মা'আরিফুল হাদীস
معارف الحديث
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩২২ টি
হাদীস নং: ২০১
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নতুন চাঁদ দেখা কালীন দু'আ
২০১. হযরত তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন কোন মাসের নতুন চাঁদ দেখতেন তখন এরূপ দু'আ করতেন:
اَللّٰهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللّٰهُ
হে আল্লাহ! এ চাঁদ আমাদের জন্যে নিরাপত্তা এবং ঈমান ও শান্তির চাঁদ হোক। হে চাঁদ, তোমার ও আমার উভয়ের প্রতিপালক হচ্ছেন আল্লাহ।
(জামে' তিরমিযী)
اَللّٰهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللّٰهُ
হে আল্লাহ! এ চাঁদ আমাদের জন্যে নিরাপত্তা এবং ঈমান ও শান্তির চাঁদ হোক। হে চাঁদ, তোমার ও আমার উভয়ের প্রতিপালক হচ্ছেন আল্লাহ।
(জামে' তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا رَأَى الْهِلالَ، قَالَ: " اللهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيمَانِ، وَالسَّلامَةِ وَالْإِسْلامِ، رَبِّي وَرَبُّكَ اللهُ " (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০২
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নতুন চাঁদ দেখা কালীন দু'আ
২০২. হযরত কাতাদা (রহ) বর্ণনা করেন যে, তাঁর কাছে এ রিওয়ায়াত পৌছেছে যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন তিনবার বলতেন هِلاَلُ خَيْرٍ وَرُشْدٍ “খায়র ও বরকত এবং হিদায়াতের চাঁদ।”
তারপর তিনি তিনবার বলতেন : آمَنْتُ بِالَّذِي خَلَقَكَ - "আমার ঈমান রয়েছে সেই আল্লাহর প্রতি, যিনি তোকে সৃষ্টি করেছেন।"
তারপর বলতেনঃ
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِي ذَهَبَ بِشَهْرِ كَذَا وَجَاءَ بِشَهْرِ كَذَا -
"সমস্ত প্রশংসা ও শুকরিয়া সেই আল্লাহর যাঁর হুকুমে অমুক মাস খতম হলো এবং অমুক মাস শুরু হলো।"
-(সুনানে আবূ দাউদ)
তারপর তিনি তিনবার বলতেন : آمَنْتُ بِالَّذِي خَلَقَكَ - "আমার ঈমান রয়েছে সেই আল্লাহর প্রতি, যিনি তোকে সৃষ্টি করেছেন।"
তারপর বলতেনঃ
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِي ذَهَبَ بِشَهْرِ كَذَا وَجَاءَ بِشَهْرِ كَذَا -
"সমস্ত প্রশংসা ও শুকরিয়া সেই আল্লাহর যাঁর হুকুমে অমুক মাস খতম হলো এবং অমুক মাস শুরু হলো।"
-(সুনানে আবূ দাউদ)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ قَتَادَةُ أَنَّ النَّبِيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا رَأَى الْهِلَالَ قَالَ: «هِلَالُ خَيْرٍ وَرُشْدٍ، هِلَالُ خَيْرٍ وَرُشْدٍ، هِلَالُ خَيْرٍ وَرُشْدٍ، آمَنْتُ بِالَّذِي خَلَقَكَ» ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، ثُمَّ يَقُولُ: «الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي ذَهَبَ بِشَهْرِ كَذَا، وَجَاءَ بِشَهْرِ كَذَا. (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৩
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ লাইলাতুল কদরের দু'আ
কবুলিয়তের দিক দিয়ে শবেকদরের অনন্য সাধারণ মর্যাদার বিবরণ সম্বলিত হাদীসসমূহ মা'আরিফুল হাদীস চতুর্থ খণ্ডের কিতাবুস-সাওম বা রোযা অধ্যায়ে বর্ণনা করা হয়েছে। এ রাতে পাঠের একটি সংক্ষিপ্ততম দু'আ এখানেও দেয়া গেলঃ
কবুলিয়তের দিক দিয়ে শবেকদরের অনন্য সাধারণ মর্যাদার বিবরণ সম্বলিত হাদীসসমূহ মা'আরিফুল হাদীস চতুর্থ খণ্ডের কিতাবুস-সাওম বা রোযা অধ্যায়ে বর্ণনা করা হয়েছে। এ রাতে পাঠের একটি সংক্ষিপ্ততম দু'আ এখানেও দেয়া গেলঃ
২০৩. হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর খিদমতে আরয করলাম: ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যদি শবেকদর পাই তা হলে কী দু'আ করবো? জবাবে তিনি বললেন: আল্লাহ তা'আলার দরবারে এরূপ আরয করবে : اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّى হে আল্লাহ! তুমি পাপী-তাপীদের ক্ষমাকারী ক্ষমার আধার; ক্ষমা করাকে তুমি অত্যন্ত ভালবাস, সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও! (জামে' তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَائِشَةَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ وَافَقْتُ لَيْلَةَ الْقَدْرِ مَا أَدْعُو بِهِ؟ قَالَ: " قَوْلِي: اللهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي " (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৪
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আরাফাতের দু'আ
৯ যিলহজ্বে আরাফাতের ময়দানে যখন আল্লাহর খাস মেহমান হাজীগণ আল্লাহ তা'আলার দরবারে হাযির হন তখন কিতাবুল হজ্ব-এ বর্ণিত হাদীসসমূহ অনুসারে সেখানে মুশলধারে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হতে থাকে। দু'আ কবুল হওয়ার জন্যে এটা হচ্ছে সবচাইতে খাস মওকা। এ মওকায় পাঠের যে সব দু'আ রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে বর্ণিত আছে, তা নিম্নে দেয়া হলো:
৯ যিলহজ্বে আরাফাতের ময়দানে যখন আল্লাহর খাস মেহমান হাজীগণ আল্লাহ তা'আলার দরবারে হাযির হন তখন কিতাবুল হজ্ব-এ বর্ণিত হাদীসসমূহ অনুসারে সেখানে মুশলধারে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হতে থাকে। দু'আ কবুল হওয়ার জন্যে এটা হচ্ছে সবচাইতে খাস মওকা। এ মওকায় পাঠের যে সব দু'আ রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে বর্ণিত আছে, তা নিম্নে দেয়া হলো:
২০৪. হযরত আমর ইবনে শুআইব তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর পিতার (অর্থাৎ আমরের পিতামহের) সূত্রে বর্ণনা করেন, আরাফাতের দিনের সর্বোত্তম দু'আ যা আমার এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণের মুখে উচ্চারিত হয়েছে, তা হচ্ছে:
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.
আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই; তিনি একক তাঁর কোন শরীক বা সমকক্ষ নেই। রাজত্ব তাঁরই আর সমস্ত প্রশংসা একমাত্র তাঁরই; আর তিনি হচ্ছেন সর্বশক্তিমান সবকিছুই তাঁর কুদরাতের অধীন।
(তিরমিযী)
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.
আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই; তিনি একক তাঁর কোন শরীক বা সমকক্ষ নেই। রাজত্ব তাঁরই আর সমস্ত প্রশংসা একমাত্র তাঁরই; আর তিনি হচ্ছেন সর্বশক্তিমান সবকিছুই তাঁর কুদরাতের অধীন।
(তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " اَفْضَلُ الدُّعَاءِ يَوْمَ عَرَفَةَ، وَاَفْضَلُ مَا قُلْتُ أَنَا وَالنَّبِيُّونَ قَبْلِي: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ " (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৫
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আরাফাতের দু'আ
২০৫. হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণিত। আরাফাত দিবসে ওকূফের স্থানে রাসূলুল্লাহ ﷺ সর্বাধিক এ দুআটিই করেছেনঃ
اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ كَالَّذِي تَقُولَ وَخَيْرًا مِّمَّا تَقُولُ اَللّٰهُمَّ لَكَ صَلٰوتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي وَإِلَيْكَ مَآبِي وَلَكَ رَبِّ تُرَاثِي اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَوَسْوَسَةِ الصَّدْرِ وَشَتَاتِ الْأَمْرِ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا تَجِيئُ بِهِ الرَّيْحُ
-"হে আল্লাহ্! তোমারই জন্যে সকল স্তব-স্তুতি শোভনীয়, যেমনটি তুমি নিজে বলেছো, তা আমাদের মুখে উচ্চারিত বা আমাদের ভাষায় বলা হামদের চাইতে উত্তম। হে আল্লাহ! আমার সালাত আমার হজ্ব ও আমার সমস্ত ইবাদত-বন্দেগী, আমার জীবন আমার মরণ তোমারই জন্যে এবং জীবন সমাপন করে আমাকে তোমারই সদনে চলে যেতে হবে; আর যা কিছু রেখে যাবো সবকিছুর তুমিই ওয়ারিছ- উত্তরাধিকারী।
হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে মনের ওসওয়াসা বা কুপ্রবৃত্তি থেকে এবং সবকিছু এলোমেলো হয়ে যাওয়া থেকে। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি বায়ু বাহিত সমস্ত অনিষ্ট থেকে এবং তার কুপ্রভাব থেকে।
-(জামে' তিরমিযী)
اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ كَالَّذِي تَقُولَ وَخَيْرًا مِّمَّا تَقُولُ اَللّٰهُمَّ لَكَ صَلٰوتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي وَإِلَيْكَ مَآبِي وَلَكَ رَبِّ تُرَاثِي اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَوَسْوَسَةِ الصَّدْرِ وَشَتَاتِ الْأَمْرِ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا تَجِيئُ بِهِ الرَّيْحُ
-"হে আল্লাহ্! তোমারই জন্যে সকল স্তব-স্তুতি শোভনীয়, যেমনটি তুমি নিজে বলেছো, তা আমাদের মুখে উচ্চারিত বা আমাদের ভাষায় বলা হামদের চাইতে উত্তম। হে আল্লাহ! আমার সালাত আমার হজ্ব ও আমার সমস্ত ইবাদত-বন্দেগী, আমার জীবন আমার মরণ তোমারই জন্যে এবং জীবন সমাপন করে আমাকে তোমারই সদনে চলে যেতে হবে; আর যা কিছু রেখে যাবো সবকিছুর তুমিই ওয়ারিছ- উত্তরাধিকারী।
হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে মনের ওসওয়াসা বা কুপ্রবৃত্তি থেকে এবং সবকিছু এলোমেলো হয়ে যাওয়া থেকে। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি বায়ু বাহিত সমস্ত অনিষ্ট থেকে এবং তার কুপ্রভাব থেকে।
-(জামে' তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: أَكْثَرُ مَا دَعَا بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ عَرَفَةَ فِي المَوْقِفِ: «اللَّهُمَّ لَكَ الحَمْدُ كَالَّذِي نَقُولُ وَخَيْرًا مِمَّا نَقُولُ، اللَّهُمَّ لَكَ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي، وَإِلَيْكَ مَآبِي، وَلَكَ رَبِّ تُرَاثِي، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ وَوَسْوَسَةِ الصَّدْرِ وَشَتَاتِ الأَمْرِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا يَجِيءُ بِهِ الرِّيحُ» (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৬
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আরাফাতের দু'আ
২০৬. হযরত আবদুল্লাহ ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। বিদায় হজ্বের দিন সন্ধ্যার সময় আরাফাতের ময়দানে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর খাস দু'আ ছিল এরূপ:
اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ تَسْمَعُ كَلَامِي وَتَرَى مَكَانِي وَتَعْلَمُ سِرِّى وَعَلَا نِيَتِي وَلَا يَخْفَى عَلَيْكَ شَيْءٌ مِنْ أَمْرِي وَأَنَا الْبَائِسُ الْفَقِيْرُ الْمُسْتَغِيْثُ الْمُسْتَجِيرُ الْوَجِلُ الْمُشْفِقُ الْمُقِرُّ الْمُعْتَرِفُ بِذَنْبِهِ اَسْئَلُكَ مَسْئَلَةَ الْمِسْكِينِ وَاَبْتَهِلُ إِلَيْكَ ابْتِهَالَ الْمُذْنِبِ الذَّلِيلِ وَاَدْعُوكَ دُعَاءَ الْخَائِفِ الضَّرِيرِ دُعَاءَ مَنْ خَضَعَتْ لَكَ رَقَبَتُهُ وَفَاضَتْ لَكَ عِبْرَتُهُ وَذَلَّ لَكَ جِسْمُهُ وَرَغِمَ لَكَ اَنْفُهُ اَللّٰهُمَّ لَا تَجْعَلْنِي بِدُعَائِكَ شَقِيًّا وَكُنْ لِّي رَؤُوْفَا رَّحِيمًا يَا خَيْرَ الْمَسْئُوْلِينَ وَيَا خَيْرَ المُعْطِينَ
-"হে আল্লাহ! তুমি আমার কথা শুনে থাক আর আমি যখন যেখানেই থাকি না কেন, তুমি আমার অবস্থান দেখে থাক; এবং তুমি আমার যাহির-বাতিন প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য সবকিছুই জান, তোমার কাছে আমার কিছুই গোপন নেই। আমি দুঃখী, আমি ভিখারী, আমি ফরিয়াদকারী, আমি আশ্রয়প্রার্থী, আমি ভীত, আমি কম্পিত, নিজ পাপতাপ অপরাধের স্বীকারোক্তিকারী। আমি তোমার কাছে ভিখারীর যাজ্ঞা করার মত যাজ্ঞা করছি। তোমার দরবারে কাকুতি-মিনতি করছি, যেমন কাকুতি-মিনতি করে থাকে কোন দীন-হীন পাপী-তাপী অপরাধী। এবং তোমার কাছে দু'আ করছি, কোন ভীতিগ্রস্ত এবং বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি যেমন দু'আ করে থাকে, ঠিক তেমনি দু'আ এবং সে ব্যক্তির দু'আর মত দু'আ করছি, যার গর্দান তোমার দরবারে ঝুঁকে আছে আর যার অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছে এবং যার দেহ তথা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তোমারই সম্মুখে নুয়ে রয়েছে এবং যার নাক তোমার সম্মুখে রগড়াচ্ছে। হে আল্লাহ! আমাকে তুমি এ দু'আর ব্যাপারে বঞ্চিত দুর্ভাগা বানিও না এবং আমার জন্যে তুমি প্রেমময় দয়াময় হয়ে যাও। হে সব দাতার বড় ও উত্তম দাতা! যাদের কাছে যাচ্ঞা করা হয়ে থাকে আর তারা দানও করে থাকে। -(মু'জামে কবীর: তাবারানী সঙ্কলিত)
اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ تَسْمَعُ كَلَامِي وَتَرَى مَكَانِي وَتَعْلَمُ سِرِّى وَعَلَا نِيَتِي وَلَا يَخْفَى عَلَيْكَ شَيْءٌ مِنْ أَمْرِي وَأَنَا الْبَائِسُ الْفَقِيْرُ الْمُسْتَغِيْثُ الْمُسْتَجِيرُ الْوَجِلُ الْمُشْفِقُ الْمُقِرُّ الْمُعْتَرِفُ بِذَنْبِهِ اَسْئَلُكَ مَسْئَلَةَ الْمِسْكِينِ وَاَبْتَهِلُ إِلَيْكَ ابْتِهَالَ الْمُذْنِبِ الذَّلِيلِ وَاَدْعُوكَ دُعَاءَ الْخَائِفِ الضَّرِيرِ دُعَاءَ مَنْ خَضَعَتْ لَكَ رَقَبَتُهُ وَفَاضَتْ لَكَ عِبْرَتُهُ وَذَلَّ لَكَ جِسْمُهُ وَرَغِمَ لَكَ اَنْفُهُ اَللّٰهُمَّ لَا تَجْعَلْنِي بِدُعَائِكَ شَقِيًّا وَكُنْ لِّي رَؤُوْفَا رَّحِيمًا يَا خَيْرَ الْمَسْئُوْلِينَ وَيَا خَيْرَ المُعْطِينَ
-"হে আল্লাহ! তুমি আমার কথা শুনে থাক আর আমি যখন যেখানেই থাকি না কেন, তুমি আমার অবস্থান দেখে থাক; এবং তুমি আমার যাহির-বাতিন প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য সবকিছুই জান, তোমার কাছে আমার কিছুই গোপন নেই। আমি দুঃখী, আমি ভিখারী, আমি ফরিয়াদকারী, আমি আশ্রয়প্রার্থী, আমি ভীত, আমি কম্পিত, নিজ পাপতাপ অপরাধের স্বীকারোক্তিকারী। আমি তোমার কাছে ভিখারীর যাজ্ঞা করার মত যাজ্ঞা করছি। তোমার দরবারে কাকুতি-মিনতি করছি, যেমন কাকুতি-মিনতি করে থাকে কোন দীন-হীন পাপী-তাপী অপরাধী। এবং তোমার কাছে দু'আ করছি, কোন ভীতিগ্রস্ত এবং বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি যেমন দু'আ করে থাকে, ঠিক তেমনি দু'আ এবং সে ব্যক্তির দু'আর মত দু'আ করছি, যার গর্দান তোমার দরবারে ঝুঁকে আছে আর যার অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছে এবং যার দেহ তথা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তোমারই সম্মুখে নুয়ে রয়েছে এবং যার নাক তোমার সম্মুখে রগড়াচ্ছে। হে আল্লাহ! আমাকে তুমি এ দু'আর ব্যাপারে বঞ্চিত দুর্ভাগা বানিও না এবং আমার জন্যে তুমি প্রেমময় দয়াময় হয়ে যাও। হে সব দাতার বড় ও উত্তম দাতা! যাদের কাছে যাচ্ঞা করা হয়ে থাকে আর তারা দানও করে থাকে। -(মু'জামে কবীর: তাবারানী সঙ্কলিত)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: كَانَ دَعَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ عَشِيَّةَ عَرَفَةَ «اللهُمَّ إِنَّكَ تَسْمَعُ كَلَامِي، وَتَرَى مَكَانِي، وَتَعْلَمُ سِرِّي وعلانيتِي، لَا يَخْفَى عَلَيْكَ شَيْءٌ مِنْ أَمْرِي، أَنَا الْبَائِسُ الْفَقِيرُ الْمُسْتَغِيثُ الْمُسْتَجِيرُ الْوَجِلُ الْمُشْفِقُ الْمُقِرُّ الْمُعْتَرِفُ بِذَنَبِهِ، أَسْأَلُكَ مَسْأَلَةَ الْمستكينِ وأَبْتَهِلُ إِلَيْكَ ابتهالَ الْمُذْنِبِ الذَّلِيلِ، وَأَدْعُوكَ دُعَاءَ الْخَائِفِ الضَّرِيرِ مَنْ خَضَعَتْ لَكَ رَقَبَتُهُ وَفَاضَتْ لَكَ عَيْنَاهُ وذلَّ جَسَدُهُ وَرَغِمَ أَنْفُهُ لَكَ، اللهُمَّ لَا تَجْعَلْنِي بدُعائِكَ شَقِيًّا، وَكُنْ بِي دَوْمًا رَحِيمًا، يَا خَيْرَ الْمَسْئُولينَ وَيَا خَيْرَ الْمُعْطِينَ» (رواه الطبرانى فى الكبير)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৭
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
পূর্বেই বলা হয়েছে, হাদীসের কিতাব সমূহে রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে যে সব দু'আ বর্ণিত হয়েছে, বিষয়বস্তুর দিক থেকে বিচার করলে তা তিন প্রকারের:
১. ঐ সমস্ত দু'আ, যেগুলোর সম্পর্ক সালাতের সাথে।
২. যে গুলো কোন বিশেষ সময় স্থান বা অবস্থার সাথে সম্পৃক্ত।
৩. ঐ সব দু'আ, যেগুলোর সম্পর্ক সালাত বা কোন বিশেষ স্থান-কাল-পাত্রের সাথে নয়; বরং সেগুলো সাধারণ প্রকৃতির।
প্রথমোক্ত দু'ধরনের দু'আ আমরা ইতিপূর্বে বর্ণনা করে এসেছি। এবার তৃতীয় ধরনের দু'আ সমূহ পাঠক সমক্ষে পেশ করা হচ্ছে। এগুলোর অধিকাংশই হচ্ছে ব্যাপক অর্থবোধক। এ জন্যে হাদীসের ইমামগণ এসব দু'আকে جامع الدعوات শিরোনামের অধীনে তাঁদের সঙ্কলন সমূহে সঙ্কলিত করেছেন। এ দু'আগুলো উম্মতের জন্যে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিশেষ দান এবং অমুল্য উপহার। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে এগুলোর যথার্থ মূল্যায়নের, এগুলোর শুকরিয়া আদায়ের এবং এগুলোকে নিজেদের অন্তরের ধ্বনি এবং নাড়ির স্পন্দনে পরিণত করার তাওফীক দান করুন! যে বান্দাদের এ তাওফীক জুটে গেছে তাঁরা প্রকৃতপক্ষে সবকিছুই পেয়ে গেছেন। এ ছোট ভূমিকার পর এ সিলসিলার হাদীসগুলো এবার পাঠ করুন:
পূর্বেই বলা হয়েছে, হাদীসের কিতাব সমূহে রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে যে সব দু'আ বর্ণিত হয়েছে, বিষয়বস্তুর দিক থেকে বিচার করলে তা তিন প্রকারের:
১. ঐ সমস্ত দু'আ, যেগুলোর সম্পর্ক সালাতের সাথে।
২. যে গুলো কোন বিশেষ সময় স্থান বা অবস্থার সাথে সম্পৃক্ত।
৩. ঐ সব দু'আ, যেগুলোর সম্পর্ক সালাত বা কোন বিশেষ স্থান-কাল-পাত্রের সাথে নয়; বরং সেগুলো সাধারণ প্রকৃতির।
প্রথমোক্ত দু'ধরনের দু'আ আমরা ইতিপূর্বে বর্ণনা করে এসেছি। এবার তৃতীয় ধরনের দু'আ সমূহ পাঠক সমক্ষে পেশ করা হচ্ছে। এগুলোর অধিকাংশই হচ্ছে ব্যাপক অর্থবোধক। এ জন্যে হাদীসের ইমামগণ এসব দু'আকে جامع الدعوات শিরোনামের অধীনে তাঁদের সঙ্কলন সমূহে সঙ্কলিত করেছেন। এ দু'আগুলো উম্মতের জন্যে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিশেষ দান এবং অমুল্য উপহার। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে এগুলোর যথার্থ মূল্যায়নের, এগুলোর শুকরিয়া আদায়ের এবং এগুলোকে নিজেদের অন্তরের ধ্বনি এবং নাড়ির স্পন্দনে পরিণত করার তাওফীক দান করুন! যে বান্দাদের এ তাওফীক জুটে গেছে তাঁরা প্রকৃতপক্ষে সবকিছুই পেয়ে গেছেন। এ ছোট ভূমিকার পর এ সিলসিলার হাদীসগুলো এবার পাঠ করুন:
২০৭. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ প্রায়ই এরূপ দু'আ করতেন:
اَللّٰهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي هُوَ عِصْمَةٌ أَمْرِي وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي فِيهَا مَعَادِي وَاجْعَلِ الْحَيَوةَ زِيَادَةً لِّي فِي كُلِّ خَيْرٍ وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِّي مِنْ كُلِّ شَرٍ
-"হে আল্লাহ! আমার দীনকে দুরস্ত করে দাও, আমার কল্যাণ ও নিরাপত্তা সবকিছু যার উপর নির্ভর করে, যা আমার সব কিছু এবং আমার দুনিয়াও দুরস্ত করে দাও, যেখানে আমাকে জীবন যাপন করতে হয় এবং আমার আখিরাতকে দুরস্ত করে দাও, যেখানে আমাকে ফিরে যেতে হবে এবং স্থায়ীভাবে থাকতে হবে এবং আমার জীবনকে সমূহ কল্যাণ বৃদ্ধির মাধ্যম বানিয়ে দাও! এবং আমার মরণকে সকল অকল্যাণ থেকে হিফাযত ও আরামের মাধ্যম বানিয়ে দাও!
-(মুসলিম)
اَللّٰهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي هُوَ عِصْمَةٌ أَمْرِي وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي فِيهَا مَعَادِي وَاجْعَلِ الْحَيَوةَ زِيَادَةً لِّي فِي كُلِّ خَيْرٍ وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِّي مِنْ كُلِّ شَرٍ
-"হে আল্লাহ! আমার দীনকে দুরস্ত করে দাও, আমার কল্যাণ ও নিরাপত্তা সবকিছু যার উপর নির্ভর করে, যা আমার সব কিছু এবং আমার দুনিয়াও দুরস্ত করে দাও, যেখানে আমাকে জীবন যাপন করতে হয় এবং আমার আখিরাতকে দুরস্ত করে দাও, যেখানে আমাকে ফিরে যেতে হবে এবং স্থায়ীভাবে থাকতে হবে এবং আমার জীবনকে সমূহ কল্যাণ বৃদ্ধির মাধ্যম বানিয়ে দাও! এবং আমার মরণকে সকল অকল্যাণ থেকে হিফাযত ও আরামের মাধ্যম বানিয়ে দাও!
-(মুসলিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «اللهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي، وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي فِيهَا مَعَادِي، وَاجْعَلِ الْحَيَاةَ زِيَادَةً لِي فِي كُلِّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِي مِنْ كُلِّ شَرٍّ» (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৮
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২০৮. হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দু'আ অধিকাংশ সময়ই এরূপ হতো:
اَللّٰهُمَّ آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
-"হে আল্লাহ্! আমাদেরকে এ দুনিয়াতে মঙ্গল দান কর এবং আখিরাতেও মঙ্গল দান কর এবং আমাদেরকে দোযখের আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা কর।"
-(বুখারী ও মুসলিম)
اَللّٰهُمَّ آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
-"হে আল্লাহ্! আমাদেরকে এ দুনিয়াতে মঙ্গল দান কর এবং আখিরাতেও মঙ্গল দান কর এবং আমাদেরকে দোযখের আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা কর।"
-(বুখারী ও মুসলিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: كَانَ أَكْثَرُ دُعَاءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً، وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ» (رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৯
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২০৯. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ প্রায়ই এরূপ দু'আ করতেন:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنٰى
“হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি হিদায়াত, তাকওয়া, সচ্চরিত্রত এবং প্রাচুর্য (সৃষ্ট জগতের কারো কাছে মুখাপেক্ষী না হওয়া।)
-(মুসলিম)
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنٰى
“হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি হিদায়াত, তাকওয়া, সচ্চরিত্রত এবং প্রাচুর্য (সৃষ্ট জগতের কারো কাছে মুখাপেক্ষী না হওয়া।)
-(মুসলিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: «اللهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى، وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى» (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১০
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২১০. হযরত আবদুল্লাহ ইব্ন আমর ইব্নুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ প্রায়ই এরূপ দু'আ করতেন:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ الصِّحَّةَ وَالْعِفَّةَ وَالْأَمَانَةَ وَحُسْنَ الْخُلُقِ وَالرِّضٰى بِالْقَدْرِ -
“হে আল্লাহ্! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি সুস্বাস্থ্য, সচ্চরিত্রতা আমানতদারী সদাচার এবং তকদীরের প্রতি সন্তুষ্টি।"
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ الصِّحَّةَ وَالْعِفَّةَ وَالْأَمَانَةَ وَحُسْنَ الْخُلُقِ وَالرِّضٰى بِالْقَدْرِ -
“হে আল্লাহ্! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি সুস্বাস্থ্য, সচ্চরিত্রতা আমানতদারী সদাচার এবং তকদীরের প্রতি সন্তুষ্টি।"
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الصِّحَّةَ، وَالْعِفَّةَ، وَالْأَمَانَةَ، وَحُسْنَ الْخُلُقِ، وَالرِّضَا بِالْقَدَرِ» (رواه البيهقى فى الدعوات الكبير)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১১
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২১১. হযরত উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এরূপ দু'আ শিক্ষা দিয়েছেন এবং বলেছেন যে, তুমি আল্লাহ তা'আলার দরবারে এরূপ আরয করবেঃ
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ سَرِيرَتِي خَيْرًا مِّنْ عَلَانِيَتِي وَاجْعَلْ عَلَانِيَتِي صَالِحَةً اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ صَالِحِ مَا تُؤْتِي النَّاسَ مِنَ الْأَهْلِ وَالْمَالِ وَالْوَلَدِ غَيْرِ الضَّالِّ وَالْمُضِلِّ.
হে আল্লাহ! আমার বাতিনকে আমার যাহির থেকে উত্তম করে দাও! আমার যাহিরকে পুণ্যমণ্ডিত কর! হে আল্লাহ! তুমি তোমার বান্দাদেরকে যে উত্তম পরিবার-পরিজন উত্তম ধন-সম্পদ এবং সন্তান-সন্ততি দান কর, যারা না নিজে পথভ্রষ্ট না অন্যদেরকে পথভ্রষ্টকারী, তা-ই আমাকে দান কর।"
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ سَرِيرَتِي خَيْرًا مِّنْ عَلَانِيَتِي وَاجْعَلْ عَلَانِيَتِي صَالِحَةً اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ صَالِحِ مَا تُؤْتِي النَّاسَ مِنَ الْأَهْلِ وَالْمَالِ وَالْوَلَدِ غَيْرِ الضَّالِّ وَالْمُضِلِّ.
হে আল্লাহ! আমার বাতিনকে আমার যাহির থেকে উত্তম করে দাও! আমার যাহিরকে পুণ্যমণ্ডিত কর! হে আল্লাহ! তুমি তোমার বান্দাদেরকে যে উত্তম পরিবার-পরিজন উত্তম ধন-সম্পদ এবং সন্তান-সন্ততি দান কর, যারা না নিজে পথভ্রষ্ট না অন্যদেরকে পথভ্রষ্টকারী, তা-ই আমাকে দান কর।"
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عُمَرَ رَضِي الله عَنهُ قَالَ: عَلَّمَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " قُلْ: اللَّهُمَّ اجْعَلْ سَرِيرَتِي خَيْرًا مِنْ عَلَانِيَتِي، وَاجْعَلْ عَلَانِيَتِي صَالِحَةً، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ صَالِحِ مَا تُؤْتِي النَّاسَ مِنَ المَالِ وَالأَهْلِ وَالوَلَدِ، غَيْرِ الضَّالِّ والْمُضِلِّ " (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১২
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২১২. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একটি দু'আ রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর নিকট থেকে শুনে মুখস্থ করেছিলাম, যা আমি (সর্বদা করে থাকি এরং) কখনো ত্যাগ করিনা, আর তা হলোঃ
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي أُعَظِّمُ شُكْرَكَ وَأُكْثِرُ ذِكْرَكَ وَاَتَّبِعُ نُصْحَكَ وَاَحْفَظُ وَصِيَّتَكَ
-হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এমন বানিয়ে দাও যাতে-
১. আমি যেন তোমার নিয়ামতের শুকরিয়া, গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য অনুধাবন করতে পারি (যাতে শুকরিয়া আদায়ে আমি ত্রুটি না করি),
২. আমি যেন বহুল পরিমাণে তোমার যিকির করতে পারি।
৩. আমি যেন তোমার উপদেশ অনুসরণ করি এবং
৪. তোমার ওসিয়ত ও হুকুমসমূহ স্মরণ রাখি (এবং এর তামিল করতে ভুলে না যাই।)
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي أُعَظِّمُ شُكْرَكَ وَأُكْثِرُ ذِكْرَكَ وَاَتَّبِعُ نُصْحَكَ وَاَحْفَظُ وَصِيَّتَكَ
-হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এমন বানিয়ে দাও যাতে-
১. আমি যেন তোমার নিয়ামতের শুকরিয়া, গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য অনুধাবন করতে পারি (যাতে শুকরিয়া আদায়ে আমি ত্রুটি না করি),
২. আমি যেন বহুল পরিমাণে তোমার যিকির করতে পারি।
৩. আমি যেন তোমার উপদেশ অনুসরণ করি এবং
৪. তোমার ওসিয়ত ও হুকুমসমূহ স্মরণ রাখি (এবং এর তামিল করতে ভুলে না যাই।)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: دُعَاءٌ حَفِظْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا أَدَعُهُ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي أُعَظِّمُ شُكْرَكَ وَأُكْثِرُ ذِكْرَكَ، وَأَتَّبِعُ نَصِيحَتَكَ، وَأَحْفَظُ وَصِيَّتَكَ» (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৩
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২১৩. হযরত আবদুল্লাহ ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ দু'আতে এরূপ বলতেন:
رَبِّ أَعِنِّي وَلَا تُعِنْ عَلَيَّ وَانْصُرْنِي وَلَا تَنْصُرْ عَلَيَّ وَاهْدِنِي وَيَسِّرِ الْهُدَى لِي وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيَّ رَبِّ اجْعَلْنِي لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ وَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيبًا. رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِي وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِي وَثَبِّتْ حُجَّتِي وَسَدِّدْ لِسَانِي وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ صَدْرِي
-"হে আল্লাহ্! আমাকে সাহায্য কর, আমার বিরুদ্ধে (আমার শত্রুদেরকে) সাহায্য করো না, আমার মদদ ও সহযোগিতা কর, আমার বিরুদ্ধে আমার শত্রুদের সহায়ক হয়ো না, তোমার সূক্ষ্ম চাল আমার স্বপক্ষে চালো, আমার বিপক্ষে চালো না।
আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত কর এবং হিদায়াতের পথে চলা আমার জন্যে সহজসাধ্য করে দাও, যে কেউ আমার উপর যুলুম বা বাড়াবাড়ি করে, তার বিরুদ্ধে আমাকে মদদ কর! হে আল্লাহ! আমাকে তোমার অতি কৃতজ্ঞ বান্দা বানাও! তোমার বহুল পরিমাণে যিকিরকারী বান্দা বানাও! তোমার প্রতি অন্তরে ভীতি পোষণকারী বান্দা বানাও। তোমার একান্ত অনুগত বান্দা বানাও! তোমার প্রতি কাকুতি-মিনতিকারী বান্দা বানাও তোমারই দিকে রুজুকারী ও প্রত্যাবর্তনকারী বান্দা বানাও! হে আমার প্রতিপালক আমার তাওবা কবুল কর আমার পাপতাপ ধুয়ে মুছে দাও! আমার দু'আ কবুল কর! আমার ঈমান (যা আখিরাতে আমার দলীল হবে) মযবূত করে দাও! আমার রসনাকে সংযত করে দাও! আমার হৃদয়কে হিফাযত কর। আমার অন্তরের ক্লেদসমূহ দূর করে দাও!"
-(তিরমিযী)
رَبِّ أَعِنِّي وَلَا تُعِنْ عَلَيَّ وَانْصُرْنِي وَلَا تَنْصُرْ عَلَيَّ وَاهْدِنِي وَيَسِّرِ الْهُدَى لِي وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيَّ رَبِّ اجْعَلْنِي لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ وَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيبًا. رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِي وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِي وَثَبِّتْ حُجَّتِي وَسَدِّدْ لِسَانِي وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ صَدْرِي
-"হে আল্লাহ্! আমাকে সাহায্য কর, আমার বিরুদ্ধে (আমার শত্রুদেরকে) সাহায্য করো না, আমার মদদ ও সহযোগিতা কর, আমার বিরুদ্ধে আমার শত্রুদের সহায়ক হয়ো না, তোমার সূক্ষ্ম চাল আমার স্বপক্ষে চালো, আমার বিপক্ষে চালো না।
আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত কর এবং হিদায়াতের পথে চলা আমার জন্যে সহজসাধ্য করে দাও, যে কেউ আমার উপর যুলুম বা বাড়াবাড়ি করে, তার বিরুদ্ধে আমাকে মদদ কর! হে আল্লাহ! আমাকে তোমার অতি কৃতজ্ঞ বান্দা বানাও! তোমার বহুল পরিমাণে যিকিরকারী বান্দা বানাও! তোমার প্রতি অন্তরে ভীতি পোষণকারী বান্দা বানাও। তোমার একান্ত অনুগত বান্দা বানাও! তোমার প্রতি কাকুতি-মিনতিকারী বান্দা বানাও তোমারই দিকে রুজুকারী ও প্রত্যাবর্তনকারী বান্দা বানাও! হে আমার প্রতিপালক আমার তাওবা কবুল কর আমার পাপতাপ ধুয়ে মুছে দাও! আমার দু'আ কবুল কর! আমার ঈমান (যা আখিরাতে আমার দলীল হবে) মযবূত করে দাও! আমার রসনাকে সংযত করে দাও! আমার হৃদয়কে হিফাযত কর। আমার অন্তরের ক্লেদসমূহ দূর করে দাও!"
-(তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدْعُو يَقُولُ: «رَبِّ أَعِنِّي وَلَا تُعِنْ عَلَيَّ، وَانْصُرْنِي وَلَا تَنْصُرْ عَلَيَّ، وَامْكُرْ لِي وَلَا تَمْكُرْ عَلَيَّ، وَاهْدِنِي وَيَسِّرِ الهُدَى لِي، وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيَّ، رَبِّ اجْعَلْنِي لَكَ شَكَّارًا، لَكَ ذَكَّارًا، لَكَ رَهَّابًا، لَكَ مِطْوَاعًا، لَكَ مُخْبِتًا، إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيبًا، رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِي، وَاغْسِلْ حَوْبَتِي، وَأَجِبْ دَعْوَتِي، وَثَبِّتْ حُجَّتِي، وَسَدِّدْ لِسَانِي، وَاهْدِ قَلْبِي، وَاسْلُلْ سَخِيمَةَ صَدْرِي» (رواه الترمذى وابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৪
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২১৪. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে এ দু'আটি শিক্ষা দিয়াছেন:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّه عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّه عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ مِنْهُ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ مِنْهَا مِنْ قَوْلٍ وَعَمَلٍ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ وَعَمَلٍ وَاَسْئَلُكَ أَنْ تَجَعَلَ كُلَّ قَضَاءٍ تَقْضِيْهِ لِي خَيْرًا .
-"হে আল্লাহ! আমি তোমার দরবারে সর্বপ্রকার মঙ্গলের প্রার্থনা করছি, ইহলৌকিক মঙ্গলও প্রার্থনা করছি আবার পারলৌকিক মঙ্গলও প্রার্থনা করছি। সে সমস্ত মঙ্গলও প্রার্থনা করছি, যা আমার জ্ঞাত এবং সে সব মঙ্গলও যা আমার অজ্ঞাত রয়েছে। এবং তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি সর্বপ্রকার অনিষ্ট থেকে, ইহলৌকিক অনিষ্ট থেকেও আর পারলৌকিক অনিষ্ট থেকেও। সে সব অনিষ্ট থেকেও, যা আমার জানা আছে এবং সে সব অনিষ্ট থেকেও, যা আমার জানা নেই। হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি সে সব কল্যাণ, যা তোমার কাছে প্রার্থনা করেছেন তোমার বান্দা ও তোমার নবী এবং তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি সে সব অকল্যাণ থেকে, যা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন তোমার বান্দা ও তোমার নবী। হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি জান্নাত এবং যে সমস্ত কথা ও আমল আমাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করে সে সব কথা ও আমল। এবং তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জাহান্নাম থেকে এবং যে কথাবার্তা ও আমল তার নিকটবর্তী করে সে সব কথাবার্তা ও আমল থেকে। এবং হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে এ প্রার্থনা করছি যে, আমার ব্যাপারে দেওয়া তোমার সকল ফয়সালা যেন মঙ্গলময় হয়।"
-(মুসনাদে ইব্ন আবূ শায়বা ও সুনানে ইবনে মাজা)
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّه عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّه عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ مِنْهُ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ مِنْهَا مِنْ قَوْلٍ وَعَمَلٍ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ وَعَمَلٍ وَاَسْئَلُكَ أَنْ تَجَعَلَ كُلَّ قَضَاءٍ تَقْضِيْهِ لِي خَيْرًا .
-"হে আল্লাহ! আমি তোমার দরবারে সর্বপ্রকার মঙ্গলের প্রার্থনা করছি, ইহলৌকিক মঙ্গলও প্রার্থনা করছি আবার পারলৌকিক মঙ্গলও প্রার্থনা করছি। সে সমস্ত মঙ্গলও প্রার্থনা করছি, যা আমার জ্ঞাত এবং সে সব মঙ্গলও যা আমার অজ্ঞাত রয়েছে। এবং তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি সর্বপ্রকার অনিষ্ট থেকে, ইহলৌকিক অনিষ্ট থেকেও আর পারলৌকিক অনিষ্ট থেকেও। সে সব অনিষ্ট থেকেও, যা আমার জানা আছে এবং সে সব অনিষ্ট থেকেও, যা আমার জানা নেই। হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি সে সব কল্যাণ, যা তোমার কাছে প্রার্থনা করেছেন তোমার বান্দা ও তোমার নবী এবং তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি সে সব অকল্যাণ থেকে, যা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন তোমার বান্দা ও তোমার নবী। হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি জান্নাত এবং যে সমস্ত কথা ও আমল আমাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করে সে সব কথা ও আমল। এবং তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জাহান্নাম থেকে এবং যে কথাবার্তা ও আমল তার নিকটবর্তী করে সে সব কথাবার্তা ও আমল থেকে। এবং হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে এ প্রার্থনা করছি যে, আমার ব্যাপারে দেওয়া তোমার সকল ফয়সালা যেন মঙ্গলময় হয়।"
-(মুসনাদে ইব্ন আবূ শায়বা ও সুনানে ইবনে মাজা)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَّمَهَا هَذَا الدُّعَاءَ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ كُلَّ قَضَاءٍ تِقْضِيْهِ لِي خَيْرًا» (رواه ابن ابى شيبة وابن ماجه)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৫
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২১৫. হযরত আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ অনেক দু'আ করলেন, যার কিছুই আমি মনে রাখতে পারলাম না। তখন আমি তাঁর খিদমতে আরয করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কত দু'আই তো আপনি করলেন, কিন্তু তার কোন কিছুই আমি স্মরণ রাখতে পারি নি! (অথচ আমার মন চায় যে, এ দু'আগুলো আমিও করবো এখন উপায় কি?) তখন তিনি বললেন: আমি কি তোমাকে এমন ব্যাপক দু'আ শিক্ষা দেবো, যাতে এসব দু'আর সবকিছুই থাকবে? আল্লাহ তা'আলার দরবারে এভাবে আরয করবে:
اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْئَلُكَ مِنْ خَيْرٍ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنْتَ الْمُسْتَعَانُ وَعَلَيْكَ الْبَلَاغُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةً اِلَّا بِاللّٰه
-"হে আল্লাহ! আমি তোমার দরবারে সে সব মঙ্গলের প্রার্থনা করছি, যা তোমার কাছে তোমার নবী মুহাম্মদ ﷺ প্রার্থনা করেছেন এবং আমি তোমার কাছে সে সব অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যে সব অনিষ্ট থেকে তোমার নবী মুহাম্মদ ﷺ তোমার দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন।
তুমিই সেই পবিত্র সত্তা, যাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা চলে এবং তোমারই দয়ার উপর নির্ভর করে গন্তব্য স্থলে পৌঁছা এবং কোন কিছুর জন্যে চেষ্টা চরিত করা এবং লক্ষ্যে উপনীত হওয়ার ক্ষমতা দানের মালিক তুমিই।"
-(তিরমিযী)
اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْئَلُكَ مِنْ خَيْرٍ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنْتَ الْمُسْتَعَانُ وَعَلَيْكَ الْبَلَاغُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةً اِلَّا بِاللّٰه
-"হে আল্লাহ! আমি তোমার দরবারে সে সব মঙ্গলের প্রার্থনা করছি, যা তোমার কাছে তোমার নবী মুহাম্মদ ﷺ প্রার্থনা করেছেন এবং আমি তোমার কাছে সে সব অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যে সব অনিষ্ট থেকে তোমার নবী মুহাম্মদ ﷺ তোমার দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন।
তুমিই সেই পবিত্র সত্তা, যাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা চলে এবং তোমারই দয়ার উপর নির্ভর করে গন্তব্য স্থলে পৌঁছা এবং কোন কিছুর জন্যে চেষ্টা চরিত করা এবং লক্ষ্যে উপনীত হওয়ার ক্ষমতা দানের মালিক তুমিই।"
-(তিরমিযী)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: دَعَا النَّبِىُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِدُعَاءٍ كَثِيرٍ لَمْ نَحْفَظْ مِنْهُ شَيْئًا، قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ دَعَوْتَ بِدُعَاءٍ كَثِيرِ لَمْ نَحْفَظْ مِنْهُ شَيْئًا، فَقَالَ: " أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا يَجْمَعُ ذَلِكَ كُلَّهُ، تَقُولُ: اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَنْتَ المُسْتَعَانُ، وَعَلَيْكَ البَلَاغُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ " (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৬
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২১৬. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এ দুআটি রিওয়ায়াত করেন:
اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْئَلُكَ مُوْجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ والسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بَرٍّ وَالْفَوْزَ بِالْجَنَّةِ وَالنَّجَاةَ مِنَ النَّارِ
"হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে প্রার্থনা করছি তোমার রহমতকে অনিবার্যকারী এবং তোমার মাগফিরাত বা ক্ষমাকে পাকা করে দেয় এমন 'আমলসমূহ এবং সকল গুনাহ্ থেকে নিরাসক্ততা এবং সকল নেকীর তওফীক এবং তোমার কাছে প্রার্থনা করি জান্নাত লাভের এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির।"
-(মুস্তাদরকে হাকিম)
اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْئَلُكَ مُوْجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ والسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بَرٍّ وَالْفَوْزَ بِالْجَنَّةِ وَالنَّجَاةَ مِنَ النَّارِ
"হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে প্রার্থনা করছি তোমার রহমতকে অনিবার্যকারী এবং তোমার মাগফিরাত বা ক্ষমাকে পাকা করে দেয় এমন 'আমলসমূহ এবং সকল গুনাহ্ থেকে নিরাসক্ততা এবং সকল নেকীর তওফীক এবং তোমার কাছে প্রার্থনা করি জান্নাত লাভের এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির।"
-(মুস্তাদরকে হাকিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ مَرْفُوْعًا «اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ، وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ، وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ، وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ، وَالْفَوْزَ بِالْجَنَّةِ، وَالنَّجَاةَ مِنَ النَّارِ» (رواه الحاكم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৭
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২১৭. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) রাসূলুল্লাহ (স) থেকে এ দুআটি রিওয়ায়াত করেছেন:
اَللّٰهُمَّ احْفَظْنِي بِالْإِسْلَامِ قَائِمًا وَاحْفَظْنِي بِالْإِسْلَامِ قَاعِدًا وَلَا تُشْمِتْ بِي عَدُوًّا وَلَا حَاسِدًا اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ مِنْ كُلِّ خَيْرٍ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ كُلِّ شَرِّ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ
-"হে আল্লাহ! ইসলামের সাথে আমার হিফাযত কর আমার দণ্ডায়মান অবস্থায়।
হে আল্লাহ! ইসলামের সাথে আমার হিফাযত কর আমার উপবিষ্ট অবস্থায়। হে আল্লাহ! ইসলামের সাথে আমার হিফাযত কর আমার শায়িত অবস্থায়।
(অর্থাৎ সর্বাবস্থায় ইসলামের সাথেই আমার হিফাযত কর) এবং আমার ব্যাপারে তোমার কোন ফয়সালাই যেন আমার কোন শত্রুর বা আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীর উল্লাসের কারণ না হয়।
হে আল্লাহ! তোমার হাতে কল্যাণের যে ভাণ্ডার সংরক্ষিত রয়েছে, আমি তোমার কাছে তা প্রার্থনা করছি। এবং তোমার কাছে অকল্যাণের যে ভাণ্ডার রয়েছে, তা থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" -(মুস্তাদরকে হাকিম)
اَللّٰهُمَّ احْفَظْنِي بِالْإِسْلَامِ قَائِمًا وَاحْفَظْنِي بِالْإِسْلَامِ قَاعِدًا وَلَا تُشْمِتْ بِي عَدُوًّا وَلَا حَاسِدًا اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ مِنْ كُلِّ خَيْرٍ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ كُلِّ شَرِّ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ
-"হে আল্লাহ! ইসলামের সাথে আমার হিফাযত কর আমার দণ্ডায়মান অবস্থায়।
হে আল্লাহ! ইসলামের সাথে আমার হিফাযত কর আমার উপবিষ্ট অবস্থায়। হে আল্লাহ! ইসলামের সাথে আমার হিফাযত কর আমার শায়িত অবস্থায়।
(অর্থাৎ সর্বাবস্থায় ইসলামের সাথেই আমার হিফাযত কর) এবং আমার ব্যাপারে তোমার কোন ফয়সালাই যেন আমার কোন শত্রুর বা আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীর উল্লাসের কারণ না হয়।
হে আল্লাহ! তোমার হাতে কল্যাণের যে ভাণ্ডার সংরক্ষিত রয়েছে, আমি তোমার কাছে তা প্রার্থনা করছি। এবং তোমার কাছে অকল্যাণের যে ভাণ্ডার রয়েছে, তা থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" -(মুস্তাদরকে হাকিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ مَرْفُوْعًا «اللَّهُمَّ احْفَظْنِي بِالْإِسْلَامِ قَائِمًا، وَاحْفَظْنِي بِالْإِسْلَامِ قَاعِدًا، وَاحْفَظْنِي بِالْإِسْلَامِ رَاقِدًا، وَلَا تُشْمِتْ بِي عَدُوًّا حَاسِدًا، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ كُلِّ خَيْرٍ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ كُلِّ شَرٍّ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ» (رواه الحاكم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৮
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২১৮. হযরত বুরায়দা (রা) রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এ দু'আটি রিওয়ায়াত করেন:
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي شَكُورًا وَاجْعَلْنِي صَبُوْرًا وَاجْعَلْنِي فِي عَيْنِي صَغِيرًا وَفِي أَعْيُنِ النَّاسِ كَبِيرًا -
"হে আল্লাহ! আমাকে তোমার শুকরিয়া আদায়কারী বান্দা বানাও, আমাকে তোমার সবুরকারী বা ধৈর্যশীল বান্দা বানাও। আমাকে আমার নিজের চোখে ছোট এবং লোকের চোখে বড় বানাও।"
-(বায্যার)
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي شَكُورًا وَاجْعَلْنِي صَبُوْرًا وَاجْعَلْنِي فِي عَيْنِي صَغِيرًا وَفِي أَعْيُنِ النَّاسِ كَبِيرًا -
"হে আল্লাহ! আমাকে তোমার শুকরিয়া আদায়কারী বান্দা বানাও, আমাকে তোমার সবুরকারী বা ধৈর্যশীল বান্দা বানাও। আমাকে আমার নিজের চোখে ছোট এবং লোকের চোখে বড় বানাও।"
-(বায্যার)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ بُرَيْدَة مَرْفُوْعًا اللَّهُمَّ اجْعَلنِي شكُورًا اللَّهُمَّ اجْعَلنِي صبورا اللَّهُمَّ اجْعَلنِي فِي عَيْني صَغِيرا وَفِي أعين النَّاس كَبِيرا. (رواه البزار)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৯
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২১৯. ইমাম আওযায়ী মুরসাল পদ্ধতিতে রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এ দু'আটি রিওয়ায়াত করেছেন:
اَللّٰهُمَّ إِنِّي اَسْئَلُكَ التَّوْفِيقَ لِمَحَابِّكَ مِنَ الْأَعْمَالِ وَصِدْقَ التَّوَكُّلِ عَلَيْكَ وَحُسْنَ الظَّنِّ بِكَ
-"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি, আমাকে সে সব আমলের তাওফীক দান কর, যা তোমার নিকট পসন্দনীয়, এবং তোমার প্রতি সাচ্চা তাওয়াক্কুল এবং তোমার প্রতি সুধারণা।"
-(হিলিয়া-আবূ নুআইম সঙ্কলিত)
اَللّٰهُمَّ إِنِّي اَسْئَلُكَ التَّوْفِيقَ لِمَحَابِّكَ مِنَ الْأَعْمَالِ وَصِدْقَ التَّوَكُّلِ عَلَيْكَ وَحُسْنَ الظَّنِّ بِكَ
-"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি, আমাকে সে সব আমলের তাওফীক দান কর, যা তোমার নিকট পসন্দনীয়, এবং তোমার প্রতি সাচ্চা তাওয়াক্কুল এবং তোমার প্রতি সুধারণা।"
-(হিলিয়া-আবূ নুআইম সঙ্কলিত)
کتاب الاذکار والدعوات
عن الأوزاعي" مرسلا "اللهم إني أسألك التوفيق لمحابك من الأعمال، وصدق التوكل عليك، وحسن الظن بك" (رواه ابونعيم فى الحلية)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২০
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ব্যাপক অর্থবোধক বিভিন্নমুখী দু'আসমূহ
২২০. হযরত আলী (রা) থেকে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর এ দু'আটি বর্ণিত হয়েছে:
اَللّٰهُمَّ افْتَحْ مَسَامِعَ قَلْبِي لِذِكْرِكَ وَارْزُقْنِي طَاعَتَكَ وَطَاعَةَ رَسُولِكَ وَعَمَلًا بِكِتَابِكَ
হে আল্লাহ তোমার যিকির ও নসীহতের জন্যে আমার হৃদয়ের কান খুলে দাও। আমাকে তোমার ও তোমার রাসূলের আনুগত্য এবং তোমার কিতাবানুসারে আমলের তাওফীক দান কর।
-(মু'জামে আওসাত-তাবারানী সঙ্কলিত)
اَللّٰهُمَّ افْتَحْ مَسَامِعَ قَلْبِي لِذِكْرِكَ وَارْزُقْنِي طَاعَتَكَ وَطَاعَةَ رَسُولِكَ وَعَمَلًا بِكِتَابِكَ
হে আল্লাহ তোমার যিকির ও নসীহতের জন্যে আমার হৃদয়ের কান খুলে দাও। আমাকে তোমার ও তোমার রাসূলের আনুগত্য এবং তোমার কিতাবানুসারে আমলের তাওফীক দান কর।
-(মু'জামে আওসাত-তাবারানী সঙ্কলিত)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَلِيٍّ مَرْفُوْعًا «اللَّهُمَّ افْتَحْ مَسَامِعَ قَلْبِي لِذِكْرِكَ، وَارْزُقْنِي طَاعَتَكَ وَطَاعَةَ رَسُولِكَ، وَعَمَلًا بِكِتَابِكَ» (رواه الطبرانى فى الاوسط)
তাহকীক: