দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৬ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

দু‘আ-৭০

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْأَلُكَ صِحَّةً فِيْۤ إِيْمَانٍ، وَ إِيْمَانًا فِيْ حُسْنِ خُلُقٍ، وَنَجَاحًا تُتْبِعُهٗ فَلَاحًا، وَرَحْمَةً مِنْكَ وَ عَافِيَةً، وَ مَغْفِرَةً مِّنْكَ وَرِضْوَانًا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি ঈমানের সাথে সুস্থতা এবং সুন্দর চরিত্রের সাথে ঈমানদারি এবং (দুনিয়াতে) সফলতা, যার পর আপনি আমাকে দান করবেন (আখেরাতের) কল্যাণ এবং আপনার পক্ষ থেকে করুণা ও নিরাপত্তা, আপনার পক্ষ হতে ক্ষমা ও সন্তুষ্টি।

২.

ঋণ পরিশোধের দু‘আ-১

۞ اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيْ بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِيْ بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিক ওয়া আগনিনি বি ফাদলিকা আম্মান সিওয়াক

অর্থঃ

হে আল্লাহ! তুমি তোমার হারাম থেকে বাঁচিয়ে তোমার হালাল রিযিক দ্বারা আমাকে পরিতুষ্ট করে দাও। (হালাল রুজিই যেন আমার জন্য যথেষ্ট হয়) এবং তোমার অনুগ্রহে ছাড়া অন্য সবকিছু থেকে আমাকে অমুখাপেক্ষী করে দাও।

৩.

হতাশ থেকে মুক্তির দু‘আ

۞ قَدَّرَ ‌اللّٰهُ ‌وَمَا ‌شَاءَ ‌فَعَلَ
উচ্চারণঃ

কাদ্দারাল্লাহু ওয়া মা-শা’আ ফাআলা

অর্থঃ

আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চেয়েছেন তাই করেছেন।

৪.

শত্রুর ভয় পেলে পড়বে

اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيهِمْ بِمَا شِئْتَ
উচ্চারণঃ

আল্লা-হুম্মাকফিনীহিম বিমা শি’তা

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি যা ইচ্ছে তা দ্বারাই এদের মোকাবিলায় আমার জন্য যথেষ্ট হোন।

৫.

মসজিদে প্রবেশের দু‘আ-১

۞ بِسْمِ اللهِ. وَالصَّلَا ةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِ اللهِ. اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِيْ اَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াস্‌সালাতু ওয়াস্‌সালামু’ আলা রাসূলিল্লাহ্‌ আল্লাহুম্মাফ্‌তাহলি আবওয়াবা রাহমাতিকা।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে (প্রবেশ করছি।) আল্লাহ তা‘আলার রাসূল (ﷺ) এর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করে দিন।

৬.

সানা

۞ سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَ لَاۤ إِلٰهَ غَيْرُكَ
উচ্চারণঃ

সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়াতাবারাকাস্‌মুকা, ওয়াতা‘আলা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ্! আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি প্রশংসাময়, তোমার নাম বরকতময়, তোমার মর্যাদা অতি উচ্চে, আর তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মাবুদ নেই।

৭.

উযূর শুরুতে পড়ার দু‘আ-২

۞ بِسْمِ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহ।

অর্থঃ

আল্লাহ তা‘আলার নামে শুরু করছি এবং প্রশংসা সবই কেবল তারই জন্যে।

৮.

উযূর পর পড়ার দু‘আ-৩

۞ سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَّاۤ إِلٰهَ إِ لَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
উচ্চারণঃ

সুবহানা কাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা আস্তাগফিরুকা ওয়াআতূবু ইলাইকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই, আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তওবা করছি।

৯.

নিয়মিত আমলের ক্ষতিপূরণ

۞ فَسُبْحَانَ اللهِ حِيْنَ تُمْسُوْنَ وَحِيْنَ تُصْبِحُوْنَ ۝ وَلَهُ الْحَمْدُ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَعَشِيًّا وَّحِیۡنَ تُظۡہِرُوۡنَ ۝ يُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَيُخْرِجُ الْمَيِّتَ مِنَ الْحَيِّ وَیُحۡیِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا ۚ وَکَذٰلِکَ تُخْرَجُونَ ۝
উচ্চারণঃ

ফাসুব হা-নাল্লা-হি হীনা তুম সু-না ওয়া হী-না তুছ্ব বিহূ-ন্। ওয়ালাহুল হামদু ফিস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি ওয়া‘আশিয়্যাও ওয়া হীনা তুজ-হিরুন। ইয়ুখরিজুল হাইয়্যা মিনাল্ মাইয়্যিতি ওয়া ইয়ুখরিজুল মাইয়্যিতা মিনাল হাইয়্যি ওয়া ইয়ুহইল আরদ্বা বা’দা মাওতিহা- ওয়া কাযা-লিকা তুখরজুন।

অর্থঃ

আল্লাহর তাসবীহতে লিপ্ত থাক যখন তোমরা সন্ধ্যায় উপনীত হও এবং যখন তোমরা ভোরের সম্মুখীন হও। এবং তারই প্রশংসা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে, এবং বিকাল বেলায় (তার তাসবীহতে লিপ্ত হও) এবং জুহরের সময়ও। তিনি প্রাণহীন থেকে প্রাণবানকে বের করে আনেন এবং প্রাণবান থেকে প্রাণহীনকে বের করে আনেন। আর তিনি ভূমিকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করেন। এভাবেই তোমাদেরকে (কবর থেকে) বের করা হবে।

১০.

দু‘আ-৭৩

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُـلِّهِ عَاجِلِهِ وَاٰجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে প্রার্থনা করছি সকল কল্যাণ, বর্তমানের ও ভবিষ্যতের; যা জানি এবং যা জানি না।

১১.

ঈমানের প্রতি ভালোবাসা ও এর প্রতিকার থেকে মুক্তি চাওয়া

اَللّٰهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْإِيمَانَ وَزَيِّنْهُ فِي قُلُوبِنَا، وَكَرِّهْ إِلَيْنَا الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ، وَاجْعَلْنَا مِنَ الرَّاشِدِيْنَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা হাব্বিব ইলাইনাল ঈমান, ওয়া ঝাইয়িনহূ ফী কুলূবিনা, ওয়া কাররিহ ইলাইনাল কুফরা ওয়ালফুছূকা ওয়াল ‘ইসইয়া-ন, ওয়াজ‘আলনা মিনার রাশিদীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরে ঈমানের ভালোবাসা সঞ্চার করুন এবং আমাদের অন্তরে তা (ঈমান) আকর্ষণীয় করুন। আর কুফর, গুনাহ ও অবাধ্যতাকে আমাদের অন্তরে ঘৃণ্য বানিয়ে দিন এবং আমাদেরকে সঠিক পথপ্রাপ্তদের অন্তরভুক্ত করুন।

১২.

দু‘আ-৯৭

اَللّٰهُمَّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! যেদিন পুনরায় আপন বান্দাদের জীবিত করবেন সেদিন আমাকে আযাব থেকে রক্ষা কোরেন। (কারণ, ঐ দিনের সুরক্ষাই প্রকৃত সুরক্ষা)।

১৩.

শয়তান থেকে হেফাযতের দু‘আ

۞ لَااِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
উচ্চারণঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুলহামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

অর্থঃ

আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি একক। তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই। প্রশংসা কেবল তাঁর জন্যই। তিনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।

১৪.

আমলকারীকে আল্লাহ সন্তুষ্ট করবেন

رَضِيْتُ بِاللهِ رَبًّا وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ [صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ] نَبِيًّا
উচ্চারণঃ

র দ্বী-তু বিল্লাহি রব্বান অবিল ইসলামি দ্বীনান ও বি মুহাম্মাদীন নাবিয়্যা

অর্থঃ

আমি সন্তুষ্ট আল্লাহ তা‘আলাকে রব হিসেবে, ইসলামকে দীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নবী হিসেবে মেনে নিয়ে।

১৫.

উযূর শুরুতে পড়ার দু‘আ-১

۞ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহির্‌ রাহ্‌মানির্‌ রাহীম।

অর্থঃ

আল্লাহর নামে শুরু করছি যিনি অসীম দয়ালু ও অত্যন্ত মেহেরবান।

১৬.

চোখের সমস্যার রুকাইয়া

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّالْعٰلَمِیْنَ ۙ﴿۱﴾ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۙ﴿۲﴾ مٰلِکِ یَوْمِ الدِّیْنِ ؕ﴿۳﴾اِیَّاکَ نَعْبُدُ وَ اِیَّاکَ نَسْتَعِیْنُ ؕ﴿۴﴾اِهْدِنَاالصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ ۙ﴿۵﴾صِرَاطَ الَّذِیْنَ اَنْعَمْتَ عَلَیْهِمْ ۬ۙ۬غَیْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَیْهِمْوَلَا الضَّآ لِّیْنَ۠﴿۷﴾ আল হামদুলিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন। আররাহমা-নির রাহীম। মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন। ইয়্যা-কা না‘বুদুওয়া ইয়্যা-কা নাছতা‘ঈন। ইহদিনাসসিরা-তাল মুছতাকীম। সিরা-তাল্লাযীনা আন‘আমতা ‘আলাইহিম । গাইরিল মাগদূ বি ‘আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন। بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। لَقَدْ كُنْتَ فِیْ غَفْلَۃٍ مِّنْ هٰذَا فَکَشَفْنَا عَنْکَ غِطَآءَکَ فَبَصَرُکَ الْیَوْمَ حَدِیْدٌ﴿۲۲﴾ লাকাদ কুনতা ফী গাফলাতিম মিন হা-যা- ফাকাশাফনা- ‘আনকা গিতাআকা ফাবাসারুকাল ইয়াওমা হাদীদ। সূরা ক্ব-ফ, আয়াত নং ২২

১৭.

জামে দু‘আ কি?

الدُّعَاءُ الْجَامِعُ
উচ্চারণঃ

জামে দু‘আ, নবীজী ﷺ এর শেখানো দু‘আগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দু‘আগুলোর নাম জামে দু‘আ। এই দু‘আগুলোর বৈশিষ্ট্য হলো স্বল্প কথায় আল্লাহর নিকট অনেক বেশি চাওয়া হয়ে যায়। এজন্যে নবীজী ﷺ এই দু‘আগুলো বেশি পরিমাণে পাঠ করতেন। সালাফে সালেহীনও এই দু‘আগুলোর গুরুত্ব দিতেন। মুসলমানদের উচিত, এই দু‘আগুলো মুখস্থ করে রাখা এবং সময়ে সময়ে এই দু‘আগুলো পাঠ করা। বিশেষ করে মুনাজাতে এই দু‘আগুলোর মাধ্যমে আল্লাহর নিকট চাওয়া।

১৮.

ঈমান কি?

الإِيمَانُ
উচ্চারণঃ

ঈমান একটি আরবী শব্দ। এর সাধারণ অর্থ হলো— বিশ্বাস করা। এছাড়াও আনুগত্য করা, অবনত হওয়া, নির্ভর করা ইত্যাদি অর্থেও ঈমান শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

১৯.

পাক-পবিত্রতা কি? নাপাকী কি?

الطَّاهِرُ: مَا كَانَ خَالِيًا عَنِ النَّجَاسَةِ شَرْعًا النَّجَاسَةُ شَرْعًا: عَيْنٌ مُسْتَقْذَرَةٌ مَنَعَتْ صِحَّةَ الصَّلَاةِ
উচ্চারণঃ

শরীয়তের দৃষ্টিতে পবিত্রতা হলো, হাদাস (অযু/গোসল ছাড়া যে অপবিত্রতা থাকে) দূর করা এবং নাজাসাত (দৃষ্ট নাপাকি) অপসারণ করা। নাপাক বলা হয় তাকে, যা শরীয়ত মতে অপবিত্র সাব্যস্ত, এবং যার উপস্থিতিতে নামাজ সহিহ হয় না, যতক্ষণ না তা শরঈ পদ্ধতিতে দূর করা হয়।

২০.

উযূ কাকে বলে?

الْوُضُوءُ شَرْعًا: اسْتِعْمَالُ الْمَاءِ فِي أَعْضَاءٍ مَخْصُوصَةٍ بِنِيَّةٍ مَخْصُوصَةٍ لِرَفْعِ الْحَدَثِ الأَصْغَرِ
উচ্চারণঃ

শরীয়তের পরিভাষায় অজু হলো, হাদাসে আসগর দূর করার উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট নিয়তে নির্দিষ্ট অঙ্গসমূহে পানি ব্যবহার করা।