দু’আ

মোট দু’আ - ৬২০ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

দু‘আ-৮৪

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ خَيْرَ عُمُرِيْ اٰخِرَهٗ وَخَيْرَ عَمَلِيْ خَوَاتِمَهٗ، وَخَيْرَ أَيَّامِيْ يَوْمَ أَلْقَاكَ فِيْهِ، يَا وَلِيَّ الْإِسْلَامِ وَأَهْلِه ! ثَبِّتْنِيْ بِه حَتّٰى أَلْقَاكَ. أَسْأَلُكَ غِنَايَ وَغِنٰى مَوْلَايَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার জীবনের সর্বোত্তম অংশ করুন সর্বশেষ অংশ এবং আমার সর্বোত্তম কর্ম করুন আমার শেষের কর্ম আর আমার সর্বোত্তম দিন যেন হয় ঐ দিনটি, যেদিন আপনার সাথে মিলিত হব।৮৬ হে সহায় ইসলাম ও মুসলমানের! আমাকে ইসলামের উপর অটল রাখুন আপনার সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত।৮৭ আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আমার ও আমার সংশ্লিষ্টদের তুষ্টি ও পরিতুষ্টি। (যার দ্বারা না আমি কারো মুখাপেক্ষী থাকব, না আমার সংশ্লিষ্টরা)।

.

আয়াতে শেফা (রোগ মুক্তির ৬ টি আয়াত)

পবিত্র কুরআনে কারীমের ৬ টি আয়াত আয়াতে শেফা বা রোগ মুক্তির আয়াত নামে পরিচিত। এগুলো পড়ার পূর্বে সূরা ফাতিহা পড়ে নেয়া উত্তম। ۞ وَيَشْفِ صُدُوْرَ قَوْمٍ مُّؤْمِنِيْنَ ১. ۞ وَشِفَآءٌ لِّمَا فِی الصُّدُوۡرِ وَهُدًى وَّرَحۡمَۃٌ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ ২. ۞ یَخۡرُجُ مِنۡۢ بُطُوۡنِہَا شَرَابٌ مُّخۡتَلِفٌ اَلۡوَانُہٗ فِیۡہِ شِفَآءٌ لِّلنَّاسِ ৩. ۞ وَنُنَزِّلُ مِنَ الۡقُرۡاٰنِ مَا هُوَ شِفَآءٌ وَّرَحۡمَۃٌ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ ৪. ۞ وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِيْنِ ৫. ۞ قُلْ هُوَ لِلَّذِيْنَ آمَنُوْا هُدًى وَّشِفَاءٌ ৬.
উচ্চারণঃ

১. ওয়া ইয়াশফি ছুদু-রা ক্বাওমিম মু’মিনি-ন। ২. ওয়া শিফাউ’ল লিমা- ফিচ্ছুদু-রি ওয়া হুদাও ওয়া রাহমাতুল লিল মু’মিনি-ন। ৩. ইয়াখরুঝু মিমবুতু-নিহা- শারা-বুম মুখতালিফুন, আলওয়ানুহু- ফি-হি শিফা-উ লিন্না-সি। ৪. ওয়া নুনাজ্জিলু মিনাল ক্বুরআ’নি মা হুয়া শিফাউও ওয়া রাহমাতুল লিলমু’মিনি-ন। ৫. ওয়া ইজা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফি-নি। ৬. কুল হুওয়া লিল্লাযীনা আ-মানূ হুদাওঁ ওয়া শিফাউন।

অর্থঃ

১. এবং আল্লাহ মু’মিনদের (মুসলমানদের) অন্তরসমূহ শান্ত করে দেন। ২. এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য। ৩. তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। ৪. আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। ৫. এবং যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন ৬. বলুন, এটা বিশ্বাসীদের জন্য হেদায়েত ও রোগের প্রতিকার

.

কুরআনে বর্ণিত রব্বানা দু‘আ-৩

۞ رَبَّنَا اٰ تِنَا مِن لَّدُنْكَ رَحْمَةً وَّهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا
উচ্চারণঃ

রাব্বানাআ-তিনা-মিল্লাদুনকা রাহমাতাওঁ ওয়া হাইয়ি’ লানা-মিন আমরিনা-রাশাদা-।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের প্রতি আপনার নিকট থেকে বিশেষ রহমত নাযিল করুন এবং আমাদের এ পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য কল্যাণকর পথের ব্যবস্থা করে দিন।

.

কারো থেকে বিদায় নেয়ার সময় এ দু‘আ পড়বে

۞ اَسْتَوْدِعُكُمُ اللهَ الَّذِيْ لَا تَضِيْعُ وَدَائِعُهٗ
উচ্চারণঃ

আস্তাউদি‘উ কুমুল্লা হাললাযী লা তাযী‘উ ওয়াদা ই ‘উহূ।

অর্থঃ

আমি তোমাকে এমন সত্তার কাছে আমানত রেখে যাচ্ছি, যিনি তার আমানত কখনও নষ্ট করেন না।

.

কঠিন রোগমুক্তির দু‘আ

۞ رَبِّ اَنِّـىْ مَـسَّـنِـىَ الـضُّـرُّ وَاَنْـتَ اَرْحَـمُ الـرّٰحِـمِـيْـنَ
অর্থঃ

আমি দুঃখ-কষ্টে পড়েছি, তুমিতো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।

.

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলে পড়বে

۞ لَا بَأْسَ طَهُوْ رٌ إِنْ شَاءَ اللّٰهُ – أَسْأَلُ اللّٰهَ الْعَظِيْمَ رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ أَنْ يَشْفِيَكَ
উচ্চারণঃ

লা বা’সা তাহুরুন ইনশাআল্লাহ, আস আলুল্লাহাল ‘আযীম রব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম আইঁ ইয়াশ ফিয়াক।

অর্থঃ

বিচলিত হওয়ার কোন কারণ নেই। (আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন) ইনশাআল্লাহ্‌ এই রোগ (বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অপবিত্রতা থেকে) পবিত্রতা সাধনকারী। এরপরে সাতবার এই দু‘আ পড়বে : আমি আরশে আযীমের মালিক, মহান আল্লাহ্‌ তা‘আলার নিকট আপনার সুস্থতার জন্যে দু‘আ করছি।

.

একান্ত প্রিয় বস্তু হারিয়ে গেলে যে দু‘আ পড়বে

۞ اِنَّا لِلّٰهِ وَاِنَّا اِلَيْهِ رَاجِعُوْنَ. اَللّٰهُمَّ أْجُرْنِيْ فِـيْ مُصِيْبَتِيْ. وَاَخْلِفْ لِيْ خَيْرًا مِّنْهَا
উচ্চারণঃ

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘ঊন, আল্লাহুম্মা’ জুরনী ফী মুসী বাতী ওয়া আখলিফলী খইরম মিনহা।

অর্থঃ

নিঃসন্দেহে আমরা আল্লাহ তা‘আলারই জন্য এবং আল্লাহ তা‘আলারই দিকে ফিরে যাব। হে আল্লাহ ! আমাকে আমার মুসিবতের উপর সওয়াব দান করুন, আর যে জিনিস আপনি আমার নিকট থেকে নিয়ে গিয়াছেন তা থেকে উত্তম জিনিস আমাকে দান করুন।

.

বদনজর থেকে বাঁচার দু‘আ

۞ اَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَّهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ
উচ্চারণঃ

আ‘ঊযু বিকালিমা তিল্লা হিত তা ম্মাতি মিন কুল্লি শাইত্বা নিউ ওয়া হা ম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনীন লাম্মাতিন।

অর্থঃ

সকল শয়তান, কীটপতঙ্গ ও বদ নযর থেকে আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালিমাসমূহের মাধ্যমে আশ্রয় চাচ্ছি।

.

সাফা এবং মারওয়া পাহাড়ে আরোহণের দু‘আ

۞ إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ أَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللهُ بِه اَللّٰهُ أَكْبَرْ ، اَللّٰهُ أَكْبَرْ ، اَللّٰهُ أَكْبَرْ ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ ، أَنْجَزَ وَعْدَهٗ ، وَنَصَرَ عَبْدَهٗ ، وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهٗ
উচ্চারণঃ

ইন্নাস সাফা ওয়াল মারওয়াতা মিন শা‘আইরিল্লাহ। আবদাউ বিমা বাদাআল্লাহু বিহী। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াহদাহু লা শরীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইন কাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু আনজাযা ওয়াদাহু, ওয়া নাসারা আবদাহু, ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহু।

অর্থঃ

নিশ্চয়ই সাফা-মারওয়া পাহাড় আল্লাহর নিদর্শানাবলীর মধ্য থেকে অন্যতম নিদশর্ন। আল্লাহ যেভাবে শুরু করেছেন, আমিও সেভাবে শুরু করছি। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। তিনি একক। তার কোন শরীক নাই। সকল ক্ষমতা তার এবং সকল প্রশংসার উপযুক্ত তিনিই। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, তিনি একক, তিনি তার ওয়াদা পূরন করেন, তার বান্দাদের সাহায্য করেন এবং একাই সম্মিলিত দুশমন বাহিনীকে পরাজিত করেন।

১০.

দু‘আ-৫৫

رَبِّ أَعِنِّيْ وَلَا تُعِنْ عَلَيَّ، وَانْصُرْنِيْ وَلَا تَنْصُرْ عَلَيَّ، وَامْكُرْ لِيْ وَلَا تَمْكُرْ عَلَيَّ، وَاهْدِنِيْ وَيَسِّرِ الْهُدٰى لِيْ، وَانْصُرْنِيْ عَلٰى مَنْ بَغٰى عَلَيَّ.رَبِّ اجْعَلْنِيْ لَكَ ذَكَّارًا، لَكَ شَكَّارًا، لَكَ رَهَّابًا، لَكَ مِطْوَاعًا، لَكَ مُطِيْعًا، لَّكَ مُخْبِتًا، إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُّنِيْبًا. رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِيْ، وَاغْسِلْ حُوْبَتِيْ، وَأَجِبْ دَعْوَتِيْ، وَثَبِّتْ حُجَّتِيْ، وَسَدِّدْ لِسَانِيْ، وَاهْدِ قَلْبِيْ، وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ صَدْرِىْ.
অর্থঃ

পরওয়ারদেগার! আমাকে মদদ দিন, আমার বিরুদ্ধে কাউকে মদদ দিয়েন না। আমাকে জয়ী করুন, আমার উপর অন্যকে জয়ী কোরেন না। আমার পক্ষে ব্যবস্থা নিন, আমার বিপক্ষে কারো ব্যবস্থা সফল কোরেন না। আমাকে হেদায়েত দিন এবং হেদায়েতকে আমার জন্য সহজ করুন। আমাকে সাহায্য করুন তার বিরুদ্ধে যে আমার উপর জুলুম করে। পরওয়ারদেগার! আপনাকে যেন বেশি বেশি স্মরণ করি। বেশি বেশি আপনার শোকরগোজারি করি। আপনাকেই যেন খুব ভয় করি। আপনার খুব ফরমাবরদারি করি। আপনার খুব অনুগত থাকি। আপনারই কাছে যেন প্রশান্তি পাই, আপনারই দরবারে যেন ফরিয়াদি হই এবং আপনারই দিকে রুজু করি। পরওয়ারদেগার! আমার তাওবা কবুল করুন। আমার পাপ ধৌত করুন। আমার প্রার্থনা মঞ্জুর করুন। আমার দ্বীনী দলিল অটল রাখুন। আমার জিহ্বাকে করুন সত্যভাষী, হৃদয়কে করুন সুপথগামী আর আমার বুক থেকে দূর করে দিন অস্বচ্ছতা, (যাতে সকল অবস্থায় দ্বীনের উপর থাকা এবং আল্লাহ ও তাঁর বান্দাদের হক আদায় করা আমার পক্ষে সহজ হয়।)৫৬

১১.

দু‘আ-৭৪

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ كُلَّ قَضَآءٍ تَقْضِيْهِ لِيْ خَيْرًا، وَأَسْأَلُكَ مَا قَضَيْتَ لِيْ مِنْ أَمْرٍ أَنْ تَجْعَلَ عَاقِبَتَهٗ رُشْدًا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে ঐ কল্যাণ চাই, যা আপনার বান্দা ও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আপনার কাছে প্রার্থনা করেছেন। ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে জান্নাত চাই। আর চাই ঐ সকল কথা ও কাজের তাওফীক, যা তার কাছে নিয়ে যায়। আর প্রার্থনা করি, আপনার সকল ফয়সালা আমার জন্য কল্যাণকর করুন এবং প্রার্থনা করি, আমার বিষয়ে আপনার যা কিছু ফয়সালা তার পরিণাম শুভ করুন।৭৩

১২.

দু‘আ-১৬

رَبَّنَا اغْفِرْ لِیْ وَ لِوَالِدَیَّ وَ لِلْمُؤْمِنِیْنَ یَوْمَ یَقُوْمُ الْحِسَابُ۠۝۴۱
উচ্চারণঃ

রাব্বানাগফিরলী ওয়া লিওয়ালিদাইয়া ওয়ালিলমু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াকূমুল হিছা-ব।

অর্থঃ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন (অর্থাৎ কিয়ামতের দিন) আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও সকল মুমিনকে মাফ করে দিয়েন।১৮

১৩.

দু‘আ-৮৫

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُبِكَ مِنْ سُوْٓءِ الْعُمُرِ وَ فِتْنَةِ الصَّدْرِ، و َأَعُوْذُ بِعِزَّتِكَ ــ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ ــ أَنْ تُضِلَّنِيْ، وَمِنْ جَهْدِ الْبَلَآءِ وَ دَرَكِ الشَّقَآءِ، وَ سُوْٓءِ الْقَضَآءِ، وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَآءِ، وَمِنْ شَرِّ مَاعَمِلْتُ وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْمَلْ، وَمِنْ شَرِّ مَاعَلِمْتُ وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْلَمْ، وَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَآءَةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيْعِ سَخَطِكَ، وَمِنْ شَرِّ سَمْعِيْ وَمِنْ شَرِّ بَصَرِيْ، وَمِنْ شَرِّ لِسَانِيْ وَمِنْ شَرِّ قَلْبِيْ، وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّيْ، وَمِنَ الْفَاقَةِ، وَمِنْ أَنْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ، وَمِنَ الْهَدَمِ، وَمِنَ التَّرَدِّيْ، وَمِنَ الْغَرَقِ وَالْحَرَقِ، وَأَنْ يَّتَخَبَّطَنِيْ الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ، وَمِنْ أَنْ أَمُوْتَ فِيْ سَبِيْلِكَ مُدْبِرًا وَّ أَنْ أَمُوْتَ لَدِيْغًا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে আশ্রয় নিচ্ছি কল্যাণহীন জীবন থেকে ও অন্তরের ফিতনা থেকে এবং আপনার প্রতাপের ছায়ায় আশ্রয় নিচ্ছি - নেই কোনো মাবুদ আপনি ছাড়া - আমাকে পথভ্রষ্ট কোরেন না। (আশ্রয় চাই) কঠিন বিপদ থেকে, দুর্ভাগ্যের শিকার হওয়া থেকে, মন্দ ভাগ্য থেকে, শত্রুকুলের তৃপ্তির হাসি থেকে, আমার কৃত ও অকৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে, আমার জানা-অজানা বিষয়াদির অনিষ্ট থেকে, আপনার নেয়ামত উঠে যাওয়া থেকে, আপনার সুরক্ষা ঘুরে যাওয়া থেকে, আপনার অতর্কিত শাস্তি থেকে এবং আপনার সকল অসন্তুষ্টি থেকে। (আমি পানাহ চাই) আমার শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তির অনিষ্ট থেকে, আমার জিহ্বা ও অন্তঃকরণের অনিষ্ট থেকে এবং আমার বীর্যের অনিষ্ট থেকে। (অর্থাৎ অবৈধ যৌনাচার থেকে।) (আমি পানাহ চাই) অনাহার থেকে, জালিম বা মজলুম হওয়া থেকে, চাপা পড়া, উপর থেকে পড়ে যাওয়া, ডুবে যাওয়া ও অগ্নিদগ্ধ হওয়া থেকে। (আমি পানাহ চাই) মৃত্যুর সময় শয়তানের দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়া থেকে, জিহাদ থেকে পলায়নরত অবস্থায় মরণ থেকে এবং দংশিত হয়ে মৃত্যুবরণ থেকে।৮৮

১৪.

দু‘আ-৮৭

اَللّٰهُمَّ ضَعْ فِيْۤ أَرْضِنَا بَرَكَتَهَا وَزِيْنَتَهَا وَسَكَنَهَا، وَلَا تَحْرِمْنِيْ بَرَكَة َ مَاۤ أَعْطَيْتَنِيْ، وَلَا تَفْتِنِّيْ فِيْمَاۤ أَحْرَمْتَنِيْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাদের মাটিতে প্রাচুর্য দিন। শোভা ও শ্যামলিমা দিন এবং শান্তি ও নিরাপত্তা দিন। যা কিছু আমাকে দান করেছেন, তার বরকত থেকে আমাকে বঞ্চিত কোরেন না। আর যা কিছু থেকে আমাকে বঞ্চিত করেছেন, তার বিষয়ে আমাকে পরীক্ষাগ্রস্ত কোরেন না।৯০

১৫.

দু‘আ-১১৩

اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ قُلُوْبًا أَوَّاهَةً مُّخْبِتَةً مُّنِيْبَةً فِيْ سَبِيْلِكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এমন অন্তর, যা হয় খুব বেদনাদীর্ণ, খুবই বিনম্র, এবং আপনার পথে রুজুকারী।১১০

১৬.

দু‘আ-৭৯

اَللّٰهُمَّ قَنِّعْنِيْ بِمَا رَزَقْتَنِيْ وَبَارِكْ لِيْ فِيْهِ وَاخْلُفْ عَلٰى كُلِّ غَآئِبَةٍ لِّيْ بِخَيْرٍ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনি যা দান করেছেন তাতে আমাকে সন্তুষ্ট রাখুন এবং আমার জন্য তাতে বরকত রাখুন। আর যা আমার দৃষ্টির বাইরে তাতে কল্যাণের সাথে আমার রক্ষক হোন।৭৯

১৭.

দু‘আ-৮৮

اَللّٰهُمَّ أَحْسَنْتَ خَلْقِيْ فَأَحْسِنْ خُلُقِيْ، وَأَذْهِبْ غَيْظَ قَلْبِيْ، وَأَجِرْنِيْ مِنْ مُضِلَّاتِ الْفِتَنِ مَاۤ أَحْيَيْتَنَا.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনি যেমন আমাকে সুন্দর আকৃতি দিয়েছেন, সুন্দর চরিত্রও দান করুন। আমার অন্তরের ক্ষোভ দূর করে দিন এবং যতদিন আমাদের জীবিত রাখেন পথভ্রষ্টকারী ফিতনাসমূহ থেকে আমাকে রক্ষা করুন।৯১

১৮.

ক্রোধ দমনের জন্যে এই দু‘আ পড়বে

۞ اَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
উচ্চারণঃ

আ‘ঊযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রজীম।

অর্থঃ

আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।

১৯.

আকস্মিক পরীক্ষা ও বিপদ থেকে মুক্তির দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيْعِ سَخَطِكَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন যাওয়ালি নি’মাতিকা, ওয়া তাহাওউলি আফিয়াতিকা, ওয়া ফুজাআতি নিক্বমাতিকা, ওয়া জামিয়ি সাখাত্বিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই নেয়ামত দূর হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার দেয়া সুস্থতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে। আশ্রয় চাই তোমার কাছ থেকে হঠাৎ আসা শাস্তি থেকে। তোমার সব ধরণের অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই।

২০.

সূরা মারইয়াম ( আয়াত নং - ৪ )

قَالَ رَبِّ اِنِّیۡ وَہَنَ الۡعَظۡمُ مِنِّیۡ وَاشۡتَعَلَ الرَّاۡسُ شَیۡبًا وَّلَمۡ اَکُنۡۢ بِدُعَآئِکَ رَبِّ شَقِیًّا
উচ্চারণঃ

কা-লা রাব্বি ইন্নী ওয়াহানাল ‘আজমু মিন্নী ওয়াশতা‘আলার রা’ছু শাইবাওঁ ওয়ালাম আকুম বিদু‘আইকা রাব্বি শাকিইইয়া-।

অর্থঃ

সে বলেছিল, ‘হে আমার রব! আমার অস্থি দুর্বল হয়েছে, বার্ধক্যে আমার মস্তক শুভ্রোজ্জ্বল হয়েছে; হে আমার প্রতিপালক! তোমাকে আহ্বান করে আমি কখনও ব্যর্থকাম হই নাই।