জিহ্বাকে সঠিক রাখুন এবং আমার অন্তরের বিদ্বেষ দূর করে দিন। ২৯. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আমার শ্রবণ, দৃষ্টি, জিহ্বা, অন্তর ও যৌন প্রবৃত্তির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। ৩০. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে শ্বেতী, উন্মাদনা, কুষ্ঠ এবং সকল মন্দ রোগ থেকে আশ্রয় চাই। ৩১. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে নিকৃষ্ট চরিত্র, নিকৃষ্ট কাজ এবং নিকৃষ্ট প্রবৃত্তি থেকে আশ্রয় চাই। ৩২. হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি পরম ক্ষমাশীল, মহান দাতা এবং আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব আমাকে ক্ষমা করুন। ৩৩. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ! আমি আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদের ক্ষেত্রে আপনার কাছে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ! আমার গোপন বিষয়গুলো আড়াল করুন এবং আমার ভয়গুলোকে নিরাপত্তায় পরিণত করুন। হে আল্লাহ! আমার সামনে, পেছনে, ডানে, বামে ও ওপর থেকে আমাকে হেফাজত করুন। আর আপনার মহত্ত্বের আশ্রয় চাই, যেন নিচ থেকে আকস্মিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত না হই। ৩৪. হে আল্লাহ! আপনি অদৃশ্য ও দৃশ্যমান সবকিছুর জ্ঞানী, আসমান ও জমিনের সৃষ্টিকর্তা, প্রত্যেক বস্তুর রব ও মালিক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আমি আপনার কাছে আমার নিজের অনিষ্ট এবং শয়তানের অনিষ্ট ও তার শিরক থেকে আশ্রয় চাই। ৩৫. হে আল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা আপনারই। আপনি যা প্রসারিত করেছেন তা কেউ সংকুচিত করতে পারে না এবং আপনি যা সংকুচিত করেছেন তা কেউ প্রসারিত করতে পারে না। আপনি যাকে পথভ্রষ্ট করেছেন তাকে কেউ হেদায়েত দিতে পারে না এবং যাকে হেদায়েত দিয়েছেন তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না। আপনি যা আটকেছেন তা কেউ দিতে পারে না এবং আপনি যা দিয়েছেন তা কেউ আটকাতে পারে না। আপনি যাকে দূরে রেখেছেন তাকে কেউ কাছে আনতে পারে না এবং যাকে কাছে এনেছেন তাকে কেউ দূরে রাখতে পারে না। হে আল্লাহ! আমাদের ওপর আপনার বরকত, রহমত, অনুগ্রহ ও রিজিক প্রসারিত করুন। হে আল্লাহ! আমি এমন স্থায়ী নেয়ামত চাই, যা পরিবর্তিত বা শেষ হয় না। আমি দারিদ্র্যের দিনে নেয়ামত এবং ভয়ের দিনে নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের যা দিয়েছেন এবং যা থেকে বঞ্চিত করেছেন—উভয়ের অনিষ্ট থেকে আমি আপনার আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ! আমাদের কাছে ঈমানকে প্রিয় করে দিন, আমাদের অন্তরে তাকে সুশোভিত করুন এবং কুফরি, পাপাচার ও অবাধ্যতাকে আমাদের কাছে অপছন্দনীয় করে দিন। আমাদের সঠিক পথপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করুন। হে আল্লাহ! আমাদের মুসলিম অবস্থায় মৃত্যু দিন, মুসলিম অবস্থায় জীবিত রাখুন এবং কোনো লাঞ্ছনা ও ফিতনায় পতিত না হয়ে নেককারদের সঙ্গে মিলিত করুন। ৩৬. হে আল্লাহ! আমার অন্তরে আলো দিন, আমার জিহ্বায় আলো দিন, আমার শ্রবণে আলো দিন, আমার দৃষ্টিতে আলো দিন, আমার ওপর আলো দিন, আমার নিচে আলো দিন, আমার ডানে আলো দিন, আমার বামে আলো দিন, আমার সামনে আলো দিন, আমার পেছনে আলো দিন, আমার সত্তায় আলো দিন এবং আমার জন্য আলোকে মহান করে দিন। ৩৭. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ভালো কাজ করার, মন্দ কাজ পরিত্যাগ করার এবং দরিদ্রদের ভালোবাসার তাওফিক চাই। আমাকে ক্ষমা করুন ও আমার প্রতি দয়া করুন। আপনি যখন কোনো জাতিকে ফিতনায় ফেলতে চান, তখন আমাকে ফিতনামুক্ত অবস্থায় মৃত্যু দিন। আমি আপনার ভালোবাসা চাই, যারা আপনাকে ভালোবাসে তাদের ভালোবাসা চাই এবং এমন কাজের ভালোবাসা চাই, যা আমাকে আপনার ভালোবাসার নিকটবর্তী করে। ৩৮. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সকল কল্যাণ চাই—তা দ্রুত হোক বা বিলম্বিত, যা আমি জানি বা যা আমি জানি না। আর আমি আপনার কাছে সকল অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই—তা দ্রুত হোক বা বিলম্বিত, যা আমি জানি বা যা আমি জানি না। ৩৯. হে আল্লাহ! আপনার বান্দা ও নবী আপনার কাছে যে সকল কল্যাণ চেয়েছেন, আমি সেসব কল্যাণ আপনার কাছে চাই। আর আপনার বান্দা ও নবী যেসব অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চেয়েছেন, আমি সেসব অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। ৪০. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং এমন প্রত্যেক কথা ও কাজ চাই, যা জান্নাতের নিকটবর্তী করে। আর আমি জাহান্নাম থেকে আপনার আশ্রয় চাই এবং এমন প্রত্যেক কথা ও কাজ থেকে আশ্রয় চাই, যা জাহান্নামের নিকটবর্তী করে। আর আমি আপনার কাছে চাই—আপনি আমার জন্য যে সিদ্ধান্তই গ্রহণ করুন, তা যেন আমার জন্য কল্যাণকর হয়। ৪১. হে আল্লাহ! ইসলাম দ্বারা আমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় হেফাজত করুন, বসা অবস্থায় হেফাজত করুন এবং শোয়া অবস্থায় হেফাজত করুন। কোনো শত্রু বা হিংসুককে আমার কারণে আনন্দিত করবেন না। ৪২. হে আল্লাহ! যে সকল কল্যাণের ভাণ্ডার আপনার হাতে, আমি আপনার কাছে সেসব সকল কল্যাণ চাই। আর যে সকল অনিষ্টের ভাণ্ডার আপনার হাতে, সেসব সকল অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই। ৪৩. হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনার এমন ভয় দান করুন, যা আমাদের ও আমাদের গুনাহের মধ্যে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়। আপনার এমন আনুগত্য দান করুন, যার মাধ্যমে আমরা আপনার জান্নাতে পৌঁছতে পারি। আর এমন দৃঢ় বিশ্বাস দান করুন, যার মাধ্যমে দুনিয়ার বিপদগুলো আমাদের কাছে সহজ হয়ে যায়। ৪৪. হে আল্লাহ! যতদিন আমাদের জীবিত রাখবেন, ততদিন আমাদের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও শক্তি দ্বারা উপকৃত করুন। এগুলোকে আমাদের মৃত্যুর সময় পর্যন্ত অবশিষ্ট রাখুন। যারা আমাদের ওপর জুলুম করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের ন্যায়সঙ্গত প্রতিকার গ্রহণের শক্তি দিন। যারা আমাদের শত্রুতা করে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের দ্বীনের ক্ষেত্রে কোনো বিপদ দেবেন না। দুনিয়াকে আমাদের সবচেয়ে বড় চিন্তা এবং আমাদের জ্ঞানের চূড়ান্ত লক্ষ্য করবেন না। আর আমাদের ওপর এমন কাউকে কর্তৃত্ব দেবেন না, যে আমাদের প্রতি দয়া করে না। ৪৫. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাই, কৃপণতা থেকে আশ্রয় চাই, নিকৃষ্ট বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে আশ্রয় চাই এবং দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। ৪৬. হে আল্লাহ! আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করুন—ছোট-বড়, প্রথম-শেষ, প্রকাশ্য-গোপন সব গুনাহ। ৪৭. হে আল্লাহ! আমার ভুল, অজ্ঞতা, আমার কাজে সীমালঙ্ঘন এবং যে বিষয় সম্পর্কে আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন—সব ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আমার ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত, মজা করে ও গুরুত্বসহকারে করা সব ভুল ক্ষমা করুন। এসব সবই আমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে। ৪৮. হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে হেদায়েত দিন, আমাকে সুস্থতা দিন এবং আমাকে রিজিক দান করুন। ৪৯. হে আল্লাহ! আমি নিজের ওপর অনেক জুলুম করেছি। আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না। অতএব আপনার পক্ষ থেকে আমাকে বিশেষ ক্ষমা দান করুন এবং আমার প্রতি দয়া করুন। নিশ্চয়ই আপনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ৫০. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আত্মসমর্পণ করেছি, আপনার প্রতি ঈমান এনেছি, আপনার ওপর ভরসা করেছি, আপনার দিকেই ফিরে এসেছি এবং আপনার সাহায্যেই বিরোধিতা করেছি। ৫১. হে আল্লাহ! আপনার সম্মানের আশ্রয় চাই—আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই—যেন আপনি আমাকে পথভ্রষ্ট না করেন। আপনি সেই চিরঞ্জীব, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না। জিন ও মানুষ সবাই মৃত্যুবরণ করবে। ৫২. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার রহমত লাভের কারণসমূহ, আপনার ক্ষমা লাভের উপায়সমূহ, প্রত্যেক গুনাহ থেকে নিরাপত্তা, প্রত্যেক নেক কাজের সওয়াব এবং জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাই। ৫৩. হে আল্লাহ! আপনার হালাল দ্বারা আমাকে আপনার হারাম থেকে বাঁচিয়ে রাখুন এবং আপনার অনুগ্রহ দ্বারা আপনি ছাড়া অন্য সবার থেকে আমাকে অমুখাপেক্ষী করে দিন। ৫৪. হে আল্লাহ! আমার গুনাহ ক্ষমা করুন, আমার ঘরকে প্রশস্ত করুন এবং আমার রিজিকে বরকত দিন। ৫৫. হে আল্লাহ! আমি আপনার অনুগ্রহ ও রহমত চাই। কারণ এগুলোর মালিক আপনি ছাড়া আর কেউ নয়। ৫৬. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপর থেকে পড়ে যাওয়া, ধসে পড়া, ডুবে যাওয়া ও আগুনে পুড়ে যাওয়া থেকে আশ্রয় চাই। মৃত্যুর সময় শয়তান যেন আমাকে বিভ্রান্ত করতে না পারে—এ থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনার পথে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে মৃত্যুবরণ করা থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আর বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে মৃত্যুবরণ করা থেকেও আপনার আশ্রয় চাই। ৫৭. হে আল্লাহ! আপনি জিবরাইল, মিকাইল ও ইসরাফিলের রব, আসমান ও জমিনের সৃষ্টিকর্তা এবং অদৃশ্য ও দৃশ্যমান সবকিছুর জ্ঞানী। আপনার বান্দারা যে বিষয়গুলোতে মতভেদ করত, আপনি সেগুলোর মধ্যে বিচার করবেন। আপনার অনুমতিতে যে বিষয়ে মতভেদ হয়েছে, তার মধ্যে সত্যের পথে আমাকে পরিচালিত করুন। নিশ্চয়ই আপনি যাকে চান তাকে সরল পথে পরিচালিত করেন। ৫৮. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ক্ষুধা থেকে আশ্রয় চাই। কারণ ক্ষুধা অত্যন্ত নিকৃষ্ট সঙ্গী। আর আমি আপনার কাছে বিশ্বাসঘাতকতা থেকে আশ্রয় চাই। কারণ তা অত্যন্ত নিকৃষ্ট অন্তরঙ্গ সঙ্গী। ৫৯. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, বার্ধক্য, কঠোরতা, উদাসীনতা, দারিদ্র্য, অপমান ও মুখাপেক্ষিতা থেকে আশ্রয় চাই। আমি দারিদ্র্য, কুফরি, পাপাচার, বিরোধ, মুনাফিকি, লোকদেখানো ও রিয়ার থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আমি বধিরতা, বোবা হওয়া, উন্মাদনা, কুষ্ঠ, শ্বেতী এবং সকল মন্দ রোগ থেকে আপনার আশ্রয় চাই। ৬০. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অলসতা, বার্ধক্য, গুনাহ ও ঋণের বোঝা থেকে আশ্রয় চাই। কবরের পরীক্ষা ও শাস্তি থেকে, আগুনের পরীক্ষা ও শাস্তি থেকে এবং সম্পদের ফিতনার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। দারিদ্র্যের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। মসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকেও আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ! বরফ ও শিলার পানি দিয়ে আমার গুনাহগুলো ধুয়ে দিন। সাদা কাপড়কে যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছেন, সেভাবে আমার অন্তরকে গুনাহ থেকে পবিত্র করুন। আর পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে যেমন দূরত্ব, আমার ও আমার গুনাহের মধ্যে তেমন দূরত্ব সৃষ্টি করুন। ৬১. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দারিদ্র্য, স্বল্পতা ও অপমান থেকে আশ্রয় চাই। আমি আপনার কাছে জুলুম করা ও জুলুমের শিকার হওয়া থেকে আশ্রয় চাই। ৬২. হে আল্লাহ! আমি স্থায়ী আবাসের খারাপ প্রতিবেশী থেকে আপনার আশ্রয় চাই। কারণ মরুভূমির প্রতিবেশী তো স্থান পরিবর্তন করতে পারে। ৬৩. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এমন অন্তর থেকে আশ্রয় চাই, যা বিনম্র হয় না; এমন আত্মা থেকে, যা তৃপ্ত হয় না; এমন দোয়া থেকে, যা শোনা হয় না; এবং এমন জ্ঞান থেকে, যা উপকার করে না। হে আল্লাহ! আমি এই চারটি বিষয় থেকে আপনার আশ্রয় চাই। ৬৪. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে মন্দ দিন, মন্দ রাত, মন্দ সময়, মন্দ সঙ্গী এবং স্থায়ী আবাসের মন্দ প্রতিবেশী থেকে আশ্রয় চাই। ৬৫. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার আশ্রয় চাই। ৬৬. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দ্বীনের ওপর দৃঢ়তা, সঠিক পথে অবিচল থাকার দৃঢ় সংকল্প, আপনার রহমত লাভের কারণসমূহ, আপনার ক্ষমা লাভের উপায়সমূহ, আপনার নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা এবং উত্তম ইবাদত চাই। আমি আপনার কাছে সুস্থ অন্তর ও সত্যবাদী জিহ্বা চাই। আমি আপনার জানা প্রত্যেক কল্যাণ চাই এবং আপনার জানা প্রত্যেক অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। আপনি যা জানেন, সে সকল বিষয়ে আপনার কাছে ক্ষমা চাই। নিশ্চয়ই আপনি অদৃশ্য বিষয়সমূহের সর্বজ্ঞ। ৬৭. হে আল্লাহ! আমাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করুন। ৬৮. হে আল্লাহ! জেনে-শুনে আপনার সঙ্গে কাউকে শরিক করা থেকে আমি আপনার আশ্রয় চাই এবং অজান্তে যা করেছি তার জন্য আপনার কাছে ক্ষমা চাই। ৬৯. হে আল্লাহ! আপনি আমাকে যা শিক্ষা দিয়েছেন, তার মাধ্যমে আমাকে উপকৃত করুন। আমাকে এমন জ্ঞান শিক্ষা দিন, যা আমার উপকারে আসবে এবং আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন। ৭০. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুলযোগ্য আমল চাই। ৭১. হে আল্লাহ! আপনি এক ও অদ্বিতীয়, অমুখাপেক্ষী; আপনি কাউকে জন্ম দেননি এবং আপনিও জন্মগ্রহণ করেননি; আপনার সমকক্ষ কেউ নেই। আপনার কাছে এই গুণাবলির মাধ্যমে আমি প্রার্থনা করছি—আপনি আমার গুনাহ ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ৭২. হে আল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা আপনারই। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি একক, আপনার কোনো শরিক নেই। আপনি পরম দাতা। হে আসমান ও জমিনের অনুপম সৃষ্টিকর্তা! হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী! হে চিরঞ্জীব, হে সবকিছুর ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার আশ্রয় চাই। ৭৩. হে আল্লাহ! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি আল্লাহ, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি একক, অমুখাপেক্ষী; আপনি কাউকে জন্ম দেননি এবং আপনিও জন্মগ্রহণ করেননি; আপনার সমকক্ষ কেউ নেই। এই সাক্ষ্যের মাধ্যমে আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি। ৭৪. হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি তওবা কবুলকারী, পরম ক্ষমাশীল। ৭৫. হে আল্লাহ! আপনি অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান এবং সৃষ্টির ওপর পূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। যতদিন আপনি জানেন যে আমার জন্য জীবন কল্যাণকর, ততদিন আমাকে জীবিত রাখুন। আর যখন আপনি জানেন যে মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর, তখন আমাকে মৃত্যু দিন। ৭৬. হে আল্লাহ! আমি গোপনে ও প্রকাশ্যে আপনার ভয় চাই। সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টি উভয় অবস্থায় সত্য কথা বলার তাওফিক চাই। দারিদ্র্য ও প্রাচুর্য উভয় অবস্থায় মধ্যপন্থা চাই। এমন নেয়ামত চাই, যা শেষ হবে না। এমন চোখের শীতলতা চাই, যা বিচ্ছিন্ন হবে না। আপনার সিদ্ধান্তের পর সন্তুষ্টি চাই। মৃত্যুর পর প্রশান্তিময় জীবন চাই। আপনার পবিত্র মুখমণ্ডল দর্শনের আনন্দ চাই এবং আপনার সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা চাই—এমন অবস্থায়, যখন কোনো ক্ষতিকর বিপদ বা পথভ্রষ্টকারী ফিতনা থাকবে না। ৭৭. হে আল্লাহ! ঈমানের সৌন্দর্য দিয়ে আমাদের সুশোভিত করুন এবং আমাদের হেদায়েতপ্রাপ্ত ও হেদায়েতের পথপ্রদর্শক বানান। ৭৮. হে আল্লাহ! আমাকে আপনার ভালোবাসা দান করুন এবং এমন ব্যক্তির ভালোবাসা দান করুন, যার ভালোবাসা আপনার কাছে আমার জন্য উপকারী। ৭৯. হে আল্লাহ! আপনি আমাকে যা কিছু আমার পছন্দের জিনিস থেকে দান করেন, তা যেন আপনার পছন্দের কাজে আমার শক্তি হয়ে ওঠে। ৮০. হে আল্লাহ! আমার পছন্দের যেসব বিষয় আপনি আমার কাছ থেকে দূরে রেখেছেন, সেগুলোকে আপনার পছন্দের কাজে আমার জন্য অবসর ও সুযোগে পরিণত করুন। ৮১. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কাপুরুষতা, কৃপণতা, নিকৃষ্ট বার্ধক্য, অন্তরের ফিতনা এবং কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। ৮২. হে আল্লাহ! আপনি জিবরাইল, মিকাইল ও ইসরাফিলের রব। আমি আপনার কাছে আগুনের উত্তাপ ও কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। ৮৩. হে আল্লাহ! আমাকে সঠিক পথের জ্ঞান ও প্রেরণা দান করুন এবং আমার নিজের অনিষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করুন। ৮৪. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান চাই এবং এমন জ্ঞান থেকে আপনার আশ্রয় চাই, যা উপকার করে না। ৮৫. হে আল্লাহ! আপনি সাত আসমান, জমিন, মহান আরশ এবং আমাদের ও প্রত্যেক বস্তুর রব। আপনি শস্য ও বীজ বিদীর্ণকারী এবং তাওরাত, ইঞ্জিল ও ফুরকানের অবতরণকারী। আমি আপনার কাছে এমন প্রত্যেক বস্তুর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই, যার কপাল আপনার হাতে। হে আল্লাহ! আপনি প্রথম, আপনার আগে কিছু নেই। আপনি শেষ, আপনার পরে কিছু নেই। আপনি প্রকাশ্য, আপনার ওপরে কিছু নেই। আপনি অপ্রকাশ্য, আপনার নিচে কিছু নেই। আমাদের ঋণ পরিশোধ করে দিন এবং আমাদের দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করুন। ৮৬. হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরগুলোর মধ্যে ভালোবাসা ও ঐক্য সৃষ্টি করুন, আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক সংশোধন করুন, আমাদের শান্তির পথসমূহ দেখিয়ে দিন, অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে আসুন। প্রকাশ্য ও গোপন সকল অশ্লীলতা ও ফিতনা থেকে আমাদের দূরে রাখুন। আমাদের শ্রবণ, দৃষ্টি, অন্তর, স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে বরকত দিন। আমাদের তওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। আমাদের আপনার নেয়ামতের কৃতজ্ঞ বানান, আপনার প্রশংসাকারী বানান, নেয়ামত গ্রহণকারী বানান এবং আমাদের ওপর আপনার নেয়ামত পূর্ণ করে দিন। ৮৭. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সর্বোত্তম প্রার্থনা, সর্বোত্তম দোয়া, সর্বোত্তম সফলতা, সর্বোত্তম আমল, সর্বোত্তম প্রতিদান, সর্বোত্তম জীবন ও সর্বোত্তম মৃত্যু চাই। আমাকে দৃঢ় রাখুন, আমার নেকির পাল্লা ভারী করুন, আমার ঈমান পূর্ণ করুন, আমার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন, আমার নামাজ কবুল করুন, আমার ভুল ক্ষমা করুন এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদাসমূহ দান করুন। ৮৮. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সকল কল্যাণের দ্বারসমূহ, তার পরিণতি, তার সমন্বিত কল্যাণ, তার শুরু, প্রকাশ্য ও গোপন কল্যাণ এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদাসমূহ চাই। ৮৯. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আমার আগমন, আমার কাজ, আমার আমল, আমার গোপন ও প্রকাশ্য—সবকিছুর সর্বোত্তম কল্যাণ চাই এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদাসমূহ চাই। ৯০. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই—আপনি আমার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন, আমার গুনাহের বোঝা নামিয়ে দিন, আমার বিষয় সংশোধন করুন, আমার অন্তর পবিত্র করুন, আমার লজ্জাস্থান হেফাজত করুন, আমার অন্তর আলোকিত করুন, আমার গুনাহ ক্ষমা করুন এবং আমাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। ৯১. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আমার সত্তা, শ্রবণ, দৃষ্টি, আত্মা, গঠন, চরিত্র, পরিবার, জীবন, মৃত্যু ও আমলে বরকত চাই। আমার নেক আমলগুলো কবুল করুন এবং আমাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। ৯২. হে আল্লাহ! আমাকে নিকৃষ্ট চরিত্র, নিকৃষ্ট কাজ, নিকৃষ্ট প্রবৃত্তি ও নিকৃষ্ট রোগ থেকে দূরে রাখুন। ৯৩. হে আল্লাহ! আপনি আমাকে যা রিজিক দিয়েছেন, তাতে আমাকে সন্তুষ্ট রাখুন, তাতে বরকত দিন এবং আমার যে কোনো হারানো জিনিসের পরিবর্তে উত্তম কিছু দান করুন। ৯৪. হে আল্লাহ! আমার হিসাব সহজভাবে গ্রহণ করুন। ৯৫. হে আল্লাহ! আপনার জিকির, আপনার শুকরিয়া এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন। ৯৬. হে আল্লাহ! আমি এমন ঈমান চাই, যা কখনো ফিরে যায় না; এমন নেয়ামত চাই, যা কখনো শেষ হয় না; এবং আপনার নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর সঙ্গে চিরস্থায়ী জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে থাকার সৌভাগ্য চাই। ৯৭. হে আল্লাহ! আমাকে আমার নিজের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করুন এবং আমার জন্য সর্বাধিক সঠিক কাজের ওপর দৃঢ় সংকল্প দান করুন। হে আল্লাহ! আমি যা গোপন করেছি, যা প্রকাশ করেছি, যা ভুল করেছি, যা ইচ্ছাকৃতভাবে করেছি, যা জেনে করেছি এবং যা না জেনে করেছি—সব ক্ষমা করুন। ৯৮. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ঋণের প্রাধান্য, শত্রুর প্রাধান্য এবং শত্রুদের আনন্দিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাই। ৯৯. হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে হেদায়েত দিন, আমাকে রিজিক দিন এবং আমাকে সুস্থতা দিন। কিয়ামতের দিন সংকীর্ণ অবস্থান থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় চাই। ১০০. হে আল্লাহ! আমার শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি দ্বারা আমাকে উপকৃত করুন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এগুলো অবশিষ্ট রাখুন। যে আমার ওপর জুলুম করে তার বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করুন এবং তার কাছ থেকে আমার ন্যায়সঙ্গত প্রতিকার গ্রহণ করুন। ১০১. হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন জীবন, স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ মৃত্যু এবং এমন প্রত্যাবর্তন চাই, যাতে কোনো লাঞ্ছনা বা অপমান না থাকে। ১০২. হে আল্লাহ! আপনি আমার গঠন সুন্দর করেছেন, অতএব আমার চরিত্রও সুন্দর করে দিন। ১০৩. হে আল্লাহ! সকল মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের ক্ষমা করুন। ১০৪. হে আল্লাহ! আমাকে দৃঢ় রাখুন এবং আমাকে হেদায়েতপ্রাপ্ত ও অন্যদের হেদায়েতের পথপ্রদর্শক বানান। ১০৫. হে আল্লাহ! আমাকে সেই প্রজ্ঞা দান করুন, যাকে যে ব্যক্তি লাভ করেছে, সে তো অগণিত কল্যাণ লাভ করেছে।

২০.

রুকয়া কি?

“رقیہ” রুকয়া আরবি ভাষায় ঝাড়ফুঁঙ্ক বা দম দেওয়ার অর্থে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত আল্লাহ তাআলার নাম এবং (أدعية مأثورة) কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা করা হয়। রোগীর নিজের ওপর পড়া হতে পারে বা কেউ অন্য ব্যক্তি রোগীর জন্য রুকয়া করতে পারে।
উচ্চারণঃ

রুকয়া বা তাবিজের মাধ্যমে চিকিৎসা করার জন্য মৌলিক কিছু শর্ত মেনে চলা জরুরি: ১. তাবিজ বা রুকয়ার অর্থ ও ব্যাখ্যা জানা থাকা আবশ্যক। ২. এতে কোনো শির্কী শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। ৩. এগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও আত্মমুখী শক্তিশালী মনে করা যাবে না। ৪. যদি অন্য কারো মাধ্যমে চিকিৎসা করানো হয়, সেই ব্যক্তি অবশ্যই অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত হতে হবে, যেন কেউ প্রতারণা না করে। যদি কোনো তাবিজ বা রুকয়া কোরআনের আয়াত, প্রচলিত দোয়া বা সঠিক শব্দ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়, এটি শরীয়তে গ্রহণযোগ্য। কারণ এর প্রকৃত অর্থ হলো, একটি বৈধ উপায় বা ব্যবস্থা। কিন্তু যেসব তাবিজে শির্কী শব্দ, অজানা বা অগোছালো মন্ত্র লেখা হয় বা যার স্বয়ংসম্পূর্ণ কার্যকারিতা বিশ্বাস করা হয়, সেগুলোর ব্যবহার শরীয়তে অনুমোদিত নয়। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাযি) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি নিজের বুঝমান সন্তানদের আল্লাহর ক্ষমতা ও মহিমার কথাগুলো শেখাতেন, আর যারা বুঝমান নয়, তাদের গলায় সেই কথাগুলো লিখে তাবিজের আকারে পরিয়ে দিতেন। অতএব, শরীয়তে অনুমোদিত রুকয়া বা তাবিজ হলো, সেইগুলো যা কোরআন ও হাদীসে বর্ণিত সঠিক দোয়া বা সঠিক শব্দের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা এবং যার ব্যবহার শির্ক বা অজানা শক্তি বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে না।