দু’আ

মোট দু’আ - ৬১৯ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

মনের ব্যতিক্রম কিছু হলে পড়বে

۞ اَ لْحَمْدُ لِلّٰهِ عَلٰی كُلِّ حَالٍ
উচ্চারণঃ

আলহামদুলিল্লাহি ‘আলা কুল্লি হাল।

অর্থঃ

সর্বাবস্থায়ই আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা ও শোকর আদায় করছি।

.

দুর্ভাগ্য এবং দুশমনের হাসি থেকে রক্ষা পাওয়ার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُبِكَ مِنْ جَهْدِالْبَلَاءِ وَدَرْكِ الشَّقَاءِ وَسُوْءِ الْقَضَاءِ و شَمَاتَةِ الْاَعْدَاءِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন জাহদিল বালা-ই ওয়া দারকিশ শাক্বা-ই ওয়া সূ-ইল ক্বদা-ই ওয়া শামাতাতিল আ’দা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, অবশ্যই আমি তোমার নিকট কঠিন দুরাবস্থা, দুর্ভাগ্যের নাগাল, মন্দভাগ্য এবং দুশমনের হাসি থেকে রক্ষা কামনা করছি।

.

তালবিয়া

ইহরাম অবস্থায় ‘তালবিয়া’ পাঠ করতে হয়। তালবিয়ার বাক্যগুলো এরূপ:- ۞ لَبَّيْكَ اَللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لاَ شَرِيْكَ لَكَ
উচ্চারণঃ

লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়িক, লাব্বায়কা লা শারীকা লাকা লাব্বায়িক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্ নি’মাতা লাকা ওয়াল মূলক, লা শারীকালাক।

অর্থঃ

আমি উপস্থিত, হে আল্লাহ্! আমি উপস্থিত; আমি উপস্থিত, তোমার কোন শরীক নেই, আমি উপস্থিত; নিশ্চয় সব প্রশংসা এবং অশেষ অনুগ্রহ এবং আধিপত্যের তুমিই মালিক তোমার কোন অংশীদার নেই।

.

যমযমের পানি পান করার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَّرِزْقًا وَّاسِعًا وَّشِفَاءً مِّنْ كُلِّ دَاءٍ ۞
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান নাফি‘আও, ওয়া রিযক্বন ওয়াসি‘আও, ওয়া শিফাআম মিন কুল্লি দাইন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট উপকারী ইলম এবং প্রশস্ত রিযিক এবং সর্বপ্রকার রোগের শিফা চাচ্ছি।

.

আরাফার দিনের দু‘আ

۞ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ। লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।

অর্থঃ

আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। তিনি একক। তার কোন শরীক নাই। সকল ক্ষমতা তার এবং সকল প্রশংসার উপযুক্ত তিনিই। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

.

মুজদালিফার দু‘আ

۞ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ ، أَنْجَزَ وَعْدَهٗ ، وَنَصَرَ عَبْدَهٗ ، وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهٗ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ। লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু, আনজাযা ওয়াদাহু, ওয়া নাসারা আবদাহু, ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহ।

.

অতিবৃষ্টি বন্ধের জন্য দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا، اَللّٰهُمَّ عَلَى الْاۤكَامِ وَالظِّرَابِ، وَبُطُوْنِ الْأَوْدِيَةِ، وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়া লা-‘আলাইনা। আল্লাহুম্মা আলাল আকামি ওয়ায্যিরাবি ওয়া বুতূনিল আওদিয়াতি ওয়া মানাবিতিশ শাজারি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! এ বৃষ্টি আমাদের আশপাশে (যেখানে প্রয়োজন) বর্ষণ করুন এবং আমাদের উপর (যেখানে প্রয়োজন নেই) বর্ষণ করবেন না। হে আল্লাহ! উঁচু ভূমিতে, পাহাড়ে, উপত্যকায় কোলে ও বনাঞ্চলে (বর্ষণ করুন)

.

নতুন চাঁদ দেখে পড়ার দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ اَهِلَّهٗ عَلَيْنَا بِالْاَمْنِ وَالْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْاِسْلَامِ رَبِّيْ وَرَبُّكَ اللّٰهُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু ‘আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ইমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলামি, রাব্বী ওয়া রব্বুকাল্লাহ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ, এই চাঁদকে আমাদের উপর বরকত, ইমান, শান্তি ও ইসলামের সহিত উদিত করুন, হে চাঁদ, আমার ও তোমার রব আল্লাহ তা’আলা।

.

রজব ও শা‘বান মাসের দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْ رَجَبَ وَشَعْبَانَ وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী রজাবা ওয়া শা‘বানা ওয়া বাল্লিগনা রমাযানা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে রজব ও শা’বান মাসের বরকত দান করুন ও আমাদেরকে রামাযান মাসে পৌঁছে দিন।

১০.

রমযান মাসে পড়ার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَسْئَلُكَ الْجَنَّةَ وَنَعُوْذُبِكَ مِنَ النَّارِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকাল জান্নাতা ওয়া না‘ঊযুবিকা মিনান নারি।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে জান্নাত দান করেন এবং জাহান্নাম থেকে রক্ষা করেন।

১১.

ইফতারের সময় পড়বে-২

۞ اَللّٰهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلٰى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিজকিকা আফত্বারতু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যেই রোযা রেখেছি এবং আপনার রিযিক দ্বারা ইফতার করছি।

১২.

ইফতারের পর এ দু‘আ পড়বে খেজুর দিয়ে ইফতার করা নবীজী (ﷺ) খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। তাই খেজুর দিয়ে ইফতার করা মুস্তাহাব। খেজুর না পেলে পানি দিয়ে। নবীজী (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ ইফতার করলে সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে। খেজুর না থাকলে পানি দিয়ে। কেননা তা পবিত্র বস্তু। সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৬৯৫

۞ ذَهَبَ الظَّمَأُ. وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ. وَثَبَتَ الْاَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ
উচ্চারণঃ

জাহাবায যমাউ ওয়াব তাল্লাতিল ‘উরূক্বু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ।

অর্থঃ

পিপাসা দূরীভূত হয়েছে, ধমনী সমূহ সতেজ হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ (রোযার সওয়াব) নিশ্চিত হয়েছে।

১৩.

তাকবীরে তাশরীক

۞ اَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. وَ لِلّٰهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

অর্থঃ

আল্লাহ মহান! আল্লাহ মহান! আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, এবং আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

১৪.

সাহরী খাওয়া

সাহরীর গুরুত্ব: রোযার নিয়তে সুবহে সাদিকের পূর্বে যে খাবার গ্রহণ করা হয় তা হল সাহরী। সাহরী খাওয়া সুন্নত। সাহরীতে পেট ভরে খাওয়া আবশ্যক নয়; এক দুই ঢোক পানি পান করেও এ সুন্নত আদায় করা যায়। শেষ ওয়াক্তে সাহরী গ্রহণ করা উত্তম: সাহরী করা যেমন মুস্তাহাব তেমনি তা ওয়াক্তের শেষ দিকে করাও উত্তম। অর্থাৎ সতর্কতামূলক সময় হাতে রেখে সুবহে সাদিকের পূর্ব-নিকটবর্তী সময়ে সাহরী করা ভালো। নবীজী (ﷺ) বলেন, আমরা নবীগণ এ মর্মে আদিষ্ট হয়েছি যে, সময় হওয়ার সাথে সাথেই ইফতার করব এবং শেষ ওয়াক্তে সাহরী গ্রহণ করব। (আল-মুজামুল আওসাত, তবারানী, হাদীস নং: ১৮৮৪; মাজমাউয যাওয়ায়েদ, হাদীস নং: ৪৮৮০) সাহাবায়ে কেরামের আমলও এরকম ছিল। হযরত আমর ইবনে মাইমুন আলআউদী রাহ. বলেন সাহাবায়ে কেরাম সময় হওয়ার সাথে সাথেই দ্রুত ইফতার করতেন আর শেষ ওয়াক্তে সাহরী করতেন। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ৭৫৯১; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৮৯৩২) সাহরীতে রয়েছে বরকত কিন্তু তা গ্রহণ করা ওয়াজিব নয়। কেননা নবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ একটানা রোযা পালন করেছেন অথচ সেখানে সাহরির কোন উল্লেখ নেই।

১৫.

অন্যের বাড়ীতে ইফতার করলে এ দু‘আ পাঠ করবে

۞ اَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُوْنَ وَاَكَلَ طَعَامَكُمُ الْاَ بْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ
উচ্চারণঃ

আফত্বরা ‘ইনদাকুমুস সা-ইমূন ওয়া আকালা ত্ব‘আমাকুমুল আবরার, ওয়া সল্লাত ‘আলাইকুমুল মালাইকাতু।

অর্থঃ

রোযাদারগণ যেন তোমাদের বাড়ীতে ইফতার করে এবং নেক লোকেরা যেন তোমাদের খানা খায় এবং ফেরেশতাগণ যেন তোমাদের উপর রহমতের দু‘আ করে।

১৬.

সাফা এবং মারওয়া পাহাড়ে আরোহণের দু‘আ

۞ إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ أَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللهُ بِه اَللّٰهُ أَكْبَرْ ، اَللّٰهُ أَكْبَرْ ، اَللّٰهُ أَكْبَرْ ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ ، أَنْجَزَ وَعْدَهٗ ، وَنَصَرَ عَبْدَهٗ ، وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهٗ
উচ্চারণঃ

ইন্নাস সাফা ওয়াল মারওয়াতা মিন শা‘আইরিল্লাহ। আবদাউ বিমা বাদাআল্লাহু বিহী। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াহদাহু লা শরীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইন কাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু আনজাযা ওয়াদাহু, ওয়া নাসারা আবদাহু, ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহু।

অর্থঃ

নিশ্চয়ই সাফা-মারওয়া পাহাড় আল্লাহর নিদর্শানাবলীর মধ্য থেকে অন্যতম নিদশর্ন। আল্লাহ যেভাবে শুরু করেছেন, আমিও সেভাবে শুরু করছি। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। তিনি একক। তার কোন শরীক নাই। সকল ক্ষমতা তার এবং সকল প্রশংসার উপযুক্ত তিনিই। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, তিনি একক, তিনি তার ওয়াদা পূরন করেন, তার বান্দাদের সাহায্য করেন এবং একাই সম্মিলিত দুশমন বাহিনীকে পরাজিত করেন।

১৭.

দু‘আ-৯৯

لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ لَا شَرِيْكَ لَكَ سُبْحَانَكَ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْتَغْفِرُكَ لِذَنْۢبِيْ وَأَسْأَلُكَ رَحْمَتَكَ .
অর্থঃ

আপনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, আপনি পবিত্র মহান।৯৯ ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে ক্ষমা চাই আমার সকল গুনাহ থেকে, আর আপনার কাছে চাই আপনার করুণা।

১৮.

বজ্রপাতের সময়/মেঘের গর্জন শুনলে পড়বে-২

۞ سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِ هٖ وَالْمَلاَئِكةُ مِنْ خِيفَتِهٖ
উচ্চারণঃ

সুবহা-নাল্লাযী ইউসাব্বিহুর রা‘দু বিহামদিহি ওয়ালমালাইকাতু মিন খী-ফাতিহি

অর্থঃ

পবিত্র-মহান সেই সত্তা, যার ভয়ে রা‘দ ফেরেশতাসহ সকল ফেরেশতা মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে।

১৯.

বেশি বৃষ্টি হলে এই দু‘আ পড়বে

۞ اَللّٰهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا
উচ্চারণঃ

আল্লহুম্মা হাওয়া লাইনা ওয়ালা ‘আলাইনা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! এ বৃষ্টি আমাদের আশপাশে (যেখানে প্রয়োজন) বর্ষণ করুন এবং আমাদের উপর (যেখানে প্রয়োজন নেই) বর্ষণ করবেন না।

২০.

পশু জবাইয়ের দু‘আ সমূহ

কুরবানীর পশু জবাই করার পূর্বে-১ ۞ إِنِّيْ وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِيْ فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ حَنِيْفًا وَّمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ إِنَّ صَلَاتِيْ وَنُسُكِيْ وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِيْ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ لَا شَرِيْكَ لَهٗ وَبِذٰلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِيْنَ اَللّٰهُمَّ مِنْكَ وَلَكَ উচ্চারণ: ইন্নী ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাতারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানীফাওঁ ওয়া মা আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না সালাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহইয়া-ইয়া ওয়া মামাতী লিল্লাহি রাব্বিল ‘আলামীন। লা শারীকা লাহু ওয়া বি-যালিকা উমিরতু ওয়া আনা আওয়ালুল মুসলিমীন। আল্লাহুম্মা মিনকা ওয়া লাকা। অর্থ: নিশ্চয়ই আমি দৃঢ়ভাবে সেই মহান সত্তার অভিমুখী হলাম, যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। আমি মুশরিকদের অন্তর্গত নই। নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মরণ—সবই বিশ্ব প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্য নিবেদিত। তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি এ কাজের জন্য আদিষ্ট হয়েছি। আর আমি মুসলিমদের একজন। হে আল্লাহ্! এটি তোমারই পক্ষ থেকে এবং তোমারই জন্য। (সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং: ২৭৯৫; সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নং: ৩১২১) পশু জবাই করার সময় পড়ার দু‘আ-২ ۞ بِسْمِ اللهِ اَللهُ أَكْبَرْ উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার অর্থ: শুরু করছি আল্লাহর নামে, (কুরবানী করছি) যিনি সবচেয়ে মহান। বি:দ্র: পুরো দু‘আ না পারলেও অন্তত বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার বলে কুরবানী করতে হবে। আল্লাহর নাম ছাড়া কোনভাবেই কুরবানী জায়েজ হবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, যার উপর আল্লাহর নাম (বিসমিল্লাহ) উচ্চারণ করা হয়েছে তা থেকে তোমরা আহার করো। (সূরা আনআম, আয়াত: ১১৮) হাদিসে এসেছে- রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুটি শিংওয়ালা ভেড়া জবাই করলেন, তখন ‘বিসমিল্লাহ’ ও আল্লাহু আকবার’ বললেন। (সুনানে দারিমী, হাদীস নং: ১৯৮৮) পশু জবাই করার পর -৩ ۞ اَللّٰهُمَّ تَقَبَّلْهُ مِنِّىْ كَمَا تَقَبَّلْتَ مِنْ حَبِيْبِكَ سَيِّدِنَا رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَخَلِيْلِكَ سَيِّدِنَا إِبْرَاهِيْمَ عَلَيْهِ السَّلاَمِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা তাক্বাব্বালহু মিন্নী কামা তাক্বাব্বালতা মিন হাবীবিকা সাইয়্যিদিনা রসূলিল্লাহি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওয়া খলীলিকা সাইয়্যিদিনা ইবরাহীমা আলাইহিস সালাম। অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি এটি আমার পক্ষ থেকে কবুল করুন, যেভাবে কবুল করেছিলেন আপনার প্রিয় হাবীব হযরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং আপনার খলীল হযরত ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) এর কাছ থেকে। (সুনানে ইবনে মাজা, হাদীস নং: ৩১২১)