আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ফি'লাল খইরাতি, ওয়া তারকাল মুনকারাতি, ওয়া হুব্বাল মাসাকীন, ওয়া আন তাগফিরা লী ওয়া তারহামানী, ওয়া ইযা আরাদতা বি-কাওমিন ফিতনাতান ফাতাওয়াফ্ফানী গাইরা মাফতুন, আসআলুকা হুব্বাকা ওয়া হুব্বা মান ইউহিব্বুকা ওয়া হুব্বা আমালিন ইউকাররিবু ইলা হুব্বিক।
ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে তাওফীক চাই ভালো কাজসমূহ করার এবং মন্দ কাজসমূহ ছাড়ার। তাওফীক চাই অভাবীদের ভালোবাসার। আর আমাকে ক্ষমা করুন ও আমার উপর রহম করুন। আর যখন ইচ্ছা করবেন কোনো জাতিকে বিপদগ্রস্ত করার তো আমাকে তুলে নিয়েন বিপদগ্রস্ত হওয়ার আগেই। আমি আপনার কাছে চাই আপনার ভালোবাসা এবং ঐ ব্যক্তির ভালোবাসা, যে আপনাকে ভালোবাসে। আর ঐ কাজেরও ভালোবাসা, যা আপনার ভালোবাসার নিকটবর্তী করে।
ইয়া আল্লাহ! আমার জীবনের সর্বোত্তম অংশ করুন সর্বশেষ অংশ এবং আমার সর্বোত্তম কর্ম করুন আমার শেষের কর্ম আর আমার সর্বোত্তম দিন যেন হয় ঐ দিনটি, যেদিন আপনার সাথে মিলিত হব। হে সহায় ইসলাম ও মুসলমানের! আমাকে ইসলামের উপর অটল রাখুন আপনার সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত। আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আমার ও আমার সংশ্লিষ্টদের তুষ্টি ও পরিতুষ্টি। (যার দ্বারা না আমি কারো মুখাপেক্ষী থাকব, না আমার সংশ্লিষ্টরা)।
ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে প্রার্থনা করছি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অসিলায়, যিনি আপনার নবী; ইবরাহীম আ.-এর অসিলায়, যিনি আপনার খলীল; মূসা আ.-এর অসিলায়, যিনি আপনার ‘কালীম’ (কথোপকথনকারী); ঈসা আ.-এর অসিলায়, যিনি আপনার ‘কালিমা’ ও ‘রূহ’ এবং মূসা আ.-এর কালামের (তাওরাত) অসিলায়, ঈসা আ.-এর ইনজীলের অসিলায়, দাউদ আ.-এর যাবুরের অসিলায়, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কুরআনের অসিলায়। আপনার অহীর অসিলায়, যা আপনি প্রেরণ করেছেন, আপনার প্রত্যেক (জাগতিক) বিধানের অসিলায়, যা আপনি জারি করেছেন; প্রত্যেক প্রার্থনাকারীর অসিলায়, যাকে আপনি দান করেছেন; প্রত্যেক দরিদ্রের অসিলায়, যাকে আপনি ধনী করেছেন; প্রত্যেক ধনীর অসিলায়, যাকে আপনি ফকীর বানিয়েছেন; প্রত্যেক গোমরাহ ব্যক্তির অসিলায়, যাকে আপনি হেদায়েত দিয়েছেন। আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আপনার ঐ গুণের অসিলায়, যা আপনি ভূমিতে স্থাপন করেছেন; ফলে ভূমি স্থির হয়েছে; আসমানে স্থাপন করেছেন; যাতে আসমান স্থিতি লাভ করেছে, পাহাড়-পর্বতে স্থাপন করেছেন; ফলে তা সুদৃঢ় হয়েছে; প্রার্থনা করছি আপনার ঐ নামের অসিলায়, যার দ্বারা আপনার আরশ স্থির হয়েছে। প্রার্থনা করছি আপনার কাছে আপনার ঐ গুণের অসিলায়, যা পবিত্র ও শুচি-শুভ্র এবং আপনার পক্ষ হতে আপনার কিতাবে নাযিলকৃত; এবং আপনার গুণের অসিলায়, যা আপনি দিবসের উপর স্থাপন করেছেন; ফলে তা উজ্জ্বল হয়েছে এবং রাতের উপর রেখেছেন; ফলে তা অন্ধকার হয়েছে। এবং আপনার বড়ত্ব ও মহত্ত্বের অসিলায় এবং আপনার সত্তার জ্যোতির অসিলায় (প্রার্থনা করছি যে) আপনি আমাকে কুরআনে আযীম দান করুন এবং তা আমার রক্ত-মাংসে, শ্রবণ ও দৃষ্টিতে মিশিয়ে দিন আর সে অনুযায়ী আমার দেহকে পরিচালিত করুন আপনার শক্তি ও ক্ষমতায়। নিশ্চয়ই সম্ভব নয় (গুনাহ থেকে) বাঁচা আর না (নেক আমলের) সামর্থ্য আপনার সাহায্য ছাড়া। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে আপনার গোপন কৌশল সম্পর্কে শঙ্কাহীন কোরেন না, আপনার স্মরণ থেকে আমাদের গাফেল কোরেন না, আমাদের উপর থেকে আপনার পর্দা সরিয়ে নিয়েন না, আর আমাদের গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত কোরেন না।
যাউওয়াদাকাল্লা-হুত্ তাক্বওয়া, ওয়াগাফারা যামবাকা, ওয়া ইয়াসসারা লাকাল খাইরা হাইসুমা কুন্ত্।
আল্লাহ তোমাকে তাকওয়া (সংযমশীলতার-পাথেয়) প্রদান করুন, তোমার গোনাহ মাফ করে দিন, তুমি যেখানেই থাক, আল্লাহ যেন তোমার জন্য কল্যাণ সহজ করে দেন।
১. ওয়া ইয়াশফি ছুদু-রা ক্বাওমিম মু’মিনি-ন। ২. ওয়া শিফাউ’ল লিমা- ফিচ্ছুদু-রি ওয়া হুদাও ওয়া রাহমাতুল লিল মু’মিনি-ন। ৩. ইয়াখরুঝু মিমবুতু-নিহা- শারা-বুম মুখতালিফুন, আলওয়ানুহু- ফি-হি শিফা-উ লিন্না-সি। ৪. ওয়া নুনাজ্জিলু মিনাল ক্বুরআ’নি মা হুয়া শিফাউও ওয়া রাহমাতুল লিলমু’মিনি-ন। ৫. ওয়া ইজা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফি-নি। ৬. কুল হুওয়া লিল্লাযীনা আ-মানূ হুদাওঁ ওয়া শিফাউন।
১. এবং আল্লাহ মু’মিনদের (মুসলমানদের) অন্তরসমূহ শান্ত করে দেন। ২. এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য। ৩. তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। ৪. আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। ৫. এবং যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন ৬. বলুন, এটা বিশ্বাসীদের জন্য হেদায়েত ও রোগের প্রতিকার
আল্লাহুম্মা সল্লিআ’লা- মুহাম্মাদিও ওয়া আনযিলহুল মাক্ব’আদাল মুক্বার্রবা ই’নদাকা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ্।
হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর রহমত বর্ষিত কর, এবং কিয়ামতের দিন তুমি তাঁকে তোমার নিকটতম স্থানে অধিষ্ঠিত কর।
রাব্বানাআ-তিনা-মিল্লাদুনকা রাহমাতাওঁ ওয়া হাইয়ি’ লানা-মিন আমরিনা-রাশাদা-।
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের প্রতি আপনার নিকট থেকে বিশেষ রহমত নাযিল করুন এবং আমাদের এ পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য কল্যাণকর পথের ব্যবস্থা করে দিন।
লা বা’সা তাহুরুন ইনশাআল্লাহ, আস আলুল্লাহাল ‘আযীম রব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম আইঁ ইয়াশ ফিয়াক।
বিচলিত হওয়ার কোন কারণ নেই। (আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন) ইনশাআল্লাহ্ এই রোগ (বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অপবিত্রতা থেকে) পবিত্রতা সাধনকারী। এরপরে সাতবার এই দু‘আ পড়বে : আমি আরশে আযীমের মালিক, মহান আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট আপনার সুস্থতার জন্যে দু‘আ করছি।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘ঊন, আল্লাহুম্মা’ জুরনী ফী মুসী বাতী ওয়া আখলিফলী খইরম মিনহা।
নিঃসন্দেহে আমরা আল্লাহ তা‘আলারই জন্য এবং আল্লাহ তা‘আলারই দিকে ফিরে যাব। হে আল্লাহ ! আমাকে আমার মুসিবতের উপর সওয়াব দান করুন, আর যে জিনিস আপনি আমার নিকট থেকে নিয়ে গিয়াছেন তা থেকে উত্তম জিনিস আমাকে দান করুন।
ইন্নাস সাফা ওয়াল মারওয়াতা মিন শা‘আইরিল্লাহ। আবদাউ বিমা বাদাআল্লাহু বিহী। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াহদাহু লা শরীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইন কাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু আনজাযা ওয়াদাহু, ওয়া নাসারা আবদাহু, ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহু।
নিশ্চয়ই সাফা-মারওয়া পাহাড় আল্লাহর নিদর্শানাবলীর মধ্য থেকে অন্যতম নিদশর্ন। আল্লাহ যেভাবে শুরু করেছেন, আমিও সেভাবে শুরু করছি। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। তিনি একক। তার কোন শরীক নাই। সকল ক্ষমতা তার এবং সকল প্রশংসার উপযুক্ত তিনিই। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, তিনি একক, তিনি তার ওয়াদা পূরন করেন, তার বান্দাদের সাহায্য করেন এবং একাই সম্মিলিত দুশমন বাহিনীকে পরাজিত করেন।
ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে আশ্রয় নিচ্ছি কল্যাণহীন জীবন থেকে ও অন্তরের ফিতনা থেকে এবং আপনার প্রতাপের ছায়ায় আশ্রয় নিচ্ছি - নেই কোনো মাবুদ আপনি ছাড়া - আমাকে পথভ্রষ্ট কোরেন না। (আশ্রয় চাই) কঠিন বিপদ থেকে, দুর্ভাগ্যের শিকার হওয়া থেকে, মন্দ ভাগ্য থেকে, শত্রুকুলের তৃপ্তির হাসি থেকে, আমার কৃত ও অকৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে, আমার জানা-অজানা বিষয়াদির অনিষ্ট থেকে, আপনার নেয়ামত উঠে যাওয়া থেকে, আপনার সুরক্ষা ঘুরে যাওয়া থেকে, আপনার অতর্কিত শাস্তি থেকে এবং আপনার সকল অসন্তুষ্টি থেকে। (আমি পানাহ চাই) আমার শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তির অনিষ্ট থেকে, আমার জিহ্বা ও অন্তঃকরণের অনিষ্ট থেকে এবং আমার বীর্যের অনিষ্ট থেকে। (অর্থাৎ অবৈধ যৌনাচার থেকে।) (আমি পানাহ চাই) অনাহার থেকে, জালিম বা মজলুম হওয়া থেকে, চাপা পড়া, উপর থেকে পড়ে যাওয়া, ডুবে যাওয়া ও অগ্নিদগ্ধ হওয়া থেকে। (আমি পানাহ চাই) মৃত্যুর সময় শয়তানের দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়া থেকে, জিহাদ থেকে পলায়নরত অবস্থায় মরণ থেকে এবং দংশিত হয়ে মৃত্যুবরণ থেকে।
ইয়া আল্লাহ! আমাদের মাটিতে প্রাচুর্য দিন। শোভা ও শ্যামলিমা দিন এবং শান্তি ও নিরাপত্তা দিন। যা কিছু আমাকে দান করেছেন, তার বরকত থেকে আমাকে বঞ্চিত কোরেন না। আর যা কিছু থেকে আমাকে বঞ্চিত করেছেন, তার বিষয়ে আমাকে পরীক্ষাগ্রস্ত কোরেন না।
ইয়া হাইউ! ইয়া কাইয়ূমু! আপনার রহম-করমের তোফায়েলে ফরিয়াদ, আমার জন্য দুরস্ত করে দিন আমার সকল কিছু আর আমাকে এক লমহার জন্যও ছেড়ে দিয়েন না আমার নিজের দায়িত্বে।
ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ঐ ঈমান চাই, যা আমার অন্তরে মিশে যায়, ঐ পাকা ইয়াকীন চাই, যার দ্বারা নিশ্চিত জানব যে, আমার শুধু তা-ই হতে পারে, যা আমার জন্য লিখে রেখেছেন। আর চাই জীবিকার উপর সন্তুষ্টি, যা আপনি আমার হিস্যায় রেখেছেন।
কা-লা রাব্বি ইন্নী ওয়াহানাল ‘আজমু মিন্নী ওয়াশতা‘আলার রা’ছু শাইবাওঁ ওয়ালাম আকুম বিদু‘আইকা রাব্বি শাকিইইয়া-।
সে বলেছিল, ‘হে আমার রব! আমার অস্থি দুর্বল হয়েছে, বার্ধক্যে আমার মস্তক শুভ্রোজ্জ্বল হয়েছে; হে আমার প্রতিপালক! তোমাকে আহ্বান করে আমি কখনও ব্যর্থকাম হই নাই।
দু'আর বিষয়সমূহ
40টি বিষয় পাওয়া গেছে