মা'আরিফুল হাদীস
معارف الحديث
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩২২ টি
হাদীস নং: ২৪১
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৪১. হযরত আবূ উমামা (রা) রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এ দু'আটি রিওয়ায়াত করেছেন:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ نَفْسًا مُطْمَئِنَّةً تُؤْمِنُ بِلِقَائِكَ وَتَرْضَى بِقَضَائِكَ وَتَقْنَعُ بِعَطَائِكَ
-"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি পরিতৃপ্ত হৃদয়, মৃতুর পর তোমার সদনে হাযির হওয়ার প্রত্যয়ে যে হৃদয় প্রত্যয়ী, তোমার ফয়সালায় যে সন্তুষ্ট, তোমার পক্ষ থেকে যে দানই প্রদও হোক তাতেই যে তৃপ্ত।”
(মুখতারা যিয়া মাকদেসী সঙ্কলিত এবং মু'জামে কবীর তাবারানী সঙ্কলিত)
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ نَفْسًا مُطْمَئِنَّةً تُؤْمِنُ بِلِقَائِكَ وَتَرْضَى بِقَضَائِكَ وَتَقْنَعُ بِعَطَائِكَ
-"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি পরিতৃপ্ত হৃদয়, মৃতুর পর তোমার সদনে হাযির হওয়ার প্রত্যয়ে যে হৃদয় প্রত্যয়ী, তোমার ফয়সালায় যে সন্তুষ্ট, তোমার পক্ষ থেকে যে দানই প্রদও হোক তাতেই যে তৃপ্ত।”
(মুখতারা যিয়া মাকদেসী সঙ্কলিত এবং মু'জামে কবীর তাবারানী সঙ্কলিত)
کتاب الاذکار والدعوات
عن أبي أُمَامَةَ (مَرْفُوْعًا) قُلْ «اللهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ نَفْسًا بِكَ مُطْمَئِنَّةً، تُؤْمِنُ بِلِقَائِكَ، وَتَرْضَى بِقَضَائِكَ، وَتَقْنَعُ بِعَطَائِكَ» (رواه الضياء فى المختاره والطبرانى فى الكبير)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪২
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৪২. হারিছ আ'ওয়ার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা হযরত আলী (রা) আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন: আমি কি তোমাকে এমন একটি দু'আ শিক্ষা দেবো, যা স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে শিক্ষা দিয়েছেন। আমি বললাম অবশ্যই। তিনি বললেন তুমি বলবে:
اَللّٰهُمَّ افْتَحْ مَسَامِعَ قَلْبِي لِذِكْرِكَ وَارْزُقْنِي طَاعَتَكَ وَطَاعَةَ رَسُولِكَ وَعَمَلَا بِكِتَابِكَ
-"হে আল্লাহ! তুমি তোমার যিকর তথা হিদায়াত ও কুরআনের জন্যে আমার হৃদয়ের কানসমূহকে খুলে দাও! আমাকে তোমার ও তোমার রাসূলের তাবেদারী এবং তোমার কিতাবের উপর আমল করার তাওফীক দান কর।"
-(মু'জামে আওসত-তাবারানী সঙ্কলিত)
اَللّٰهُمَّ افْتَحْ مَسَامِعَ قَلْبِي لِذِكْرِكَ وَارْزُقْنِي طَاعَتَكَ وَطَاعَةَ رَسُولِكَ وَعَمَلَا بِكِتَابِكَ
-"হে আল্লাহ! তুমি তোমার যিকর তথা হিদায়াত ও কুরআনের জন্যে আমার হৃদয়ের কানসমূহকে খুলে দাও! আমাকে তোমার ও তোমার রাসূলের তাবেদারী এবং তোমার কিতাবের উপর আমল করার তাওফীক দান কর।"
-(মু'জামে আওসত-তাবারানী সঙ্কলিত)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنِ الْحَارِثِ قَالَ: قَالَ لِىْ عَلِيٌّ أَلَا أُعَلِّمُكَ دُعَاءً عَلَّمَنِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: قُلْتُ: بَلَى. قَالَ: قُلْ: «اللَّهُمَّ افْتَحْ مَسَامِعَ قَلْبِي لِذِكْرِكَ، وَارْزُقْنِي طَاعَتَكَ وَطَاعَةَ رَسُولِكَ، وَعَمَلًا بِكِتَابِكَ» (رواه الطبرانى فى الاوسط)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৩
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৪৩. হযরত আবু হুরায়রা (রা) রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এ দু'আটি রিওয়ায়াত করেছেন:
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي أَخْشَاكَ كَأَنِّي أَرَاكَ أَبَدًا حَتَّى اَلْقَاكَ وَأَسْعِدْنِي بتَقْوَاكَ وَلَا تُشْقِنِي بِمَعْصِيَتِكَ
"হে আল্লাহ! আমার অবস্থা এমন করে দাও, যেন তোমার দরবারে হাযির হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ আমৃত্যু তোমার ক্রোধ ও দাপটের ভয়ে এমনি ভীত-সন্ত্রস্ত থাকি, যেন অহরহ আমি তোমাকে দেখতে পাচ্ছি, তোমার ভয়-ভীতি-তাকওয়া দিয়ে আমাকে ভাগ্যবান কর এবং তোমার না-ফরমানীতে লিপ্ত করে আমাকে ভাগ্য বিড়ম্বিত ও অভাগা বানিয়োনা।"
- (মু'জামে আওসাত: তাবারানী সঙ্কলিত)
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي أَخْشَاكَ كَأَنِّي أَرَاكَ أَبَدًا حَتَّى اَلْقَاكَ وَأَسْعِدْنِي بتَقْوَاكَ وَلَا تُشْقِنِي بِمَعْصِيَتِكَ
"হে আল্লাহ! আমার অবস্থা এমন করে দাও, যেন তোমার দরবারে হাযির হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ আমৃত্যু তোমার ক্রোধ ও দাপটের ভয়ে এমনি ভীত-সন্ত্রস্ত থাকি, যেন অহরহ আমি তোমাকে দেখতে পাচ্ছি, তোমার ভয়-ভীতি-তাকওয়া দিয়ে আমাকে ভাগ্যবান কর এবং তোমার না-ফরমানীতে লিপ্ত করে আমাকে ভাগ্য বিড়ম্বিত ও অভাগা বানিয়োনা।"
- (মু'জামে আওসাত: তাবারানী সঙ্কলিত)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ (مَرْفُوْعًا) اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي أَخْشَاكَ حَتَّى كَأَنِّي أَرَاكَ أَبَدًا حَتَّى أَلْقَاكَ، وَأَسْعِدْنِي بِتَقْوَاكَ، وَلَا تُشْقِنِي بِمَعْصِيَتِكَ. (رواه الطبرانى فى الاوسط)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৪
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৪৪. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এ দু'আটি রিওয়ায়াত করেছেন:
اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي عَيْنَيْنِ هَطَّالَتَيْنِ تَسْقِيَانِ الْقَلْبَ بِذُرُوفِ الدَّمْعِ مِنْ خَشْيَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَكُوْنَ الدَّمُ دَمْعًا وَالْأَضْرَاسُ جَمْرًا -
"হে আল্লাহ! আমাকে এমন দু'টি অশ্রু বর্ষণকারী চোখ দান কর, যা তোমার ভয়ে অশ্রুবর্ষণ করে আমার হৃদয়কে সিক্ত করে সে দিনের পূর্বে, যে দিন অনেক চোখই রক্তাশ্রু বর্ষণ করবে আর অনেক অপরাধী ব্যক্তির চোয়ালই (জ্বলে-পুড়ে) অঙ্গারে পরিণত হবে।"
(ইব্ন আসাকির)
اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي عَيْنَيْنِ هَطَّالَتَيْنِ تَسْقِيَانِ الْقَلْبَ بِذُرُوفِ الدَّمْعِ مِنْ خَشْيَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَكُوْنَ الدَّمُ دَمْعًا وَالْأَضْرَاسُ جَمْرًا -
"হে আল্লাহ! আমাকে এমন দু'টি অশ্রু বর্ষণকারী চোখ দান কর, যা তোমার ভয়ে অশ্রুবর্ষণ করে আমার হৃদয়কে সিক্ত করে সে দিনের পূর্বে, যে দিন অনেক চোখই রক্তাশ্রু বর্ষণ করবে আর অনেক অপরাধী ব্যক্তির চোয়ালই (জ্বলে-পুড়ে) অঙ্গারে পরিণত হবে।"
(ইব্ন আসাকির)
کتاب الاذکار والدعوات
عن ابن عمر (مَرْفُوْعًا) "اللهم ارزقني عينين هطالتين، تشفيان القلب بذروف الدمع من خشيتك قبل أن تكون الدموع دما، والأضراس جمرا" (رواه ابن عساكر)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৫
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৪৫. হযরত হায়সম ইব্ন মালিক তাঈ (রা) রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এ দু'আটি রিওয়ায়াত করেছেনঃ
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أَحَبُّ الأَشْيَاء إِلَى كُلِّهَا وَاجْعَلْ خَشْيَتَكَ أخْوَفَ الْأَشْيَاء عِنْدِي وَاقْطَع عَنِّى حَاجَاتِ الدُّنْيَا بِالشَّوْقِ إِلَى لِقَائِكَ وَإِذَا أَقْرَرْتَ أَعْيُنَ أَهْلِ الدُّنْيَا مِنْ دُنْيَاهُمْ فَأَقْرِرْ عَيْنِي مِنْ عِبَادَتِكَ
"হে আল্লাহ! পৃথিবীর তাবৎ বস্তু থেকে তোমার প্রতি ভালবাসাকেই আমার জন্যে প্রিয়তম করে দাও! তোমার ভয়কেই আমার কাছে সব চাইতে বেশি ভযের বস্তু করে দাও। তোমার সাথে সাক্ষাতের আগ্রহ আমার অন্তরে এত প্রবল করে দাও, যাতে আমার অন্তর যেন পৃথিবীর অন্য কিছুর প্রয়োজনই বোধ না করে। আর যেখানে তুমি অনেক পৃথিবীবাসীকে তাদের ঈম্পিত বস্তুসমূহ দান করে তাদের চোখ জুড়াও, তখন তুমি তোমার ইবাদত দিয়ে আমার চোখ জুড়িয়ে দিও!" (আবু নুআয়ম: হিলইয়া)
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أَحَبُّ الأَشْيَاء إِلَى كُلِّهَا وَاجْعَلْ خَشْيَتَكَ أخْوَفَ الْأَشْيَاء عِنْدِي وَاقْطَع عَنِّى حَاجَاتِ الدُّنْيَا بِالشَّوْقِ إِلَى لِقَائِكَ وَإِذَا أَقْرَرْتَ أَعْيُنَ أَهْلِ الدُّنْيَا مِنْ دُنْيَاهُمْ فَأَقْرِرْ عَيْنِي مِنْ عِبَادَتِكَ
"হে আল্লাহ! পৃথিবীর তাবৎ বস্তু থেকে তোমার প্রতি ভালবাসাকেই আমার জন্যে প্রিয়তম করে দাও! তোমার ভয়কেই আমার কাছে সব চাইতে বেশি ভযের বস্তু করে দাও। তোমার সাথে সাক্ষাতের আগ্রহ আমার অন্তরে এত প্রবল করে দাও, যাতে আমার অন্তর যেন পৃথিবীর অন্য কিছুর প্রয়োজনই বোধ না করে। আর যেখানে তুমি অনেক পৃথিবীবাসীকে তাদের ঈম্পিত বস্তুসমূহ দান করে তাদের চোখ জুড়াও, তখন তুমি তোমার ইবাদত দিয়ে আমার চোখ জুড়িয়ে দিও!" (আবু নুআয়ম: হিলইয়া)
کتاب الاذکار والدعوات
عن الهيثم الطائي (مَرْفُوْعًا) اللَّهُمَّ اجْعَل حبك أحب الْأَشْيَاء إِلَيّ وَاجعَل خشيتك أخوف الْأَشْيَاء عِنْدِي واقطع عني حاجات الدُّنْيَا بالشوق إِلَى لقائك وَإِذا أَقرَرت أعين أهل الدُّنْيَا من دنياهم فأقرر عَيْني من عبادتك. (رواه ابو نعيم فى الحلية)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৬
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৪৬. হযরত আবুদ দারদা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহর নবী দাউদ (আ) যে দু'আ করতেন তা ছিল এরূপঃ
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ حُبَّكَ وَحُبُّ مَنْ يُحِبُّكَ وَالْعَمَلَ الَّذِي يُبَلِّغْنِي حُبَّكَ اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أَحَبَّ إِلَيَّ مِنْ نَفْسِي وَأَهْلِي وَمِنَ الْمَاءِ الْبَارِدِ
"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি তোমার ভালবাসা এবং তোমাকে যারা ভালবাসে তাদের ভালবাসা আর সে আমল, যা আমাকে তোমার ভালবাসার মাকামে পৌঁছাবে। হে আল্লাহ! তোমার ভালবাসাকে আমার কাছে আমার নিজের প্রাণ ও নিজের পরিবারবর্গ এবং শীতল পানির চাইতেও প্রিয়তর করে দাও!
রাবী হযরত আবুদ্দারদা (রা) বলেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ যখনই হযরত দাউদ (আ) -এর কথা উল্লেখ করতেন তখন তাঁর সম্পর্কে এও বলতেন যে, তিনি ছিলেন সর্বাধিক ইবাদত গুযার বান্দা।
-(জামে' তিরমিযী)
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ حُبَّكَ وَحُبُّ مَنْ يُحِبُّكَ وَالْعَمَلَ الَّذِي يُبَلِّغْنِي حُبَّكَ اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أَحَبَّ إِلَيَّ مِنْ نَفْسِي وَأَهْلِي وَمِنَ الْمَاءِ الْبَارِدِ
"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি তোমার ভালবাসা এবং তোমাকে যারা ভালবাসে তাদের ভালবাসা আর সে আমল, যা আমাকে তোমার ভালবাসার মাকামে পৌঁছাবে। হে আল্লাহ! তোমার ভালবাসাকে আমার কাছে আমার নিজের প্রাণ ও নিজের পরিবারবর্গ এবং শীতল পানির চাইতেও প্রিয়তর করে দাও!
রাবী হযরত আবুদ্দারদা (রা) বলেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ যখনই হযরত দাউদ (আ) -এর কথা উল্লেখ করতেন তখন তাঁর সম্পর্কে এও বলতেন যে, তিনি ছিলেন সর্বাধিক ইবাদত গুযার বান্দা।
-(জামে' তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: كَانَ مِنْ دُعَاءِ دَاوُدَ يَقُولُ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ حُبَّكَ، وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ، وَالعَمَلَ الَّذِي يُبَلِّغُنِي حُبَّكَ، اللَّهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أَحَبَّ إِلَيَّ مِنْ نَفْسِي وَأَهْلِي، وَمِنَ الْمَاءِ البَارِدِ قَالَ: وَكَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا ذَكَرَ دَاوُدَ يُحَدِّثُ عَنْهُ قَالَ: كَانَ أَعْبَدَ البَشَرِ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৭
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৪৭. হযরত আবদুল্লাহ ইব্ন য়াযীদ খাতিমী আনসারী (রা) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর দু'আর মধ্যে এরূপও বলতেন:
اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يَنْفَعُنِي حُبَّهُ عِنْدَكَ اَللّٰهُمَّ مَا رَزَقْتَنِي مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ قُوَّةً لِى فِيْمَا تُحِبُّ وَمَا زَوَيْتَ عَنِّى مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ فَرَاعًا لِي فِيمَا تُحِبُّ
-"হে আল্লাহ! আমাকে অন্তরে তোমার ভালবাসা দান কর এবং যার ভালবাসা তোমার নিকট আমার উপকারে আসবে তাঁর ভালবাসাও দান কর। হে আল্লাহ! আমার পসন্দনীয় যে সব বস্তু তুমি আমাকে দান করেছো, সেগুলো দিয়ে তোমার পসন্দনীয় কাজের শক্তি আমাকে দান কর। আর আমার পসন্দনীয় যে সব বস্তু তুমি আমাকে দান করো নি (এবং আমার সময়কে সেগুলো থেকে অবসর দিয়ে রেখেছো) সে অবসরকে তোমার পসন্দনীয় কাজে ব্যায়ের তাওফীক তুমি আমাকে দান কর।"
-(জামে' তিরমিযী)
اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يَنْفَعُنِي حُبَّهُ عِنْدَكَ اَللّٰهُمَّ مَا رَزَقْتَنِي مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ قُوَّةً لِى فِيْمَا تُحِبُّ وَمَا زَوَيْتَ عَنِّى مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ فَرَاعًا لِي فِيمَا تُحِبُّ
-"হে আল্লাহ! আমাকে অন্তরে তোমার ভালবাসা দান কর এবং যার ভালবাসা তোমার নিকট আমার উপকারে আসবে তাঁর ভালবাসাও দান কর। হে আল্লাহ! আমার পসন্দনীয় যে সব বস্তু তুমি আমাকে দান করেছো, সেগুলো দিয়ে তোমার পসন্দনীয় কাজের শক্তি আমাকে দান কর। আর আমার পসন্দনীয় যে সব বস্তু তুমি আমাকে দান করো নি (এবং আমার সময়কে সেগুলো থেকে অবসর দিয়ে রেখেছো) সে অবসরকে তোমার পসন্দনীয় কাজে ব্যায়ের তাওফীক তুমি আমাকে দান কর।"
-(জামে' তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الخَطْمِيِّ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي دُعَائِهِ: «اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يَنْفَعُنِي حُبُّهُ عِنْدَكَ، اللَّهُمَّ مَا رَزَقْتَنِي مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ قُوَّةً لِي فِيمَا تُحِبُّ، اللَّهُمَّ وَمَا زَوَيْتَ عَنِّي مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ فَرَاغًا لِي فِيمَا تُحِبُّ» (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৮
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৪৮. হযরত ইমরান ইবনে হুসায়ন (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এ দু'আটি শিক্ষা দিয়েছেন:
اَللّٰهُمَّ اَلْهِمْنِي رُشْدِي وَأَعِذْنِي مِنْ شَرِّ نَفْسِي
"হে আল্লাহ! আমার অন্তরে সততা ঢেলে দাও এবং আমাকে আমার প্রবৃত্তির অনিষ্ট থেকে রক্ষা কর।" (অর্থাৎ আমাকে আমার জন্যে কল্যাণকর অভিরুচির অধিকারী কর এবং অকল্যাণকর অভিরুচি ও প্রবৃত্তি থেকে আমাকে রক্ষা কর। এর অনিষ্ট থেকে তুমি আমাকে তোমার নিজ হিফাযতে রাখো।)
(তিরমিযী)
اَللّٰهُمَّ اَلْهِمْنِي رُشْدِي وَأَعِذْنِي مِنْ شَرِّ نَفْسِي
"হে আল্লাহ! আমার অন্তরে সততা ঢেলে দাও এবং আমাকে আমার প্রবৃত্তির অনিষ্ট থেকে রক্ষা কর।" (অর্থাৎ আমাকে আমার জন্যে কল্যাণকর অভিরুচির অধিকারী কর এবং অকল্যাণকর অভিরুচি ও প্রবৃত্তি থেকে আমাকে রক্ষা কর। এর অনিষ্ট থেকে তুমি আমাকে তোমার নিজ হিফাযতে রাখো।)
(তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْ: اللَّهُمَّ أَلْهِمْنِي رُشْدِي، وَأَعِذْنِي مِنْ شَرِّ نَفْسِي. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৯
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৪৯. উম্মুল মু'মিনীন হযরত উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন তাঁর পাশে থাকতেন তখন অধিকাংশ সময়ই তিনি এরূপ দু'আ করতেন:
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ
"হে অন্তরসমূহের ওল্ট-পাল্টকারী, আমার অন্তরকে তোমার দীনের উপর অটলভাবে কায়েম রেখো!"
-(জামে' তিরমিযী)
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ
"হে অন্তরসমূহের ওল্ট-পাল্টকারী, আমার অন্তরকে তোমার দীনের উপর অটলভাবে কায়েম রেখো!"
-(জামে' তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أُمَّ سَلَمَةَ أَنَّ أَكْثَرَ دُعَاءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ عِنْدَهَا يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫০
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৫০. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এ দু'আটি রিওয়ায়াত করেছেন:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِّنِي رِضَاكَ ضُعْفِي وَخُذْ إِلَى الْخَيْرِ بِنَاصِيَتِي وَاجْعَلِ الْإِسْلَامَ مُنْتَهَى رِضَائِي اَللّٰهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِّنِي وَإِنِّي ذَلِيْلٌ فَأَعِزَّنِي وَإِنِّي فَقِيرٌ فَارْزُقْنِي
"হে আল্লাহ! আমি তোমার এক দুর্বল বান্দা, তোমার সন্তুষ্টি অন্বেষণের ক্ষেত্রে আমার দুর্বলতাকে তুমি শক্তিতে রূপান্তরিত কর। (যাতে করে আমি পূর্ণ শক্তিতে তোমার সন্তোষের কাজগুলো করতে পারি।) তুমি আমার ঝুটি১ চেপে ধরে আমাকে মঙ্গলের দিকে নিয়ে যাও! ইসলামকে আমার পরম সন্তুষ্টির বস্তু বানিয়ে দাও!
হে আল্লাহ! আমি দুর্বল। তুমি আমার দুর্বলতা দূর করে দিয়ে আমাকে সবল করে দাও! হে আল্লাহ! আমি তুচ্ছ মর্যাদাহীন, তুমি আমাকে মর্যাদা মণ্ডিত কর। আমি নিঃস্ব আমি রিক্ত, তুমি আমাকে আমার জীবিকা তথা প্রয়োজনীয় সবকিছু দান কর!
-(মু'জামে কবীর: তাবারানী সঙ্কলিত)
টিকা ১. মূল আরবীতে শব্দটি আছে ناصیتی যার শাব্দিক অর্থ আমার কপাল বা কপালের চুল। বাংলায় এরূপ ক্ষেত্রে ঝুটি বা ঝুঁটি শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে বিধায় অনুবাদে আমি এ শব্দটিই ব্যবহার করলাম। অনুবাদক
اَللّٰهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِّنِي رِضَاكَ ضُعْفِي وَخُذْ إِلَى الْخَيْرِ بِنَاصِيَتِي وَاجْعَلِ الْإِسْلَامَ مُنْتَهَى رِضَائِي اَللّٰهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِّنِي وَإِنِّي ذَلِيْلٌ فَأَعِزَّنِي وَإِنِّي فَقِيرٌ فَارْزُقْنِي
"হে আল্লাহ! আমি তোমার এক দুর্বল বান্দা, তোমার সন্তুষ্টি অন্বেষণের ক্ষেত্রে আমার দুর্বলতাকে তুমি শক্তিতে রূপান্তরিত কর। (যাতে করে আমি পূর্ণ শক্তিতে তোমার সন্তোষের কাজগুলো করতে পারি।) তুমি আমার ঝুটি১ চেপে ধরে আমাকে মঙ্গলের দিকে নিয়ে যাও! ইসলামকে আমার পরম সন্তুষ্টির বস্তু বানিয়ে দাও!
হে আল্লাহ! আমি দুর্বল। তুমি আমার দুর্বলতা দূর করে দিয়ে আমাকে সবল করে দাও! হে আল্লাহ! আমি তুচ্ছ মর্যাদাহীন, তুমি আমাকে মর্যাদা মণ্ডিত কর। আমি নিঃস্ব আমি রিক্ত, তুমি আমাকে আমার জীবিকা তথা প্রয়োজনীয় সবকিছু দান কর!
-(মু'জামে কবীর: তাবারানী সঙ্কলিত)
টিকা ১. মূল আরবীতে শব্দটি আছে ناصیتی যার শাব্দিক অর্থ আমার কপাল বা কপালের চুল। বাংলায় এরূপ ক্ষেত্রে ঝুটি বা ঝুঁটি শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে বিধায় অনুবাদে আমি এ শব্দটিই ব্যবহার করলাম। অনুবাদক
کتاب الاذکار والدعوات
عن ابن عمر (مَرْفُوْعًا) «قُلِ: اللَّهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِّ فِي رِضَاكَ ضَعْفِي، وَخُذْ إِلَى الْخَيْرِ بِنَاصِيَتِي، وَاجْعَلِ الْإِسْلَامَ مُنْتَهَى رِضَائِي، اللَّهُمَّ إِنِّي ضَعِيفٌ فَقَوِّنِي، وَإِنِّي ذَلِيلٌ فَأَعِزَّنِي، وَإِنِّي فَقِيرٌ فَارْزُقْنِىْ» (رواه الطبرانى فى الكبير)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫১
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৫১. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এ দু'আটি রিওয়ায়াত করেছেন:
إِلَيْكَ رَبِّ فَحَبِّبْنِي وَفِي نَفْسِي لَكَ فَذَلِّلْنِي وَفِي أَعْيُنِ النَّاسِ فَعَظِّمْنِي وَمِنْ سَيِّئِ الْأَخْلَاقِ فَجَنَّبْنِي
"হে আল্লাহ! আমাকে তোমার প্রিয়পাত্র বানিয়ে নাও! আমাকে এমন বানিয়ে দাও যেন আমি নিজেকে তোমার সম্মুখে তুচ্ছ ও হীন জ্ঞান করি! অন্য লোকদের চোখে তুমি আমাকে মর্যাদা মণ্ডিত কর। মন্দ চরিত্র থেকে আমাকে তুমি বাঁচিয়ে রেখো!"
-(মাকারিমুল আখলাক: ইবনে লাল সঙ্কলিত)
إِلَيْكَ رَبِّ فَحَبِّبْنِي وَفِي نَفْسِي لَكَ فَذَلِّلْنِي وَفِي أَعْيُنِ النَّاسِ فَعَظِّمْنِي وَمِنْ سَيِّئِ الْأَخْلَاقِ فَجَنَّبْنِي
"হে আল্লাহ! আমাকে তোমার প্রিয়পাত্র বানিয়ে নাও! আমাকে এমন বানিয়ে দাও যেন আমি নিজেকে তোমার সম্মুখে তুচ্ছ ও হীন জ্ঞান করি! অন্য লোকদের চোখে তুমি আমাকে মর্যাদা মণ্ডিত কর। মন্দ চরিত্র থেকে আমাকে তুমি বাঁচিয়ে রেখো!"
-(মাকারিমুল আখলাক: ইবনে লাল সঙ্কলিত)
کتاب الاذکار والدعوات
عن ابن مسعود (مَرْفُوْعًا) "إليك ربي فحببني، وفي نفسي لك ربي فذللني، وفي أعين الناس فعظمني، ومن سيء الأخلاق فجنبني"
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫২
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২৫২. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এ দু'আটি শিক্ষা দিয়েছেনঃ
اَللّٰهُمَّ أَنْتَ الْخَلَّاقُ الْعَظِيمُ اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ غَفُورٌ رَّحِيمُ اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ الْجَوَادُ الْكَرِيمُ فَاغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَعَافِنِي وَارْزُقْنِي وَاسْتُرْنِي وَاجْبُرْنِي وَارْفَعْنِي وَاهْدِنِي وَلَا تُضِلُّنِي وَأَدْخِلْنِي الْجَنَّةَ برَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ
"হে আল্লাহ! তুমিই সব কিছুর স্রষ্টা, মহান সৃষ্টিকর্তা। হে আল্লাহ! তুমি সবকিছু শুন ও জান, তুমি সামীউন আলীম। হে আল্লাহ! তুমি পরম ক্ষমাশীল পরম দয়ালু! হে আল্লাহ! তুমি মহান আরশের অধিপতি, হে আল্লাহ, তুমি পরম বদান্যশীল ও পরম মেহেরবান। সুতরাং তুমি আমাকে মার্জনা কর, আমার প্রতি সদয় হও! আমাকে সার্বিক নিরাময় দান কর। এবং আমাকে জীবিকা দান কর। আমার গোপনীয়তা তুমি রক্ষা কর। আমার অপূর্ণতাকে পূর্ণ করে দাও! আমাকে মর্যাদা মণ্ডিত কর! আমাকে তোমার পথে পরিচালিত কর! আমাকে গুমরাহী থেকে রক্ষা কর! আমাকে (মৃত্যুর পর) পরকালে জান্নাতে প্রবিষ্ট করাও তোমারই রহমতের সাহায্যে ইয়া আরহামার রাহিমীন, হে সকল দয়ালুর বড় দয়ালু।
হযরত জাবির (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এ দু'আটি শিক্ষা দিলেন এবং সাথে সাথে বললেন: "দুআর এ বাক্যগুলো তুমি নিজেও শিখ এবং তোমার পরবর্তীদেরকেও এগুলো শিক্ষা দাও!"
اَللّٰهُمَّ أَنْتَ الْخَلَّاقُ الْعَظِيمُ اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ غَفُورٌ رَّحِيمُ اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ الْجَوَادُ الْكَرِيمُ فَاغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَعَافِنِي وَارْزُقْنِي وَاسْتُرْنِي وَاجْبُرْنِي وَارْفَعْنِي وَاهْدِنِي وَلَا تُضِلُّنِي وَأَدْخِلْنِي الْجَنَّةَ برَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ
"হে আল্লাহ! তুমিই সব কিছুর স্রষ্টা, মহান সৃষ্টিকর্তা। হে আল্লাহ! তুমি সবকিছু শুন ও জান, তুমি সামীউন আলীম। হে আল্লাহ! তুমি পরম ক্ষমাশীল পরম দয়ালু! হে আল্লাহ! তুমি মহান আরশের অধিপতি, হে আল্লাহ, তুমি পরম বদান্যশীল ও পরম মেহেরবান। সুতরাং তুমি আমাকে মার্জনা কর, আমার প্রতি সদয় হও! আমাকে সার্বিক নিরাময় দান কর। এবং আমাকে জীবিকা দান কর। আমার গোপনীয়তা তুমি রক্ষা কর। আমার অপূর্ণতাকে পূর্ণ করে দাও! আমাকে মর্যাদা মণ্ডিত কর! আমাকে তোমার পথে পরিচালিত কর! আমাকে গুমরাহী থেকে রক্ষা কর! আমাকে (মৃত্যুর পর) পরকালে জান্নাতে প্রবিষ্ট করাও তোমারই রহমতের সাহায্যে ইয়া আরহামার রাহিমীন, হে সকল দয়ালুর বড় দয়ালু।
হযরত জাবির (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এ দু'আটি শিক্ষা দিলেন এবং সাথে সাথে বললেন: "দুআর এ বাক্যগুলো তুমি নিজেও শিখ এবং তোমার পরবর্তীদেরকেও এগুলো শিক্ষা দাও!"
کتاب الاذکار والدعوات
عن جابر قال: قال لى رسول الله صلى الله عليه وسلم قل: اللهم أنت الخلاق العظيم، اللهم إنك سميع عليم، اللهم إنك غفور رحيم، اللهم إنك رب العرش العظيم، اللهم إنك أنت الجواد الكريم، فاغفر لي وارحمني وعافني وارزقني واسترني واجبرني وارفعني واهدني ولا تضلني وأدخلني الجنة برحمتك يا أرحم الراحمين، تعلمهن، وعلمهن عقبك من بعدك" (رواه الديلمي)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৩
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আশ্রয় প্রার্থনামূলক দু'আসমূহ
হাদীস ভান্ডারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে আল্লাহ্ তা'আলার দরবারে কৃত যে সব দু'আর বর্ণনা পাওয়া যায়, তার অধিকাংশই হচ্ছে ঐ জাতীয়, যে গুলোতে তিনি আল্লাহর দরবারে কোন ইহলৌকিক বা পারলৌকিক, কোন আত্মিক বা দৈহিক, ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগত নিয়ামত বা মঙ্গলের প্রার্থনা করেছেন এবং ইতিবাচক ভাবে কোন প্রয়োজন পূরণের বা অভাব মোচনের দু'আ করেছেন। এ পর্যন্ত এ জাতীয় দেড় শতাধিক দু'আ এ পুস্তকে সন্নিবেশিত হয়েছে।
এগুলো ছাড়াও এমন অনেক দু'আ এতে বর্ণিত হয়েছে, যে গুলোতে ইতিবাচক ভাবে কোন মঙ্গল ও নিয়ামতের বা প্রয়োজন পূরণের প্রার্থনা না করে ইহলৌকিক বা পারলৌকিক কোন অনিষ্ট থেকে বা কোন বালা-মুসীবত থেকে আশ্রয় ও হিফাযতের দু'আ করেছেন এবং উম্মতকেও তা শিক্ষা দিয়েছেন। এ সমস্ত দু'আকে সামগ্রিকভাবে সম্মুখে রেখে যে ভাবে একথাটি বলা একান্তই ন্যায্য ও যথার্থ যে, ইহকাল-পরকালের হেন কোন মঙ্গল বা প্রয়োজন নেই, যার দু'আ আল্লাহর রাসূল ﷺ আল্লাহ্ তা'আলার দরবারে করেননি। এবং যার শিক্ষা তিনি উম্মতকে দেননি। ঠিক তেমনি এই দ্বিতীয় প্রকারের দু'আগুলোকে সামগ্রিক ভাবে সম্মুখে রেখে একান্তই ন্যায্য ও যথার্থ ভাবে বলা যায় যে, ইহকাল ও পরকালের হেন কোন অমঙ্গল বা অনিষ্ট নেই, হেন কোন ফিৎনা-ফ্যাসাদ-বিপর্যয় ও বালামুসীবত আল্লাহর দুনিয়ায় নেই, যাত্থেকে আল্লাহর রাসূল ﷺ তাঁর দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করেননি এবং উম্মতকে তার শিক্ষা দেননি। চিন্তাশীল ও সমঝদার লোকদের জন্যে এটা এ হিসাবে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি উজ্জ্বল মু'জিযা যে তাঁর দু'আ সমূহে মানব জাতির ইহকালীন-পরকালীন, আত্মিক ও দৈহিক, ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত, যাহেরী ও বাতেনী ইতিবাচক ও নেতিবাচক সর্বপ্রকারের প্রয়োজন ব্যক্ত হয়েছে। কোন গোপন থেকে গোপনতর, সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতর মানবীয় প্রয়োজন বা অভাব খুঁজে পাওয়া যাবে না, যার প্রার্থনা তিনি সর্বোত্তম ভাষা ও ভঙ্গিতে সর্বোত্তম শব্দমালা প্রয়োগে করেননি বা উম্মতকে তার শিক্ষা দেননি। কুরআন মজীদেও এ দ্বিবিধ অর্থাৎ ইতিবাচক ও নেতিবাচক দু'আ সমূহ মওজুদ রয়েছে এবঙ এর সর্বশেষ দু'টি সূরাই
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ
আগাগোড়া আশ্রয় প্রার্থনার বক্তব্যই ধারণ করছে। এ জন্যে এ দু'টি সূরাকে معوذتين (মুআব্বেযাতায়ন) বা আশ্রয় প্রর্থনা মূলক সূরাদ্বয় বলে অভিতিহ করা হয়ে থাকে এবং এ দু'টি সূরার মাধ্যমেই কুরআন শরীফ সমাপ্ত করা হয়েছে।
এ কুরআনী পদ্ধতি অনুসারেই এ লেখকের কাছেও এটাই সমীচীন মনে হয়েছে যে, হাদীসে উক্ত যে সব দু'আর নানারূপ অনিষ্ট ফিৎনা-ফ্যাসাদ, বালা-মুসীবত, মন্দ আমল, মন্দ স্বভাব এবং সর্ব প্রকার অবাঞ্ছিত ব্যাপার-স্যাপার থেকে আল্লাহ তা'আলার দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়েছে সেগুলো সর্বশেষে বর্ণনা করি এবং এ গুলোর মাধ্যমেই মা'আরিফুল হাদীসের এ সিলসিলার সমাপ্তি রেখা টানি।
এবার সহৃদয় পাঠক নিম্নে এ জাতীয় হাদীসগুলো পাঠ করুন:
হাদীস ভান্ডারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে আল্লাহ্ তা'আলার দরবারে কৃত যে সব দু'আর বর্ণনা পাওয়া যায়, তার অধিকাংশই হচ্ছে ঐ জাতীয়, যে গুলোতে তিনি আল্লাহর দরবারে কোন ইহলৌকিক বা পারলৌকিক, কোন আত্মিক বা দৈহিক, ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগত নিয়ামত বা মঙ্গলের প্রার্থনা করেছেন এবং ইতিবাচক ভাবে কোন প্রয়োজন পূরণের বা অভাব মোচনের দু'আ করেছেন। এ পর্যন্ত এ জাতীয় দেড় শতাধিক দু'আ এ পুস্তকে সন্নিবেশিত হয়েছে।
এগুলো ছাড়াও এমন অনেক দু'আ এতে বর্ণিত হয়েছে, যে গুলোতে ইতিবাচক ভাবে কোন মঙ্গল ও নিয়ামতের বা প্রয়োজন পূরণের প্রার্থনা না করে ইহলৌকিক বা পারলৌকিক কোন অনিষ্ট থেকে বা কোন বালা-মুসীবত থেকে আশ্রয় ও হিফাযতের দু'আ করেছেন এবং উম্মতকেও তা শিক্ষা দিয়েছেন। এ সমস্ত দু'আকে সামগ্রিকভাবে সম্মুখে রেখে যে ভাবে একথাটি বলা একান্তই ন্যায্য ও যথার্থ যে, ইহকাল-পরকালের হেন কোন মঙ্গল বা প্রয়োজন নেই, যার দু'আ আল্লাহর রাসূল ﷺ আল্লাহ্ তা'আলার দরবারে করেননি। এবং যার শিক্ষা তিনি উম্মতকে দেননি। ঠিক তেমনি এই দ্বিতীয় প্রকারের দু'আগুলোকে সামগ্রিক ভাবে সম্মুখে রেখে একান্তই ন্যায্য ও যথার্থ ভাবে বলা যায় যে, ইহকাল ও পরকালের হেন কোন অমঙ্গল বা অনিষ্ট নেই, হেন কোন ফিৎনা-ফ্যাসাদ-বিপর্যয় ও বালামুসীবত আল্লাহর দুনিয়ায় নেই, যাত্থেকে আল্লাহর রাসূল ﷺ তাঁর দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করেননি এবং উম্মতকে তার শিক্ষা দেননি। চিন্তাশীল ও সমঝদার লোকদের জন্যে এটা এ হিসাবে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি উজ্জ্বল মু'জিযা যে তাঁর দু'আ সমূহে মানব জাতির ইহকালীন-পরকালীন, আত্মিক ও দৈহিক, ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত, যাহেরী ও বাতেনী ইতিবাচক ও নেতিবাচক সর্বপ্রকারের প্রয়োজন ব্যক্ত হয়েছে। কোন গোপন থেকে গোপনতর, সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতর মানবীয় প্রয়োজন বা অভাব খুঁজে পাওয়া যাবে না, যার প্রার্থনা তিনি সর্বোত্তম ভাষা ও ভঙ্গিতে সর্বোত্তম শব্দমালা প্রয়োগে করেননি বা উম্মতকে তার শিক্ষা দেননি। কুরআন মজীদেও এ দ্বিবিধ অর্থাৎ ইতিবাচক ও নেতিবাচক দু'আ সমূহ মওজুদ রয়েছে এবঙ এর সর্বশেষ দু'টি সূরাই
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ
আগাগোড়া আশ্রয় প্রার্থনার বক্তব্যই ধারণ করছে। এ জন্যে এ দু'টি সূরাকে معوذتين (মুআব্বেযাতায়ন) বা আশ্রয় প্রর্থনা মূলক সূরাদ্বয় বলে অভিতিহ করা হয়ে থাকে এবং এ দু'টি সূরার মাধ্যমেই কুরআন শরীফ সমাপ্ত করা হয়েছে।
এ কুরআনী পদ্ধতি অনুসারেই এ লেখকের কাছেও এটাই সমীচীন মনে হয়েছে যে, হাদীসে উক্ত যে সব দু'আর নানারূপ অনিষ্ট ফিৎনা-ফ্যাসাদ, বালা-মুসীবত, মন্দ আমল, মন্দ স্বভাব এবং সর্ব প্রকার অবাঞ্ছিত ব্যাপার-স্যাপার থেকে আল্লাহ তা'আলার দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়েছে সেগুলো সর্বশেষে বর্ণনা করি এবং এ গুলোর মাধ্যমেই মা'আরিফুল হাদীসের এ সিলসিলার সমাপ্তি রেখা টানি।
এবার সহৃদয় পাঠক নিম্নে এ জাতীয় হাদীসগুলো পাঠ করুন:
২৫৩. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর কঠোর বালা-মুসীবত থেকে, ভাগ্য বিড়ম্বনায় পাওয়া থেকে, মন্দ তকদীর থেকে এবং শত্রুদের উল্লাস থেকে।
-(সহীহ বুখারী ও সহীহ্ মুসলিম)
-(সহীহ বুখারী ও সহীহ্ মুসলিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَعَوَّذُوا بِاللَّهِ مِنْ جَهْدِ البَلاَءِ، وَدَرَكِ الشَّقَاءِ، وَسُوءِ القَضَاءِ، وَشَمَاتَةِ الأَعْدَاءِ» (رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৪
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আশ্রয় প্রার্থনামূলক দু'আসমূহ
২৫৪. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম ﷺ দু'আচ্ছলে বলতেনঃ
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَضَلَعِ الدِّينِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ -
“হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুশ্চিন্তা-দুর্ভাবনা থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কাপুরুষতা ও কৃপণতা থেকে। ঋণভার থেকে এবং মানুষের দাপট বা চাপ থেকে।"
-(সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَضَلَعِ الدِّينِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ -
“হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুশ্চিন্তা-দুর্ভাবনা থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কাপুরুষতা ও কৃপণতা থেকে। ঋণভার থেকে এবং মানুষের দাপট বা চাপ থেকে।"
-(সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَنَسَ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ» (رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৫
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আশ্রয় প্রার্থনামূলক দু'আসমূহ
২৫৫. হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ এরূপ দু'আ করতেন:
اَللّٰهُمَّ اِنّى اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْهَرَمِ وَالْمَغْرَمِ وَالْمَأثَمِ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ النَّارِ وَفِتْنَةِ النَّارِ وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ اَللّٰهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَّقِ قَلْبِي كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ -
"হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি অলসতা থেকে ও অতি বার্ধক্য থেকে (যা, মানুষকে একান্তই অকেজো-অথর্ব করে দেয়) ঋণভার থেকে এবং পাপাচার থেকে। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি দোযখের শাস্তি এবং দোযখের ফিৎনা থেকে এবং কবরের ফিৎনা থেকে এবং কবরের আযাব থেকে এবং প্রাচুর্যের ফিৎনার অনিষ্ট থেকে এবং দারিদ্র্যের ফিৎনার অনিষ্ট থেকে এবং মসীহ দাজ্জালের ফিৎনার অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! আমার গুনাহ সমূহকে ধুয়ে-মুছে দাও শিলা-বরফের পানি দিয়ে এবং আমার অন্তরকে এমনি ক্লেদ-কালিমা মুক্ত করে দাও, যেমনটি পরিচ্ছন্ন করা হয়ে থাকে শ্বেতশুভ্র কাপড়কে ময়লা থেকে এবং আমার ও আমার অপরাধরাশির মধ্যে এমনি দূরত্ব সৃষ্টি করে দাও, যেমনটি দূরত্ব সৃষ্টি করেছ উদয়াচল ও অস্তাচলের মধ্যে।"
-(সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)
اَللّٰهُمَّ اِنّى اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْهَرَمِ وَالْمَغْرَمِ وَالْمَأثَمِ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ النَّارِ وَفِتْنَةِ النَّارِ وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ اَللّٰهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَّقِ قَلْبِي كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ -
"হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি অলসতা থেকে ও অতি বার্ধক্য থেকে (যা, মানুষকে একান্তই অকেজো-অথর্ব করে দেয়) ঋণভার থেকে এবং পাপাচার থেকে। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি দোযখের শাস্তি এবং দোযখের ফিৎনা থেকে এবং কবরের ফিৎনা থেকে এবং কবরের আযাব থেকে এবং প্রাচুর্যের ফিৎনার অনিষ্ট থেকে এবং দারিদ্র্যের ফিৎনার অনিষ্ট থেকে এবং মসীহ দাজ্জালের ফিৎনার অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! আমার গুনাহ সমূহকে ধুয়ে-মুছে দাও শিলা-বরফের পানি দিয়ে এবং আমার অন্তরকে এমনি ক্লেদ-কালিমা মুক্ত করে দাও, যেমনটি পরিচ্ছন্ন করা হয়ে থাকে শ্বেতশুভ্র কাপড়কে ময়লা থেকে এবং আমার ও আমার অপরাধরাশির মধ্যে এমনি দূরত্ব সৃষ্টি করে দাও, যেমনটি দূরত্ব সৃষ্টি করেছ উদয়াচল ও অস্তাচলের মধ্যে।"
-(সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَائِشَةَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الكَسَلِ وَالهَرَمِ، وَالمَغْرَمِ وَالمَأْثَمِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ النَّارِ وَفِتْنَةِ النَّارِ، وَفِتْنَةِ القَبْرِ وَعَذَابِ القَبْرِ، وَشَرِّ فِتْنَةِ الغِنَى، وَشَرِّ فِتْنَةِ الفَقْرِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ المَسِيحِ الدَّجَّالِ، اللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالبَرَدِ، وَنَقِّ قَلْبِي مِنَ الخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ المَشْرِقِ وَالمَغْرِبِ» (رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৬
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আশ্রয় প্রার্থনামূলক দু'আসমূহ
২৫৬. হযরত যায়েদ ইব্ন আরকাম (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ প্রায়ই এরূপ দু'আ করতেন:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ اَللّٰهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا وَزَكِّهَا انْتَ خَيْرُ مَنْ زَكّٰهَا أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لا يَنْفَعُ وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَا
"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি অক্ষমতা থেকে, অলসতা থেকে, কাপুরুষতা ও কৃপণতা থেকে, অতি বার্ধক্য থেকে এবং কবরের আযাব থেকে। হে আল্লাহ্! আমার আত্মাকে তাকওয়া দান কর! তুমি তাকে পবিত্র কর, তুমিই তার সর্বোত্তম পবিত্রতা সাধনকারী, তুমিই তার মলিক ও মাওলা।
হে আল্লাহ! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি সেই ইলম থেকে, যা কোন উপকারে আসে না, সেই অন্তর থেকে-যা তোমার ভয়ে ভীত হয় না। সেই নাফস থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না আর সেই দু'আ থেকে- যা কবুল হয় না।" (সহীহ মুসলিম)
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ اَللّٰهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا وَزَكِّهَا انْتَ خَيْرُ مَنْ زَكّٰهَا أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لا يَنْفَعُ وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَا
"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি অক্ষমতা থেকে, অলসতা থেকে, কাপুরুষতা ও কৃপণতা থেকে, অতি বার্ধক্য থেকে এবং কবরের আযাব থেকে। হে আল্লাহ্! আমার আত্মাকে তাকওয়া দান কর! তুমি তাকে পবিত্র কর, তুমিই তার সর্বোত্তম পবিত্রতা সাধনকারী, তুমিই তার মলিক ও মাওলা।
হে আল্লাহ! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি সেই ইলম থেকে, যা কোন উপকারে আসে না, সেই অন্তর থেকে-যা তোমার ভয়ে ভীত হয় না। সেই নাফস থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না আর সেই দু'আ থেকে- যা কবুল হয় না।" (সহীহ মুসলিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ: «اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ، وَالْكَسَلِ، وَالْجُبْنِ، وَالْبُخْلِ، وَالْهَرَمِ، وَعَذَابِ، الْقَبْرِ اللهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا، اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ، وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ، وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ، وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَا» (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৭
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আশ্রয় প্রার্থনামূলক দু'আসমূহ
২৫৭. হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দু'আসমূহের মধ্যকার একটি দু'আ ছিল এরূপঃ
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ وَفُجَائَةِ نَقْمَتِكَ وَجَمِيعِ سَخَطِكَ
"হে আল্লাহ! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি তোমার নিয়ামত চলে যাওয়া থেকে এবং তোমার প্রদত্ত নিরাপত্তা চলে যাওয়া থেকে এবং আকস্মিক ভাবে তোমার কোন শাস্তি এসে পড়া থেকে এবং তোমার সর্বপ্রকার অসন্তুষ্টি থেকে।"
- (সহীহ মুসলিম)
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ وَفُجَائَةِ نَقْمَتِكَ وَجَمِيعِ سَخَطِكَ
"হে আল্লাহ! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি তোমার নিয়ামত চলে যাওয়া থেকে এবং তোমার প্রদত্ত নিরাপত্তা চলে যাওয়া থেকে এবং আকস্মিক ভাবে তোমার কোন শাস্তি এসে পড়া থেকে এবং তোমার সর্বপ্রকার অসন্তুষ্টি থেকে।"
- (সহীহ মুসলিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ مِنْ دُعَاءِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيعِ سَخَطِكَ» (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৮
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আশ্রয় প্রার্থনামূলক দু'আসমূহ
২৫৮. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ এরূপ দু'আ করতেন:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشِّقَاقِ وَالنِّفَاقِ وَسُوءِ الْأَخْلَاقِ
“হে আল্লাহ! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি বিচ্ছেদকারী মনোমালিন্য থেকে, কপটচারিতা থেকে এবং অসচ্চরিত্রতা থেকে।"
-(সুনানে আবূ দাউদ ও সুনানে নাসায়ী)।
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشِّقَاقِ وَالنِّفَاقِ وَسُوءِ الْأَخْلَاقِ
“হে আল্লাহ! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি বিচ্ছেদকারী মনোমালিন্য থেকে, কপটচারিতা থেকে এবং অসচ্চরিত্রতা থেকে।"
-(সুনানে আবূ দাউদ ও সুনানে নাসায়ী)।
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الشِّقَاقِ، وَالنِّفَاقِ، وَسُوءِ الْأَخْلَاقِ» (رواه ابوداؤد والنسائى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৯
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আশ্রয় প্রার্থনামূলক দু'আসমূহ
২৫৯. শকল ইব্ন হুমায়দ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর খিদমতে আরয করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে কোন আশ্রয় প্রার্থনামূলক দু'আ শিক্ষা দিন, যদ্বারা আমি আল্লাহর কাছে পানাহ ও হিফাযত প্রার্থনা করবো! তিনি তাঁর পবিত্র হাতের দ্বারা আমার হাত ধরে বললেন:
তুমি বলবে:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِي وَمِنْ شَرِّ بَصَرِي وَمِنْ شَرِّ لِسَانِي وَمِنْ شَرِّ مَنِيَّتِي
"হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি আমার কানের অনিষ্ট থেকে, আমার চোখের অনিষ্ট থেকে, আমার রসনার অনিষ্ট থেকে, আমার হৃদয়ের অনিষ্ট থেকে, এবং আমার বীর্য তথা যৌনাচারের অনিষ্ট থেকে।"
-(সুনানে আবূ দাউদ, জামে' তিরমিযী এবং নাসায়ী)
তুমি বলবে:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِي وَمِنْ شَرِّ بَصَرِي وَمِنْ شَرِّ لِسَانِي وَمِنْ شَرِّ مَنِيَّتِي
"হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি আমার কানের অনিষ্ট থেকে, আমার চোখের অনিষ্ট থেকে, আমার রসনার অনিষ্ট থেকে, আমার হৃদয়ের অনিষ্ট থেকে, এবং আমার বীর্য তথা যৌনাচারের অনিষ্ট থেকে।"
-(সুনানে আবূ দাউদ, জামে' তিরমিযী এবং নাসায়ী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ شَكَلِ بْنِ حُمَيْدٍ، قَالَ: قُلْتُ يَا نَبِيَّ اللهِ عَلِّمْنِي تَعَوُّذًا أَتَعَوَّذُ بِهِ. فَأَخَذَ بِكَفِّي وَقَالَ: " قُلْ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِي، وَمِنْ شَرِّ بَصَرِي، وَمِنْ شَرِّ لِسَانِي، وَمِنْ شَرِّ قَلْبِي، وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّي " (رواه ابوداؤد والترمذى والنسائى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৬০
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আশ্রয় প্রার্থনামূলক দু'আসমূহ
২৬০. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ এরূপ দু'আ করতেন:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُوعِ فَإِنَّهُ بِئْسَ الضَّجِيعُ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخِيَانَةِ فَإِنَّهَا بِئْسَتِ الْبِطَانَةُ
"হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি, ক্ষুধার জ্বালা ও উপবাস থেকে, কেননা তা কতই না মন্দ শয্যাসঙ্গী। আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি খিয়ানত বা বিশ্বাস ভঙ্গের অপরাধ থেকে, কেননা, তা কতই না মন্দ গোপন অন্তরঙ্গ!
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُوعِ فَإِنَّهُ بِئْسَ الضَّجِيعُ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخِيَانَةِ فَإِنَّهَا بِئْسَتِ الْبِطَانَةُ
"হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি, ক্ষুধার জ্বালা ও উপবাস থেকে, কেননা তা কতই না মন্দ শয্যাসঙ্গী। আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি খিয়ানত বা বিশ্বাস ভঙ্গের অপরাধ থেকে, কেননা, তা কতই না মন্দ গোপন অন্তরঙ্গ!
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُوعِ، فَإِنَّهُ بِئْسَ الضَّجِيعُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخِيَانَةِ، فَإِنَّهَا بِئْسَتِ الْبِطَانَةُ» (رواه ابوداؤد والنسائى وابن ماجه)
তাহকীক: