দু’আ

মোট দু’আ - ৬২৩ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখলে পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا اُرْسِلَ بِهٖ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না না‘ঊযুবিকা মিন শাররি মা উরসিলা বিহি।

অর্থঃ

অর্থ: হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট ঐ সকল অনিষ্ট থেকে পানাহ চাচ্ছি, যাকে এ মেঘ বহন করে এনেছে।

.

শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে ৩ বার পড়বে

۞ اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَعَزُّ مِنْ خَلْقِه جَمِيْعاً، اَللّٰهُ أَعَزُّ مِمَّا أَخَافُ وَأَحْذَرُ، أَعُوْذُ بِاللهِ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ، الْمُمْسِكِ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ أَنْ يَقَعْنَ عَلَى الْأَرْضِ إِلَّا بِإِذْنِه، مِنْ شَرِّ عَبْدِكَ فُلاَنٍ، وَجُنُوْدِه وَأَتْبَاعِه وَأَشْيَاعِه، مِنَ الْجِنِّ وَالإِنْسِ، اَللّٰهُمَّ كُنْ لِيْ جَارًا مِّنْ شَرِّهِمْ، جَلَّ ثَنَاؤُكَ وَعَزَّ جَارُكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আ‘আয্যু মিন খালক্বিহী জামী‘আন। আল্লাহু আ‘আয্যু মিম্মা আখা-ফু ওয়া আহযারু। আউযু বিল্লা-হিল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল মুমসিকুস্ সামা-ওয়া-তিস সাব‘ঈ, আন ইয়াকা‘না আলাল্ আরদ্বি ইল্লা বিইযনিহী, মিন শাররি ‘আবদিকা ফুলা-নিন,(উক্ত ব্যক্তির নাম বলবে) ওয়া জুনূদিহী ওয়া আতবা‘ইহী ওয়া আশইয়া‘ইহী মিনাল জিন্নি ওয়াল ইনসি। আল্লাহুম্মা কুন লী জা-রান মিন শাররিহিম, জাল্লা সানা-উকা ওয়া ‘আয্যা জা-রুকা ওয়াতাবা-রকাসমুকা ওয়া লা ইলা-হা গাইরুকা

অর্থঃ

আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ তাঁর সমস্ত সৃষ্টি থেকে মহামর্যাদাবান। আমি যা থেকে ভীত ও শঙ্কিত তার চেয়ে আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী। আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যিনি সাত আসমানের ধারণকারী, তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপর পতিত হওয়া থেকে— (আশ্রয় চাই) তাঁর অমুক বান্দা, তার সৈন্য-সামন্ত, তার অনুসারী ও তার অনুগামী জ্বীন ও ইনসানের অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! তাদের ক্ষতি থেকে আপনি আমার জন্য আশ্রয়দানকারী হোন। আপনার গুণগান অতি মহান, আপনার প্রতিবেশী মহিমান্বিত, আপনার নাম অতি বরকতময়। আর আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।

.

মসজিদ থেকে বের হওয়ার দু‘আ

۞ بِسْمِ اللهِ. وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِ اللهِ. اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াস্‌সালা-তু ওয়াস্‌সালা-মু ‘আলা- রাসূ-লিল্লাহি আল্লহুমা ইন্নি আস আলুকা মিন ফাদ্বলিক।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে শুরু করছি। আল্লাহ তা‘আলার রাসূল (ﷺ) এর প্রতি দরূদ, রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট হালাল রুজির প্রার্থনা করছি।

.

ইস্তিখারার সংক্ষিপ্ত দু‘আ

ইস্তিখারার উল্লেখিত পদ্ধতি কিছুটা দীর্ঘ। অনেক সময় মানুষ সিদ্ধান্ত পৌঁছার জন্য এত দীর্ঘ সময় নাও পেতে পারে। তাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি সংক্ষিপ্ত দু‘আ আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন। দু‘আটি এই- ۞ اَللّٰهُمَّ خِرْ لِيْ وَاخْتَرْلِيْ অর্থ: হে আল্লাহ! আপনিই ঠিক করে দিন যে, আমাকে কোনটি অবলম্বন করতে হবে।’(সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৫১৬; মুসনাদুল বাযযার, হাদীস নং: ৫৯; মুসনাদে আবু ইয়া'লা, হাদীস নং: ৪৪) এছাড়া আরেকটি দু‘আ হাদীস শরীফে রয়েছে- ۞ اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ، وَسَدِّدْنِيْ অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সহজ-সরল ও সোজা পথ দেখাও (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং: ২৭২৫) অনুরূপভাবে এ দু‘আটিও হাদীস শরীফে এসেছে- ۞ اَللّٰهُمَّ أَلْهِمْنِيْ رُشْدِيْ অর্থ: হে আল্লাহ! যে পথটি সঠিক তা আমার অন্তরে ঢেলে দিন। (সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৪৮৩) যদি আরবীতে সম্ভব না হয় তাহলে কমপক্ষে নিজের ভাষায় এ দু‘আগুলো করা যেতে পারে। অনুরূপভাবে যদি মুখে উচ্চারণ সম্ভব না হয় তাহলে কমপক্ষে মনে মনে হলেও এ দু‘আগুলো করা।

.

কুরআনে বর্ণিত শান্তি ও সাফল্যের দু‘আ-১৯

۞ رَبِّ ہَبۡ لِیۡ حُکۡمًا وَّاَلۡحِقۡنِیۡ بِالصّٰلِحِیۡنَ ۙ ٨٣ وَاجۡعَلۡ لِّیۡ لِسَانَ صِدۡقٍ فِی الۡاٰخِرِیۡنَ ۙ ٨٤ وَاجۡعَلۡنِیۡ مِنۡ وَّرَثَۃِ جَنَّۃِ النَّعِیۡمِ ۙ ٨٥
অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাকে জ্ঞান দান করুন। এবং সৎকর্মপরায়ণদের মধ্যে শামিল কর। এবং পরবর্তীকালীন লোকদের মধ্যে আমার পক্ষে এমন রসনা সৃষ্টি করুন, যা আমার সততার সাক্ষ্য দেবে। এবং আমাকে সুখময় জান্নাতের অধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

.

খাওয়ার শুরুতে পড়বে

۞  بِسْمِ اللهِ وَبَرَكَةِ اللهِ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াবারাকাতিল্লাহ্‌।

অর্থঃ

আল্লাহ তা’আলার নামে (খাবার) শুরু করছি, এবং আল্লাহ তা‘আলার বরকতের সাথে এ খাবার গ্রহণ করছি।

.

দু‘আ-১৬

رَبَّنَا اغْفِرْ لِیْ وَ لِوَالِدَیَّ وَ لِلْمُؤْمِنِیْنَ یَوْمَ یَقُوْمُ الْحِسَابُ۠۝۴۱
উচ্চারণঃ

রাব্বানাগফিরলী ওয়া লিওয়ালিদাইয়া ওয়ালিলমু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াকূমুল হিছা-ব।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন (অর্থাৎ কিয়ামতের দিন) আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও সকল মুমিনকে মাফ করে দিয়েন।১৮

.

দু‘আ-৮৭

اَللّٰهُمَّ ضَعْ فِيْۤ أَرْضِنَا بَرَكَتَهَا وَزِيْنَتَهَا وَسَكَنَهَا، وَلَا تَحْرِمْنِيْ بَرَكَة َ مَاۤ أَعْطَيْتَنِيْ، وَلَا تَفْتِنِّيْ فِيْمَاۤ أَحْرَمْتَنِيْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাদের মাটিতে প্রাচুর্য দিন। শোভা ও শ্যামলিমা দিন এবং শান্তি ও নিরাপত্তা দিন। যা কিছু আমাকে দান করেছেন, তার বরকত থেকে আমাকে বঞ্চিত কোরেন না। আর যা কিছু থেকে আমাকে বঞ্চিত করেছেন, তার বিষয়ে আমাকে পরীক্ষাগ্রস্ত কোরেন না।৯০

.

দু‘আ-১০৩

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ فِيْ قَلْبِيْ نُوْرًا، وَفِيْ بَصَرِيْ نُوْرًا، وَفِيْ سَمْعِيْ نُوْرًا، وَعَنْ يَّمِيْنِيْ نُوْرًا، وَعَنْ شِمَالِيْ نُوْرًا، وَمِنْ خَلْفِيْ نُوْرًا، وَمِنْ أَمَامِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْ لِيْ نُوْرًا، وَفِيْ عَصَبِيْ نُوْرًا، وَفِيْ لَحْمِيْ نُوْرًا، وَفِيْ دَمِيْ نُوْرًا، وَفِيْ شَعْرِيْ نُوْرًا، وَفِيْ بَشَرِيْ نُوْرًا، وَفِيْ لِسَانِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْ فِيْ نَفْسِيْ نُوْرًا، وَأَعْظِمْ لِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْنِيْ نُوْرًا، وَاجْعَلْ مِنْ فَوْقِيْ نُوْرًا، وَ مِنْ تَحْتِيْ نُوْرًا، اَللّٰهُمَّ اَعْطِنِيْ نُوْرًا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আলো দিন আমার অন্তরে, আলো দিন আমার দৃষ্টিতে, আলো দিন আমার শ্রবণশক্তিতে, আলো দিন আমার ডানে, আলো দিন আমার বামে, আলো দিন আমার পিছনে, আলো দিন আমার সামনে, আলো দিন আমাকে এক বিশেষ আলো, আলো দিন আমার ধমনীতে, আলো দিন আমার গোশতে, আলো দিন আমার রক্তে, আলো দিন আমার চুলে, আলো দিন আমার চামড়ায়, আলো দিন আমার জিহ্বায়, আলো দিন আমার প্রাণে, আলো দিন আমাকে - বড় আলো, পরিণত করুন আমাকে আলোতে, আলো দিন আমার উপরে, আলো দিন আমার নীচে, ইয়া আল্লাহ! আমাকে আলো দিন।১০২

১০.

দু‘আ-১১১

اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيْ بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِيْ بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার হালাল রিযিকের মাধ্যমে আমাকে হারাম রুযি থেকে রক্ষা করুন এবং নিজ করুণায় আপনি ছাড়া আর সবার থেকে আমাকে বেনিয়ায করুন।১০৮

১১.

দু‘আ-১১৫

اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ كَالَّذِيْ تَقُوْلُ وَخَيْرًا مِّمَّا نَقُوْلُ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনারই জন্য সকল প্রশংসা, (যে প্রশংসা) আপনি যেমন বলেন তেমন আর আমরা যেমন বলি তার চেয়ে উত্তম।১১২

১২.

শত্রু বা যালিমের সম্মুখীন হলে পড়বে-১

۞ اَللّٰهُمَّ أَنْتَ عَضُدِيْ ، وَأَنْتَ نَصِيْرِيْ ، بِكَ أَحُوْلُ وَبِكَ أَصُوْلُ، وَبِكَ أُقاتِلُ
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা আনতা ‘আদ্বুদী, ওয়া আনতা নাসীরী, বিকা আহূলু, ওয়া বিকা আসূলু, ওয়া বিকা উক্বা-তিলু

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমার শক্তি এবং আপনি আমার সাহায্যকারী; আপনারই সাহায্যে আমি বিচরণ করি, আপনারই সাহায্যে আমি আক্রমণ করি এবং আপনারই সাহায্যে আমি যুদ্ধ করি।

১৩.

দু‘আ-৯৩

يَا حَيُّ! يَا قَيُّوْمُ! بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْثُ، أَصْلِحْ لِيْ شَأْنِيْ كُـلَّهٗ، ولَا تَكِلْـنِيْ إِلٰى نَفْسِيْ طَرْفَةَ عَيْنٍ.
অর্থঃ

ইয়া হাইউ! ইয়া কাইয়ূমু! আপনার রহম-করমের তোফায়েলে ফরিয়াদ, আমার জন্য দুরস্ত করে দিন আমার সকল কিছু আর আমাকে এক লমহার জন্যও ছেড়ে দিয়েন না আমার নিজের দায়িত্বে।৯৪

১৪.

দু‘আ-৯৭

اَللّٰهُمَّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! যেদিন পুনরায় আপন বান্দাদের জীবিত করবেন সেদিন আমাকে আযাব থেকে রক্ষা কোরেন। (কারণ, ঐ দিনের সুরক্ষাই প্রকৃত সুরক্ষা)।

১৫.

দু‘আ-১০৮

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ رِزْقًا طَيِّبًا وَّعِلْمًا نَّافِعًا وَّعَمَلًا مُّتَقَبَّلًا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে চাই পবিত্র রিযিক, উপকারী ইলম ও মাকবুল আমল।১০৫

১৬.

দু‘আ-১১৪

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ إِيْمَانًا يُّبَاشِرُ قَلْبِيْ وَيَقِيْنًا صَادِقًا حَتّٰىۤ أَعْلَمَ أَنَّهٗ لَا يُصِيْبُنِيْۤ إِلَّا مَا كَتَبْتَ لِيْ، وَرِضًى مِّنَ الْمَعِيْشَةِ بِمَا قَسَمْتَ لِيْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ঐ ঈমান চাই, যা আমার অন্তরে মিশে যায়, ঐ পাকা ইয়াকীন চাই, যার দ্বারা নিশ্চিত জানব যে, আমার শুধু তা-ই হতে পারে, যা আমার জন্য লিখে রেখেছেন। আর চাই জীবিকার উপর সন্তুষ্টি, যা আপনি আমার হিস্যায় রেখেছেন।১১১

১৭.

কষ্টদায়ক জিনিস থেকে মুক্তির দু‘আ

সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা নাস (৩বার)
উচ্চারণঃ

সূরা ইখলাস: ১. قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ২. اللَّهُ الصَّمَدُ ৩. لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ৪. وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ সূরা ফালাক্ব: ১. قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ২. مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ৩. وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ৪. وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ৫. وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ সূরা নাস: ১. قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ ২. مَلِكِ النَّاسِ ৩. إِلَـٰهِ النَّاسِ ৪. مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ৫. الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ৬. مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ

অর্থঃ

সূরা ইখলাস: ১. কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। ২. আল্লা-হুসসামাদ। ৩. লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইঊলাদ। ৪. ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহূকুফুওয়ান আহাদ। সূরা ফালাক্ব: ১. কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক ২. মিন শাররি মা-খালাক। ৩. ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব। ৪. ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ। ৫. ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ। সূরা নাস: ১. কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ, ২.মালিকিন্না-ছ, ৩. ইলা-হিন্না-ছ। ৪. মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ। ৫. আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-। ৬. মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ।

১৮.

আকস্মিক পরীক্ষা ও বিপদ থেকে মুক্তির দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيْعِ سَخَطِكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন যাওয়ালি নি’মাতিকা, ওয়া তাহাওউলি আফিয়াতিকা, ওয়া ফুজাআতি নিক্বমাতিকা, ওয়া জামিয়ি সাখাত্বিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই নেয়ামত দূর হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার দেয়া সুস্থতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে। আশ্রয় চাই তোমার কাছ থেকে হঠাৎ আসা শাস্তি থেকে। তোমার সব ধরণের অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই।

১৯.

মসজিদ

المسجد
উচ্চারণঃ

শরঈ মসজিদ

অর্থঃ

“শরয়ি মসজিদ” বলতে সেই স্থানকে বোঝায়, যেখানে কোনো একজন ব্যক্তি বা কয়েকজন ব্যক্তি তাদের মালিকানাধীন জমিকে ‘মসজিদ’ হিসেবে নিজেদের মালিকানা থেকে পৃথক করে দেন এবং সেটির পথ সাধারণ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তার সঙ্গে খুলে দিয়ে মুসলমানদের সেখানে নামাজ আদায়ের অনুমতি প্রদান করেন। এরপর যখন একবারও সেখানে আজান ও জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা হয়, তখনই সেই স্থান শরয়ি মসজিদ হিসেবে গণ্য হয়ে যায়।

২০.

মৃত্যু কামনার বদলে এই দু‘আ পড়বে

اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتِ الحَيَاةُ خَيْرًا لِي، وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الوَفَاةُ خَيْرًا لِي
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আহইয়িনী মা কানাতিল হায়াতু খাইরান লী, ওয়া তাওয়াফ্ফানী ইযা কানাতিল ওয়াফাতু খাইরান লী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখ, যতদিন পর্যন্ত আমার জন্য জীবিত থাকা কল্যাণকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দাও, যখন আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর হয়।