দু’আ

মোট দু’আ - ৬২০ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

দু‘আ-১৭

رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّیٰنِیْ صَغِیْرًاؕ۝۲۴
উচ্চারণঃ

রাব্বির হামহুমা-কামারাব্বাইয়া-নী সাগীরা

অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমার বাবা-মাকে ঐ রকম রহম করুন যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে (দয়ার সাথে) লালন-পালন করেছেন।১৯

.

দু‘আ-১০৯ (আল্লাহর নামের উসিলায় কিছু চাওয়া/প্রার্থনা করা)

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَآؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِه نَفْسَكَ أَوْ أَنْزَلْتَهٗ فِيْ كِتَابِكَ، أَوْعَلَّمْتَهٗۤ أَحَدًا مِّنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِه فِيْ عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْاٰنَ الْعَظِيْمَ رَبِيْعَ قَلْبِيْ وَنُوْرَ بَصَرِيْ، وَجِلَآءَ حُزْنِيْ، وَذَهَابَ هَمِّىْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার দাস, পুত্র আপনার দাসের, পুত্র আপনার দাসীর। আমার ঝুঁটি (পূর্ণ সত্তা) আপনার কব্জায়। আমার উপর আপনার বিধানই কার্যকর। আমার সম্পর্কে আপনার ফয়সালা সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত। আমি আপনার সকল নামের তোফায়েলে যা দ্বারা নিজেকে আপনি গুণান্বিত করেছেন কিংবা আপন কিতাবে নাযিল করেছেন কিংবা নিজের কোনো সৃষ্টিকে শিক্ষা দিয়েছেন কিংবা আপনার কাছেই গোপন রেখেছেন, প্রার্থনা করছি, মহিমান্বিত কুরআনকে করুন আমার হৃদয়ের বসন্ত, আমার চোখের জ্যোতি, আমার বেদনার মলম ও আমার দুশ্চিন্তার উপশম।১০৬

.

দু‘আ-১০

رَبَّنَا ظَلَمْنَاۤ اَنْفُسَنَا وَ اِنْ لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَ تَرْحَمْنَا لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الْخٰسِرِیْنَ۝۲۳
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-জালামনা আনফুছানা-ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা-ওয়া তারহামনা-লানাকূনান্না মিনাল খা-ছিরীন।

অর্থঃ

হে আমাদের রব! আমরা তো নিজেদের উপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের মাফ না করেন এবং আমাদের উপর রহম না করেন, তাহলে নিঃসন্দেহে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব। (কারণ, আপনি ছাড়া আর কে আমাদের লাভের মুখ দেখাতে পারে?)১২

.

দু‘আ-১১

رَبَّنَا اَفْرِغْ عَلَیْنَا صَبْرًا وَّ تَوَفَّنَا مُسْلِمِیْنَ۠۝۱۲۶
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-আফরিগ ‘আলাইনা-সাবরাওঁ ওয়াতাওয়াফফানা-মুছলিমীন।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের উপর সবর বর্ষণ করুন এবং ইসলামের উপর আমাদের মৃত্যু নসীব করুন। ১৩

.

দু‘আ-২

رَبَّنَا اَفْرِغْ عَلَیْنَا صَبْرًا وَّ ثَبِّتْ اَقْدَامَنَا وَ انْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَؕ۝۲۵۰
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-আফরিগ আলাইনা-সাবরাওঁ ওয়া ছাব্বিত আকদা-মানা-ওয়ানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফরীন

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন। আমাদের কদম অবিচলিত রাখুন আর কাফির কওমের বিরুদ্ধে আমাদের বিজয়ী করুন।৩

.

দু‘আ-৩

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَاۤ اِنْ نَّسِیْنَاۤ اَوْ اَخْطَاْنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تَحْمِلْ عَلَیْنَاۤ اِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهٗ عَلَی الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ ۚ وَ اعْفُ عَنَّا ۥ وَ اغْفِرْ لَنَا ۥ وَ ارْحَمْنَا ۥ اَنْتَ مَوْلٰىنَا فَانْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَ۠۝۲۸۶
উচ্চারণঃ

রাব্বানা-লা-তুআ-খিযনা ইন নাছীনা-আও আখতা’না-রাব্বানা ওয়ালা-তাহমিল ‘আলাইনা-ইসরান কামা-হামালতাহূ আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা-রাব্বানা-ওয়ালা তুহাম্মিলনা-মা-লা-তা-কাতা লানা-বিহী ওয়া‘ফু‘আন্না-ওয়াগফিরলানা-ওয়ারহামনা-আনতা মাওলা-না-ফানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! যদি আমরা ভুলে যাই অথবা ভুল করি, তবে আপনি আমাদের পাকড়াও কোরেন না।৪ হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আমাদের উপর এমন কঠিন কঠিন বিধান আরোপ কোরেন না, যেমন আরোপ করেছিলেন আমাদের আগের লোকদের উপর। (তারা ছিল আমাদের চেয়ে শক্তিশালী, তাই সে কঠিন বিধান পালনে সক্ষম হয়েছিল। আমরা সবদিক থেকে দুর্বল, কঠিন বিধান পালনের সামর্থ্য আমাদের নেই। পরওয়ারদেগার! আমাদের উপর এমন (দুঃখ-কষ্টের) ভার চাপিয়ে দিয়েন না, যা আমরা সহজে বহন করতে পারব না। আমাদের ভুল-ত্রুটি উপেক্ষা করুন। আমাদের অপরাধ মার্জনা করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির কওমের বিরুদ্ধে আমাদের বিজয়ী করুন।৫ (আমরা তো আপনারই দীনের সিপাহী। অতএব, আপনার বিদ্রোহী ও আপনার দ্বীনের বিরোধীদের মোকাবেলায় কেন আমাদের বিজয়ী করবেন না? সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হয়ে কীভাবে আপনি নিজ বান্দাদের সাহায্য করা থেকে বিরত থাকবেন?)

.

দু‘আ-৪২

اَللّٰهُمَّ اٰتِ نَفْسِيْ تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا، أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا.
উচ্চারণঃ

আল্লা–হুম্মা আতি নাফসি তাকওয়া-হা, ওয়া-জাক্কিহা, আনতা খাইরু মান জাক্কাহা, আনতা ওলিইউহা ওয়া মাওলা-হা।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার সত্তাকে পরহেযগারী দান করুন এবং তাকে পরিশুদ্ধ করুন। আপনি-ই তো এর উত্তম পরিশুদ্ধকারী। আপনিই এর মালিক ও প্রভু।৪৩

.

দু‘আ-৭

رَبَّنَاۤ اِنَّكَ مَنْ تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ اَخْزَیْتَهٗ ؕ وَ مَا لِلظّٰلِمِیْنَ مِنْ اَنْصَارٍ۝۱۹۲
উচ্চারণঃ

রাব্বানাইন্নাকা মান তুদখিলিন্না-রা ফাকাদ আখঝাইতাহূ ওয়ামা-লিজ্জা-লিমীনা মিন আনসা-র।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আপনি যাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন, তাকে তো লাঞ্ছিতই করলেন। আর কেউ নেই এ জালিমদের মদদগার।৯

.

দু‘আ-৭৮

اَللّٰهُمَّ أَعِنَّا عَلٰى ذِكْرِكَ وَ شُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَ تِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লা–হুম্মা আ’ই ন্না ‘আলা জিকরিকা ওয়া শু্করিকা ওয়া হু্সনি ইবাদাতিকা।

অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাদের সাহায্য করুন আপনার স্মরণ, আপনার শোকর ও আপনার সুন্দর বন্দেগীর জন্য।৭৮

১০.

দু‘আ-৯২ (দুনিয়াবী সুস্থতা ও উভয় জগতের কল্যাণ চেয়ে দু‘আ)

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ دِيْنِيْ وَدُنْيَايَ وَأَهْلِيْ وَمَالِيْ. اَللّٰهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِيْ وَاۤمِنْ رَوْعَاتِيْ. اَللّٰهُمَّ احْفَظْنِيْ مِنْۢ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِيْ، وَعَنْ يَّمِيْنِيْ وَعَنْ شِمَالِيْ وَمِنْ فَوْقِيْ، وَأَعُوْذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِيْ .
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে প্রার্থনা করি ক্ষমা ও নিরাপত্তা আমার দ্বীনের জন্য, দুনিয়ার জন্য, পরিজন ও সম্পদের জন্য। ইয়া আল্লাহ! আমার দোষ আবৃত করুন এবং ভীতিকে নিরাপত্তার দ্বারা বদলে দিন। ইয়া আল্লাহ! আমাকে রক্ষা করুন আমার সামনে থেকে, পিছন থেকে, ডান থেকে, বাম থেকে এবং উপর থেকে (অর্থাৎ সম্ভাব্য সকল দিক থেকে)। আর আপনার বড়ত্বের দোহাই, আমি আশ্রয় চাই অতর্কিত নীচের দিক হতে আক্রান্ত হওয়া থেকে (অর্থাৎ দুনিয়া-আখিরাতের কোথাও যেন অতর্কিত শাস্তি ও বিপদের মুখোমুখি না হই)।৯৩

১১.

দু‘আ-৯৪

أَسْأَلُكَ بِنُوْرِ وَجْهِكَ الَّذِيْۤ أَشْرَقَتْ لَهُ السَّمٰوٰتُ وَالأَرْضُ، وَبِكُلِّ حَقٍّ هُوَ لَكَ، وَبِحَقِّ السَّآئِلِيْنَ عَلَيْكَ أَنْ تُقِيْلَنِيْ وَأَنْ تُجِيْرَنِيْ مِنَ النَّارِ بِقُدْرَتِكَ.
অর্থঃ

আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আপনার ঐ নূরে ওয়াজহের (জ্যোতির) অসিলায়, যার দ্বারা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী আলোকপ্রাপ্ত হয়েছে এবং আপনার সকল অধিকারের অসিলায়, আর আপনার উপর ভিখারীদলের যে অধিকার তার অসিলায় আমাকে ক্ষমা করুন এবং নিজ কুদরতে জাহান্নামের আগুন থেকে আমাকে রক্ষা করুন।৯৫

১২.

দু‘আ-১১১

اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيْ بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِيْ بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার হালাল রিযিকের মাধ্যমে আমাকে হারাম রুযি থেকে রক্ষা করুন এবং নিজ করুণায় আপনি ছাড়া আর সবার থেকে আমাকে বেনিয়ায করুন।১০৮

১৩.

দু‘আ-১২৪

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْۤ أَخْشَاكَ كَأَنِّيْۤ أَرٰكَ أَبَدًا حَتّٰىۤ أَلْقَاكَ، وَأَسْعِدْنِيْ بِتَقْوَاكَ، وَلَا تُشْقِنِيْ بِمَعْصِيَتِكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে আপনার এমন ভয় দান করুন, যেন আপনাকে সর্বক্ষণ দেখছি।১২০ (আর এ-ই যেন হয় আমার অবস্থা) আপনার সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত। আর আমাকে তাকওয়ার খোশনসীবী দান করুন এবং নাফরমানীর বদনসীবী থেকে রক্ষা করুন।১২১

১৪.

দু‘আ-৯৩

يَا حَيُّ! يَا قَيُّوْمُ! بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْثُ، أَصْلِحْ لِيْ شَأْنِيْ كُـلَّهٗ، ولَا تَكِلْـنِيْ إِلٰى نَفْسِيْ طَرْفَةَ عَيْنٍ.
অর্থঃ

ইয়া হাইউ! ইয়া কাইয়ূমু! আপনার রহম-করমের তোফায়েলে ফরিয়াদ, আমার জন্য দুরস্ত করে দিন আমার সকল কিছু আর আমাকে এক লমহার জন্যও ছেড়ে দিয়েন না আমার নিজের দায়িত্বে।৯৪

১৫.

দু‘আ-১১০

اَللّٰهُمَّ إِلٰهَ جِبْرَئِيْلَ وَمِيْكَآئِيْلَ وَإِسْرَافِيْلَ! وَإِلٰهَ إِبْرَاهِيْمَ وَإِسْمَاعِيْلَ وَإِسْحٰقَ! عَافِنِيْ وَلَا تُسَلِّطَنَّ أَحَدًا مِّنْ خَلْقِكَ عَلَيَّ بِشَيْءٍ لَّا طَاقَةَ لِيْ بِه.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! জিবরাইল, মিকাইল ও ইসরাফীলের মাবুদ! ইবরাহীম, ইসমাইল ও ইসহাকের মাবুদ! আমাকে আফিয়াত (সুস্থতা ও নিরাপত্তা) দান করুন। আপনার কোনো সৃষ্টিকে আমার উপর এমন কিছুর সাথে আরোপ কোরেন না, যা বহন করার শক্তি আমার নেই।১০৭

১৬.

সূরা আল আ'রাফ ( আয়াত নং ১১৭ - ১২২ )

وَ اَوْحَیْنَاۤ اِلٰی مُوْسٰۤی اَنْ اَلْقِ عَصَاكَ ۚفَاِذَا هِیَ تَلْقَفُ مَا یَاْفِكُوْن﴿۱۱۷﴾ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا کَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ﴿۱۱۸﴾ فَغُلِبُوْا هُنَالِكَ وَانْقَلَبُوْا صٰغِرِیْنَ ﴿۱۱۹﴾ وَ اُلْقِیَ السَّحَرَةُ سٰجِدِیْنَ ﴿۱۲۰﴾ قَالُوْۤا اٰمَنَّا بِرَبِّ الْعٰلَمِیْنَ ﴿۱۲۱﴾ رَبِّ مُوْسٰی وَهٰرُوْنَ ﴿۱۲۲﴾
উচ্চারণঃ

ওয়া আওহাইনাইলা-মূছাআন আলকি‘আসা-কা ফাইযা-হিয়া তালকাফুমাইয়া’ফিকূন। ফাওয়াকা‘আল হাক্কুওয়া বাতালা মা-কা-নূইয়া‘মালূন। ফাগুলিবূহুনা-লিকা ওয়ান কালাবূসা-গিরীন। ওয়া উলকিয়াছছাহারাতুছা-জিদীন। কা-লূআ-মান্না-বিরাব্বিল ‘আ-লামীন। রাব্বি মূছা-ওয়া হা-রূন।

অর্থঃ

(117) তখন আমি মূসাকে আদেশ দিলাম যে, তুমি তোমার লাঠিখানা নিক্ষেপ করো; আর অমনি তা তাদের বানানো বস্তুগুলোকে গিলে ফেলতে লাগল। (118) ফলে সত্য প্রমাণিত হল আর তাদের কর্মকাণ্ড অকার্যকর হয়ে গেল। (119) এভাবে তারা সেখানে পরাভূত হল এবং লাঞ্ছিত হয়ে ফিরে গেল। (120) যাদুকরেরা সেজদায় পড়ে গেল। (121) তারা বলল, “আমরা বিশ্বপ্রভুর প্রতি ঈমান এনেছি; (122) যিনি মূসা ও হারূনের প্রভু।”

১৭.

সূরা ইউনুস ( আয়াত নং ৮১-৮২ )

{(80) فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَى مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ (81) وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ (82)} [يونس: 80 - 82]
উচ্চারণঃ

ফালাম্মাআলকাও কা-লা মূছা- মা-জি’তুম বিহিছছিহরু ইন্নাল্লা-হা ছাইউবতিলুহূ ইন্নাল্লা-হা লা-ইউসলিহু‘আমালাল মুফছিদীন। ওয়া ইউহিক্কুল্লা-হুল হাক্কা বিকালিমা-তিহী ওয়ালাও কারিহাল মুজরিমূন।

অর্থঃ

(81) অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল তখন মূসা বলল, “তোমরা যা এনেছো তা যাদু। অচিরেই আল্লাহ তা নস্যাৎ করে দেবেন। আল্লাহ তো অনর্থ সৃষ্টিকারীদের কর্ম ঠিক রাখেন না। (82) এবং অপরাধীরা পছন্দ না করলেও আল্লাহ তাঁর বাণী দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করে থাকেন।”

১৮.

সূরা আল জ্বিন ( আয়াত নং ১ - ৯ )

بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ قُلْ اُوْحِیَ اِلَیَّ اَنَّهُ اسْتَمَعَ نَفَرٌ مِّنَ الْجِنِّ فَقَالُوْۤا اِنَّا سَمِعْنَا قُرْاٰنًا عَجَبًا ﴿۱﴾ یَّہْدِیْۤ اِلَی الرُّشْدِ فَاٰمَنَّا بِہٖ ؕ وَ لَنْ نُّشْرِكَ بِرَبِّنَاۤ اَحَدًا ﴿۲﴾ وَّ اَنَّہٗ تَعٰلٰی جَدُّ رَبِّنَا مَا اتَّخَذَ صَاحِبَةً وَّ لَا وَلَدًا ﴿۳﴾ وَّ اَنَّہٗ کَانَ یَقُوْلُ سَفِیْهُنَا عَلَی اللّٰهِ شَطَطًا ﴿۴﴾ وَّ اَنَّا ظَنَنَّاۤ اَنْ لَّنْ تَقُوْلَ الْاِنْسُ وَ الْجِنُّ عَلَی اللّٰهِ کَذِبًا ﴿۵﴾ وَّ اَنَّہٗ کَانَ رِجَالٌ مِّنَ الْاِنْسِ یَعُوْذُوْنَ بِرِجَالٍ مِّنَ الْجِنِّ فَزَادُوْهُمْ رَهَقًا ﴿۶﴾ وَّ اَنَّهُمْ ظَنُّوْا کَمَا ظَنَنْتُمْ اَنْ لَّنْ یَّبْعَثَ اللّٰهُ اَحَدًا ﴿۷﴾ وَّ اَنَّا لَمَسْنَا السَّمَآءَ فَوَجَدْنٰهَا مُلِئَتْ حَرَسًا شَدِیْدًا وَّ شُهُبًا ﴿۸﴾ وَّ اَنَّا كُنَّا نَقْعُدُ مِنْهَا مَقَاعِدَ لِلسَّمْعِ ؕ فَمَنْ یَّسْتَمِعِ الْاٰنَ یَجِدْ لَہٗ شِهَابًا رَّصَدًا﴿۹﴾
উচ্চারণঃ

(১)কুলঊহিয়া ইলাইইয়া আন্নাহুছতামা‘আ নাফারুম মিনাল জিন্নি ফাকা-লূইন্না-ছামি‘নাকুরআ-নান ‘আজাবা- । (২)ইয়াহদীইলাররুশদি ফাআ-মান্না- বিহী ওয়া লান নুশরিকা বিরাব্বিনাআহাদা- । (৩)ওয়া আন্নাহূতা‘আ- জাদ্দুরাব্বিনা- মাত্তাখাযা সা-হিবাতাওঁ ওয়ালা- ওয়ালাদা- । (৪)ওয়া আন্নাহূকা-না ইয়াকূলুছাফীহুনা- ‘আলাল্লা-হি শাতাতা- । (৫) ওয়া আন্না- জানান্নাআল্লান তাকূলাল ইনছুওয়াল জিন্নু‘আলাল্লা-হি কাযিবা- । (৬) ওয়া আন্নাহূকা-না রিজা-লুম মিনাল ইনছি ইয়া‘ঊযূনা বিরিজা-লিম মিনাল জিন্নি ফাঝা-দূহুম রাহাকা- । (৭) ওয়া আন্নাহুম জান্নুকামা-জানানতুম আল্লাইঁ ইয়াব‘আছাল্লা- হু আহাদা- । (৮) ওয়া আন্না-লামাছনাছছামাআ ফাওয়াজাদনা-হা- মুলিইয়াত হারাছান শাদীদাওঁ ওয়া শুহুবা-। (৯) ওয়া আন্না- কুন্না- নাক‘উদুমিনহা- মাকা-‘ইদা লিছছামা‘ই ফামাইঁ ইয়াছতামি‘ইল আনা ইয়াজিদ লাহূশিহা-বাররাসাদা-।

অর্থঃ

(1) বল, “আমাকে ওহীর মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, একদল জ্বিন কান পেতে (কোরআন) শুনেছে আর বলেছে, “আমরা এক বিস্ময়কর কোরআন শুনেছি, (2) যা (সকলকে) সৎপথ প্রদর্শন করে; তাই আমরা তা বিশ্বাস করেছি। আমরা আমাদের প্রভুর সাথে কাউকে শরীক করব না। (3) উচ্চ হোক আমাদের প্রভুর মর্যাদা! তিনি কোন সঙ্গিনী কিংবা কোন সন্তান গ্রহণ করেন নি।” (4) “আমাদের নির্বোধেরা আল্লাহ সম্পর্কে অসংযত মিথ্যা বলত; (5) অথচ আমরা মনে করেছিলাম যে, মানুষ ও জ্বিন আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলবে না।” (6) “কতক মানুষ ছিল, যারা কতক জ্বিনের কাছে আশ্রয় নিত; ফলে এই জ্বিনেরা ঐ মানুষগুলোর পাপ ও অন্যায় আরো বাড়িয়ে দিয়েছিল। (7) তারা মনে করেছিল, যেমন তোমরাও মনে করো যে, আল্লাহ কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।” (8) “আমরা আসমানে গিয়ে তার (আসমানের) তথ্য সংগ্রহ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তাকে কঠোর প্রহরা ও উল্কায় পরিপূর্ণ দেখতে পেয়েছি। (9) আমরা আসমানের বিভিন্ন স্থানে (সেখানকার কথাবার্তা) শোনার জন্য বসতাম, কিন্তু এখন কেউ (তা) শুনতে চাইলে সে তার জন্য প্রস্তুত-রাখা উল্কা দেখতে পাবে।”

১৯.

সূরা বাকারা ( আয়াত নং - ১০২ )

وَاتَّبَعُوْا مَا تَتْلُوا الشَّیٰطِیْنُ عَلٰی مُلْكِ سُلَیْمٰنَ ۚ وَمَا کَفَرَ سُلَیْمٰنُ وَلٰكِنَّ الشَّیٰطِیْنَ کَفَرُوْا یُعَلِّمُوْنَ النَّاسَ السِّحْرَ ٭ وَمَاۤ اُنْزِلَ عَلَی الْمَلَکَیْنِ بِبَابِلَ هَارُوْتَ وَمَارُوْتَ ؕ وَمَا یُعَلِّمٰنِ مِنْ اَحَدٍ حَتّٰی یَقُوْلَاۤ اِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَۃٌ فَلَا تَكْفُرْ ؕ فَیَتَعَلَّمُوْنَ مِنْهُمَا مَا یُفَرِّقُوْنَ بِہٖ بَیْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِہٖ ؕ وَمَا هُمْ بِضَآرِّیْنَ بِہٖ مِنْ اَحَدٍ اِلَّا بِاِذْنِ اللّٰه ؕ وَیَتَعَلَّمُوْنَ مَا یَضُرُّهُمْ وَلَا یَنْفَعُهُمْ ؕ وَلَقَدْ عَلِمُوْا لَمَنِ اشْتَرٰىهُ مَا لَہٗ فِی الْاٰخِرَۃِ مِنْ خَلَاقٍ ۟ؕ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا بِہٖۤ اَنْفُسَهُمْ ؕ لَوْ کَانُوْا یَعْلَمُوْنَ ﴿۱۰۲﴾
উচ্চারণঃ

ওয়াত্তাবা‘উ মা-তাতলুশশাইয়া-তীনু‘আলা- মুলকি ছুলাইমা-না ওয়ামা-কাফারা ছুলাইমা-নু ওয়ালা- কিন্নাশশাইয়া-তীনা কাফারূ ইউ‘আলিলমূনান্না-ছাছছিহরা ওয়ামা উনঝিলা ‘আলাল মালাকাইনি ব্বিা-বিলা হা-রূতা ওয়ামা-রূতা ওয়ামা- ইউ‘আলিলমা-নি মিন আহাদিন হাত্তা-ইয়াকূলা ইন্নামা-নাহনুফিতনাতুন ফালা-তাকফুর ফাইয়াতা‘আল্লামূনা মিনহুমা- মা-ইউফাররিকূনা বিহী বাইনাল মারই ওয়াঝাওজিহী ওয়ামা-হুম বিদাররীনা বিহী মিন আহাদিন ইল্লা- বিইযনিল্লা-হি ওয়াইয়াতা‘আল্লামূনা মা-ইয়াদুররুহুম ওয়ালাইয়ানফা‘উহুম ওয়ালাকাদ ‘আলিমূলামানিশতারা-হু মা-লাহূফিল আ-খিরাতি মিন খালাকিওঁ ওয়ালাবি’ছা মা-শারাও বিহী আনফুছাহুম লাও কা-নূইয়া‘লামূন।

অর্থঃ

আর সুলায়মানের রাজত্বে শয়তানরা যা আবৃত্তি করত তারা তা অনুসরণ করত। সুলায়মান কুফরী করে নাই, বরং শয়তানরাই কুফরী করেছিল। তারা মানুষকে জাদু শিক্ষা দিত এবং যা বাবিল শহরে হারূত ও মারূত ফেরেশতাদ্বয়ের ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল। তারা কাউকেও শিক্ষা দিত না এ কথা না বলে যে, ‘আমরা পরীক্ষাস্বরূপ; সুতরাং তুমি কুফরী কর না।’ তারা উভয়ের নিকট হতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যা বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে তা শিক্ষা করত, অথচ আল্লাহ্ র নির্দেশ ব্যতীত তারা কারও কোন ক্ষতি সাধন করতে পারত না। তারা যা শিক্ষা করত তা তাদের ক্ষতি সাধন করত এবং কোন উপকারে আসত না; আর তারা নিশ্চিতভাবে জানত যে, যে কেউ তা ক্রয় করে পরকালে তার কোন অংশ নেই। এটা কত নিকৃষ্ট, যার বিনিময়ে তারা স্বীয় আত্মাকে বিক্রয় করেছে, যদি তারা জানত!

২০.

সূরা ত্বা-হা ( আয়াত নং - ৬৯ )

وَ اَلْقِ مَا فِیْ یَمِیْنِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوْا ؕ اِنَّمَا صَنَعُوْا کَیْدُ سٰحِرٍ ؕ وَ لَا یُفْلِحُ السَّاحِرُ حَیْثُ اَتٰی ﴿۶۹﴾
উচ্চারণঃ

ওয়া আল কিমা-ফী ইয়ামীনিকা তালকাফ মা-সানা‘ঊ ইন্নামা-সানা‘ঊ কাইদুছাহিরিওঁ ওয়ালা-ইউফলিহুছছা-হিরু হাইছুআতা-।

অর্থঃ

তুমি তোমার ডান হাতে যা আছে তা নিক্ষেপ করো, (দেখবে) তারা যা কিছু তৈরী করেছে এটা তা সব গিলে ফেলবে। তারা যা তৈরী করেছে তা তো কেবল যাদুকরের কৌশল। যাদুকর যেখানেই আসুক (যাদুবিদ্যায় যতই পারদর্শী হোক), সফল হয় না।”